আওয়ামী লীগ সচল থাকবে নাকি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে— এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে যারা অপরাধে জড়িত, তাদের বিচার অবশ্যই হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
যমুনায় প্রবেশের আগে প্রতিনিধি দলের সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চেয়েছিলাম। সেই অনুযায়ী উনি আজ সময় দিয়েছেন। আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন এবং প্রশাসনের কিছু বিষয়সহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আমরা প
আমীর খসরু বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাধীন করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকে আমরা কখনো পলিটিক্যাল লোক নিয়োগ করিনি। আমরা ব্যাংকিং ডিভিশন (আর্থিক বিভাগ) বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কারণ এটার কোনো ভূমিকা ছিল না। তারাই (পতিত সরকার) আবার পরে এটা ফেরত এনেছে। তাতে আরও নানা রকমের সমস্যা তৈরি হয়েছে।
রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সচল থাকবে নাকি নিষিদ্ধ হবে, সেই সিদ্ধান্ত সরকার নেবে। তবে অপরাধীদের বিচার অবশ্যই হতে হবে।’
আওয়ামী লীগ দেশে বিভাজনের রাজনীতি করেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দেশে অনেক বিভাজন-ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করা হয়েছে। রাষ্ট্র কাঠামো ভেঙে ফেলেছে আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু মানুষ প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার চিত্র দেখতে চায় না, ঐক্যের রাজনীতি সৃষ্টি করাই মূল কথা।
জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম ধর্ম না উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন,ব্যক্তির নামের শেষে যে ইসলাম থাকে তারা মূলত সেই ইসলাম। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় চালক দলের এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাইযোদ্ধাদের আত্মত্যাগে উজ্জীবিত হবে তরুণ প্রজন্ম, তাই তাদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের তাৎপর্য প্রতি মুহূর্তে স্মরণ রাখতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে ঐক্য প্রতিষ্ঠার বড় সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। কিন্তু যেদিকে তাকাই, শুধু অনৈক্যের সুর। রাজনীতিকদের মধ্যে এই যে অনৈক্য, তা অত্যন্ত হতাশাজনক।
জুলাই সনদের প্রস্তাবে ৮৪টি বিষয়ে ঐকমত্য এসেছে বলা হলেও এর মধ্যে কেবল ১৭টি প্রস্তাবে পূর্ণ ঐকমত্য এসেছে। বাকি ৬৭টি প্রস্তাবেই কোনো না কোনো দলের দ্বিমত বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে— জাতীয় ঐক্যের এই দলিল কতটা ঐক্য আনতে সক্ষম হলো দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে?
শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা হচ্ছে, সুস্থ থাকেলে নির্বাচনী গণসংযোগে অংশ নেবেন বলেও জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি মনে করি না আমার বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে, তবে এনসিপি হয়তো আংশিকভাবে বক্তব্য কেটেছে। কারণ আমি স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, ওখানে কোনো প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা এই সংঘর্ষে জড়িত নয়।’
‘বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজসহ সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো একই সূত্রে গাঁথা। এগুলো পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হচ্ছে, যাতে ছাত্র–জনতার আকাঙ্ক্ষার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনকে ব্যাহত করা যায়।’
কিছু রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করলেও তা আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
জয়নুল আবদিন ফারুক আরও বলেন, আসুন আমরা ভাই ভাই। আমরা ওই জুলাই সনদে অঙ্গীকার করব। আমরা আজ জনগণকে প্রতিশ্রুতি দেব—এই জুলাই সনদে যা লেখা আছে, যেই দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, অক্ষরে অক্ষরে তা পালন করব।