
সিলেট ব্যুরো

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়লেও আসন্ন ঈদযাত্রায় দেশের পরিবহন খাতে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শনিবার (১৭ মার্চ) বিকেলে সিলেট নগরীর রায়নগর দপ্তরিপাড়া মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গণে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রমজীবী পরিবারের মাঝে ইফতার ও ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেলেও আমাদের দেশে আসন্ন ঈদযাত্রায় এর কোনো প্রভাব পড়বে না। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে কিছুটা সংকট দেখা দিতে পারে। আমরা শান্তির পক্ষে। আশা করি অচিরেই যুদ্ধ বন্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সরকার। জনগণের নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে যা যা করণীয়, সে বিষয়ে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। সরকারের এই প্রস্তুতির কারণে সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে আপনাদের কাছে ভোট চাইতে এসে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এ শহরের বিভিন্ন সমস্যাও ধাপে ধাপে সমাধান করা হবে। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা শতভাগ পালনের জন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, শফিকুর রহমান সুমনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
পরে মন্ত্রী সিলেট নগরীতে সিলেট জেলা প্রেস ক্লাব, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ, সিলেটস্থ সুনামগঞ্জ সমিতি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়লেও আসন্ন ঈদযাত্রায় দেশের পরিবহন খাতে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শনিবার (১৭ মার্চ) বিকেলে সিলেট নগরীর রায়নগর দপ্তরিপাড়া মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গণে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রমজীবী পরিবারের মাঝে ইফতার ও ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেলেও আমাদের দেশে আসন্ন ঈদযাত্রায় এর কোনো প্রভাব পড়বে না। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে কিছুটা সংকট দেখা দিতে পারে। আমরা শান্তির পক্ষে। আশা করি অচিরেই যুদ্ধ বন্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সরকার। জনগণের নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে যা যা করণীয়, সে বিষয়ে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। সরকারের এই প্রস্তুতির কারণে সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে আপনাদের কাছে ভোট চাইতে এসে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এ শহরের বিভিন্ন সমস্যাও ধাপে ধাপে সমাধান করা হবে। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা শতভাগ পালনের জন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, শফিকুর রহমান সুমনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
পরে মন্ত্রী সিলেট নগরীতে সিলেট জেলা প্রেস ক্লাব, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ, সিলেটস্থ সুনামগঞ্জ সমিতি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন আশিকুর রহমান।
৩ দিন আগে
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে স্বস্তির খবর হলো—অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকাই থাকছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ <৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বজায় রয়েছে।
৩ দিন আগে
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৪ দিন আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
৪ দিন আগে