
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে আগামীকাল রবিবার ঢাকায় দেশটির দূতাবাসে স্মারকলিপি ও পদযাত্রা করবে বিএনপির তিন সংগঠন। এ দিন সকাল ১০টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে যাত্রা করবেন।
রাজধানীর নয়াপল্টনে আজ শনিবার সকালে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ সভা হয়। সভায় ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন বলেন, ‘ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের উচ্ছৃঙ্খল সদস্যরা আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা করেছে। যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননাকর। উচ্ছৃঙ্খল মব (জনতা) বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা করেছে, মিশনের সম্পদ বিনষ্ট করেছে। ভারত সরকার ভিয়েনা কনভেনশনের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী কূটনীতিকদের সুরক্ষা দিতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এর প্রতিবাদে আমরা ভারতীয় দূতাবাসে স্মারকলিপি দেব।’
লংমার্চের পরিকল্পনা
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে তারা ভারতের আগরতলা অভিমুখে ‘লংমার্চ’ করার চিন্তা করছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আজ শনিবার রাতে তিন সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ওই দিনই শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এরপর থেকে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চলছে বলে অভিযোগ তুলছে ভারত সরকার। এ ছাড়া ভারতের অনেক গণমাধ্যমে উসকানিমূলক অপপ্রচার, আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং জাতীয় পতাকার অবমাননা, বাংলাদেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী পাঠাতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরজিসহ বেশ কিছু ঘটনা বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিএনপির তিন সংগঠন ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি দিল।

ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে আগামীকাল রবিবার ঢাকায় দেশটির দূতাবাসে স্মারকলিপি ও পদযাত্রা করবে বিএনপির তিন সংগঠন। এ দিন সকাল ১০টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে যাত্রা করবেন।
রাজধানীর নয়াপল্টনে আজ শনিবার সকালে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ সভা হয়। সভায় ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন বলেন, ‘ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের উচ্ছৃঙ্খল সদস্যরা আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা করেছে। যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননাকর। উচ্ছৃঙ্খল মব (জনতা) বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা করেছে, মিশনের সম্পদ বিনষ্ট করেছে। ভারত সরকার ভিয়েনা কনভেনশনের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী কূটনীতিকদের সুরক্ষা দিতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এর প্রতিবাদে আমরা ভারতীয় দূতাবাসে স্মারকলিপি দেব।’
লংমার্চের পরিকল্পনা
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে তারা ভারতের আগরতলা অভিমুখে ‘লংমার্চ’ করার চিন্তা করছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আজ শনিবার রাতে তিন সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ওই দিনই শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এরপর থেকে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চলছে বলে অভিযোগ তুলছে ভারত সরকার। এ ছাড়া ভারতের অনেক গণমাধ্যমে উসকানিমূলক অপপ্রচার, আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং জাতীয় পতাকার অবমাননা, বাংলাদেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী পাঠাতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরজিসহ বেশ কিছু ঘটনা বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিএনপির তিন সংগঠন ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি দিল।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে