ফ্যামিলি কার্ড: নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

ড. মিহির কুমার রায়

গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে। এই ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে বিএনপির এর আগে ঘোষণা করা ৩১ দফা। বিএনপির ইশতেহারে রাষ্ট্র সংস্কার, আর্থসামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারসহ রয়েছে বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন; ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার; অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন; এবং ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতি।

এর মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রস্তাবিত ফ্যামিলি কার্ড পরিকল্পনা ইতোমধ্যে রাজনীতিবিদ ও জনগণের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ১০ মার্চ প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ওই দিন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চট্টগ্রাম ও ঠাকুরগাঁওয়ে হয়েছে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড নির্বাচন করা হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ড কী?

ফ্যামিলি কার্ড মূলত একটি বিশেষ ডেটাবেজভিত্তিক পরিচয়পত্র, যার মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলো নিয়মিত সরকারি আর্থিক অনুদান পাবে। এই কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের গৃহকর্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হবে, যা নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে।

এটি বাংলাদেশের সামাজিক চুক্তির একটি কাঠামোগত বিবর্তন। আমাদের জাতীয় সহনশীলতার নীরব স্থপতি ‘পরিবারের নারীপ্রধানকে’ প্রাথমিক কার্ডধারী হিসেবে মনোনীত করে রাষ্ট্র তার কল্যাণমূলক এজেন্ডাকে পারিবারিক অর্থনীতির প্রমাণিত গতিশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করছে। এটি শুধু তহবিল বিতরণ নয়; জাতীয় উন্নয়নে একটি হাতিয়ার হিসেবে মাটির ব্যাংকের শক্তিকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়।

এটি এমন এক ডিজিটাল ঢাল, যা জলবায়ু পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মুখোমুখি একটি জাতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে নকশা করা হয়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। ভালো করে দেখলে বলা যায়, পারিবারিক কার্ডের আসল উদ্ভাবন এর দুর্যোগের আঘাত প্রতিরোধ করার নকশার মধ্যে নিহিত।

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং মোবাইল আর্থিক সেবার সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় পারিবারিক কার্ড ব্যবস্থা দুর্যোগের আগে আগাম পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশে রাষ্ট্র এখন যে কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পরে দুর্যোগ আঘাত হানার ৪৮ ঘণ্টা আগেই যে কোনো মোবাইল অ্যাকাউন্টে ‘টপ আপ’ করতে সক্ষম।

বন্যা বা উচ্চমাত্রার ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগে পারিবারিক কার্ডের মাধ্যমে নগদ অর্থ সহায়তা সরবরাহ করলে পরিবারগুলো নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে এবং গবাদিপশুর সুরক্ষা দিতে পারবে। এতে দুর্যোগ-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন খরচ একটি নির্দিষ্ট শতাংশে কমে যাবে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে এটি ৪০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

পারিবারিক কার্ড প্রকল্পের কাঠামো অনুযায়ী ‘নারী-প্রথম’ প্রযুক্তিকে ব্যক্তি পর্যায় থেকে পুরো পরিবারে ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য মাসিক ২,৫০০ টাকা একটি মূলধন হিসেবেই কাজ করবে।

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা

দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে আসছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ কার্ডের পরিকল্পনা করেছে নতুন সরকার।

এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সহায়তার এই অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় এই কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হবে।

ফ্যামিলি কার্ডের যৌক্তিকতা

বাংলাদেশে প্রতিবছর দারিদ্র্যের সূচক বাড়ছে। মূল্যস্ফীতির কষাঘাতে আরও নাজুক অবস্থায় পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। বিবিএসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশের প্রায় ৭৮ থেকে ৮০ লাখ পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে এবং প্রায় ৩৮ থেকে ৪০ লাখ পরিবার চরম দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন করছে।

এই পরিবারগুলো নিজেদের মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। পরিবারগুলোর গর্ভবতী নারী ও শিশুদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা তো দূরের কথা, অনেক সময় ঠিকমতো দুবেলা আহারও জোটে না। পুষ্টিকর খাবারের অভাবে মায়ের গর্ভে ভ্রূণের সঠিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে সন্তান জন্মের সময় নানা জটিলতা তৈরি হয় এবং জন্মের পরও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকের (জিএইচআই) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে ১১.৯ থেকে ১৩ শতাংশ মানুষ সরাসরি অপুষ্টিতে ভুগছে, যা সুস্থ ও বিকশিত জাতি গঠনে বড় বাধা।

এ ছাড়া এ দেশে অসংখ্য পরিবার রয়েছে যারা কঠোর পরিশ্রম করেও স্বাবলম্বী হতে পারছে না। দিন এনে দিন খাওয়া মানুষগুলো কষ্ট করে কিছু অর্থ সঞ্চয় করে। সেই অর্থ দিয়ে গ্রামের নারীরা হাঁস-মুরগি, গরু বা ছাগল কিনে লালন-পালন করে এবং ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু টানাপড়েন, দৈনন্দিন প্রয়োজন, ধারদেনা মেটানো বা হঠাৎ চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে সহায়-সম্বল হিসেবে থাকা গরু বা ছাগল বিক্রি করে দিতে হয়। ফলে পরিবারগুলো আবারও শূন্য অবস্থায় ফিরে যায়।

