অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে সাবেক ওই মন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের আগেই দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। কিছু উপদেষ্টা জনগণের পালস বুঝে না। তাদের নসিহত করুন, অথবা বিদায় দিন। জনগণের বিরুদ্ধে যাবেন না। গণঅভ্যুত্থানের স্পিড অনুযায়ী নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করুন, আই
তিনি আরও বলেন, আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ, তারপরও এত বড় একটা অনুষ্ঠান থেকে বঞ্চিত হবো সেটা মেনে নিতে পারি নাই। আজকে আমরা যে মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নিচ্ছি, তা এই রংপুরের বীর সন্তান আবু সাঈদের জন্য সম্ভব হয়েছে। এই পুণ্য ভূমিতে আসতে পারবো না, এটা মেনে নিতে পারি নাই। তাই অসুস্থ অবস্থায়ও এসেছি।
তিনি বলেন, ‘ভারত সরকারকে স্পষ্টভাবে বলতে চাই— বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাইলে আগে তিস্তার পানি দেন। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করেন। তা যদি না দেন, আমরা লড়াই করে তিস্তার পানি আনব।
তিনি বলেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে রাজনৈতিক অধিকার আগে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক স্বাধীনতা না পেলে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যাবে না৷ রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে হলে ভোটের অধিকার অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
‘জাগো বাহে-তিস্তা বাঁচাও’ স্লোগান নিয়ে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের ব্যানারে আজ (সোমবার) থেকে বিএনপি এবং তার মিত্রদের দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি শুরু হচ্ছে, যা তিস্তার পানি বণ্টন এবং নদীর প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত।
এ সময় বক্তব্য দেন খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অন্দিন্দ্য ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার রিজভী জর্জ, সহসভাপতি জুলফিকার আলীসহ স্থানীয় নেতারা।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সংস্কার শেষে যারা জাতীয় নির্বাচনের কথা বলেন উদ্দেশ্য কী, জাতি তা জানতে চায়। আনুপাতিক হারে নির্বাচনের কথা যারা চিন্তা করেন তাদের আসলে অনুপাত বোঝে কি না সন্দেহ রয়েছে।’
আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে দলের বর্ধিত সভা আহ্বান করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে সভার স্থান এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
সময়মতো নির্বাচন দিলে গলায় যত ফুলের মালা পরাবো তার ওজন সইতে পারবেন না বলে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আমার পক্ষ থেকে অন্তর্বতী সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ, একটা নির্বাচন আদায় করার জন্য জনগণকে যেন রাস্তায় গুলি খেয়ে মরতে না হয়। আপনারা সময় মতো নির্বাচনটা দেন তাতে আপ
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, হাসিনা দেশকে ধ্বংস করার জন্য এমন কিছু বাকি নেই যা তিনি করেননি।শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমতাই বড় ছিল। ক্ষমতাকে স্থায়ী করার জন্য সে একের পর এক হত্যা-গুম ও খুন করেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনটি একটি দলিল। এ দলিল বাংলাদেশ সরকারকে সংরক্ষিত করতে হবে। ভবিষ্যতে প
দেশে জাতীয় নির্বাচনের সময় নিয়ে এক অপরের প্রতি সন্দেহ-অবিশ্বাস থেকে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন বিবাদে রূপ নিয়েছে। এর জের ধরে বাড়ছে পাল্টাপাল্টি বক্তৃতা-বিবৃতি।
মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম সভায় মিলিত হয়েছেন। এ সভায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা, সংস্কার যে করা প্রয়োজন সে বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন। দলগুলোর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন সংস্কারের যে রিপোর্টগুলো কমিশনগুলো যে জমা দিয়েছে সেগুলোর ওপর আলাপ-আলোচনা হবে। দলগু
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন না হলে, আমাদের প্রত্যেকের ফাঁসি দিয়ে দিতেন। শেখ হাসিনা অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্য পাখির মতো মানুষ হত্যা করেছেন। শহীদ আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা
দুদু বলেন, ‘সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপট রাজনীতিবিদরা তৈরি করেছেন। তাই যারা রাজনীতিবিদদের ছোট করছেন, তারা স্বৈরতন্ত্রের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরছেন।’
স্থানীয় নয়, অবশ্যই জাতীয় নির্বাচন আগে হতে হবে মন্তব্য করেছে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, নির্বাচন প্রলম্বিত করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশ্নবিদ্ধ হবে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থপতি ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, নির্বাচন নিয়ে উনারা কথা বলছেন। কখনো বলেন যাবেন না, কখনো বলেন যাবেন। কখনো বলেন এটা হলে যাব, কখনো বলেন ওটা হলে যাব। এটা আমি সরকারকে বলছি না। আমি বলছি, সরকারকে বিভ্রান্ত করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিভিন্নভাবে নির্বাচন নিয়ে কথা বলছে। এই সরকারকে অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলে দিচ্ছে