তিনি বলেন, ‘নির্বাচন বিলম্বিত করার কোনো সুযোগ নেই। জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া ছাড়া গণতন্ত্রের অগ্রগতির সুযোগ নেই। গণতন্ত্রের শুরু, অগ্রগতির জন্য একমাত্র নির্বাচন ব্যতিত আর কোনো পথও নেই। অন্য কোনো পথ খুঁজতে গেলে জনমনে সন্দেহের উদ্বেগ হবে। জনগণ হতাশ হবে, গণতন্ত্র আবারও মুখ থুবড়ে পড়বে। কোনো দল, ব্যক্
দেশে আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ছয় মাস পার না হতেই অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে, বিশেষ করে শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে প্রধান ভূমিকা রাখা ছাত্রদের সাথে নির্বাচনসহ কয়েকটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে এ সময়ের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির দূরত্ব আরও প্রকট হয়ে ওঠার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের অডিটোরিয়ামে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে “মহান মুক্তিযুদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মানে শহীদ জিয়া'র অবদান” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, ‘চিকিৎসা শেষ করে দাদুকে নিয়ে আমরা এখন বাসায়। সবাই দাদুর জন্য দোয়া করবেন যেন তিনি দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন। আপনাদের দোয়া আমাদের জন্য খুবই মূল্যবান।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, জনগণ বিশ্বাস করে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মত একটি নির্দলীয়, অরাজনৈতিক সরকারের পক্ষেই বাজার সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে জনগণকে মুক্তি দেয়া সহজ। তাহলে এখন প্রশ্ন, অন্তর্বর্তী সরকার এতদিনেও কেন বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ। জনগণের উপর কেন উলটো ভ্যাটের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। এ
লন্ডন ক্লিনিকে ১৭ দিনের চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। চিকিৎসকদের পরামর্শে শুক্রবার লন্ডনের স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টায় (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৩টা) বেগম খালেদা জিয়াকে ছেলে তারেক রহমান তার বাসায় নিয়ে যান।
তিনি বলেন, সব কিছু ঠিক থাকলে, রিপোর্টগুলো এলে হাসপাতাল থেকে ছুটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে খালেদা জিয়ার। এখানকার চিকিৎসকরা যদি ওনাকে ছুটি দেন, কারণ কিছু কিছু রিপোর্টের জন্য গতকালও একজন চিকিৎসক দেখে পরীক্ষা করানোর জন্য দিয়েছিলেন যেগুলো আজ করা হচ্ছে। সেগুলো যদি করানো শেষ হয় সব ঠিক থাকে তাহলে হয়ত সন্ধ্যায় ছ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওই পোস্টে বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করার লক্ষ্যে বহুদলীয় গণতন্ত্রের গলাটিপে হত্যা করে বহুদলীয় ব্যবস্থার স্থলে একদলীয় সরকারব্যবস্থা ‘বাকশাল’ কায়েম করে।
বিএনপি ওয়ান ইলেভেন আনার পায়তারা করছে-এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এই মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওয়ান ইলেভেনের ভয়াবহ পরিণতি বিএনপির চেয়ে বেশি কেউ ভোগ করেনি।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসতে পারবে কিনা এটা জনগণ নির্ধারণ করবেন। কারণ দেশের জনগণই সব ক্ষমতার উৎস।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্য কেউ কেউ রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টা করছেন বলে শুনতে পাচ্ছি। তাহলে তো সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। মানুষ মনে করবে, অন্তর্বর্তী সরকার কোন একটা মাস্টারপ্ল্যানের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
হাসপাতাল ছেড়ে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) লন্ডন সময় রাত ৯টায় দ্য লন্ডন ক্লিনিক থেকে বাসায় নেওয়া হবে তাকে।
১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন থেকে আমরা প্রায় ১৫ বছর বঞ্চিত। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নিয়োগের সুযোগ পাবে। কিন্তু জোর করে বিষয়টিকে বিতর্কিত করা হলে জনগণ আবার তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।’
দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে বিএনপি হাল ধরেছে মন্তব্য করে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, আজকে বিএনপির ৩১ দফা সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে বুঝাতে হবে। বিএনপি সবসময় মানুষের কল্যাণে সংস্কার করে গেছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্যই ছিল স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন, বহুদলীয় রাজনৈতিক কার্যক্রম, বহুমত এবং চিন্তার চর্চা ও মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা ফিরে পাওয়া। আমাদের জাতীয় জীবনে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য অপরিসীম।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ছাত্ররা রাজনৈতিক দল গঠন করলেও যদি সরকারের মধ্যে তাদের প্রতিনিধি থাকে, তাহলে সরকার নিরপেক্ষ থাকতে পারবে না। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক দলগুলো তা মেনে নেবে না।