এসব পরিবারের আর্থিক মুক্তি ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। শহরের দালানকোঠা আর চাকচিক্যের ভিড়ে চাপা পড়ে থাকে গ্রামীণ জনপদের ও শহরের খেটে খাওয়া মানুষগুলোর দুঃখ-কষ্ট। নতুন সরকারের এই কর্মসূচি এই পরিস্থিতি লাঘবে সহায়ক হবে।

ফ্যামিলি কার্ডের কর্মপরিকল্পনা

ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে পাইলট কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আর্থিক সহায়তার বিষয়টি এখনও খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে অর্থের পরিমাণ না বাড়লে জনপ্রতি দুই হাজার টাকাই বহাল থাকবে।

সরকারের গঠিত কমিটি ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফ্যামিলি কার্ডসংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা জোরদারে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

এ কর্মসূচির আওতায় সম্ভাব্য দুই হাজার টাকা নগদ অর্থ বা সমপরিমাণ খাদ্যপণ্য দেওয়া হবে। অর্থ দেওয়া হবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। প্রকল্পের পরিধি পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। দেশব্যাপী ৫ কোটি নারীকে এ সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগী নারী নির্বাচনে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় সরকারের খানা জরিপ এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ডাটাবেজ ব্যবহার করা হবে। সেখান থেকে প্রকৃত ও উপযুক্ত সুবিধাভোগীদের শনাক্ত করে এনআইডি কার্ডের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করা হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা জাল দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের বিভাজন সংকটে বাধাগ্রস্ত। ঐতিহাসিকভাবে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলোর প্রায় ৩০ শতাংশ সুবিধা অ-দরিদ্র পরিবারগুলোতে পৌঁছেছে।

পারিবারিক কার্ড প্রকল্পের মাধ্যমে দুস্থ নারী সুবিধাসহ ৯৭টির বেশি খণ্ডিত সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পকে একটি একক ডিজিটাল কাঠামোর মধ্যে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে খাদ্য সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে পরিবহন ও বিতরণজনিত লিকেজ কমবে এবং সরকার প্রায় ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের আশা করছে।

কার্ডধারী নারী তার প্রাপ্ত অর্থ যে কোনো প্রয়োজনে খরচ করতে পারবে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা সাধারণত এই অর্থ শিশুদের শিক্ষা ও পুষ্টিকর খাদ্যের জোগানে বেশি ব্যয় করে। এর ফলে পরিবারগুলোর মৌলিক চাহিদা পূরণ সহজ হবে এবং ধীরে ধীরে পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।

এই প্রচেষ্টার সাফল্যের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন। উন্নয়ন অংশীদার যেমন বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও জাতিসংঘকে তাদের জলবায়ু পরিবর্তন তহবিলকে এই ডিজিটাল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।

একই সঙ্গে বেসরকারি খাতকে এই ডিজিটাল ব্যবস্থায় ‘শূন্য ফি’তে নগদ অর্থ স্থানান্তরের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। পারিবারিক কার্ড বাংলাদেশে নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে ভবিষ্যতে সামাজিকভাবে ক্ষমতায়িত নারীরা যে কোনো জাতীয় দুর্যোগের সময় একটি শক্তিশালী সুরক্ষা জাল তৈরি করতে পারবে এবং বাংলাদেশকে দুর্দশার কবল থেকে বের করে আনতে ভূমিকা রাখবে।

লেখক: কলামিস্ট ও সাবেক পরিচালক, বার্ড, কুমিল্লা

ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: প্রবাসী শ্রমবাজার সুরক্ষায় কূটনৈতিক প্রস্তুতি জরুরি

এ পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে, বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও বৈদেশিক আয় কাঠামো মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর। ফলে আঞ্চলিক যুদ্ধ বা দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা দেখা দিলে শ্রমিক নিয়োগ স্থগিত, ভিসা নবায়নে জটিলতা, প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রত্যাবাসনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা সরাসরি দেশের অর্থনীতিকে প্র

৪ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও ‘সার-বিদ্যুৎ রাজনীতি’: ইতিহাস কি আবার ফিরে আসছে?

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিএনপি ক্ষমতায় আসার সময়গুলোর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বড় যুদ্ধের সময়কাল মিলে গেছে, যার প্রভাব দেশের কৃষি ও বিদ্যুৎ খাতে অনুভূত হয়েছে। ফলে এসব সংকটকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তীব্র হয়েছে।

৫ দিন আগে

বেলুচ সমস্যা ও তার সমাধান

বেলুচরা আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও স্বাধীনচেতা। ইংরেজ আমলেও তাদের শাসন করা হতো পরোক্ষ স্বাধীনতা বা সমঝোতার মাধ্যমে। এই পরোক্ষ স্বাধীনতার অর্থ ‘পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসন’ও হতে পারে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কালে তার মর্যাদা ছিল স্বাধীন রাষ্ট্রের। কিছুদিন পর একে অনেকটা বলপূর্বক পাকিস্তানের অংশ করে নেওয়া

৬ দিন আগে

৫ মার্চ ১৯৭১: গণহত্যার প্রতিবাদে উত্তাল মুক্তিপাগল বাঙালি

মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতির শেষ পর্ব একাত্তরের মার্চ মাস। ১৯৬২ সালে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করে গঠিত হয় ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’। ছাত্রলীগের ভেতরের এই গোপন সংগঠন প্রতিটি আন্দোলনেই সক্রিয়। ধাপে ধাপে আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে গেছে স্বাধীনতার পথে।

৬ দিন আগে