দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় দলের পাঁচ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। বুধবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়া, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও সহ-সম্পাদক আবদুল কাদির ভুইয়া জুয়েলসহ কারাবন্দী নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে মিছিল করেছে বিএনপি
উল্লেখ, গত ২৫ মার্চ রাজধানীতে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ করে বিএনপি। তবে দলীয় কর্মসূচি হিসেবে নির্বাচনের আগে গত বছরের ২৮ অক্টোবর সর্বশেষ রাজধানীতে সমাবেশ করেছিল বিএনপি। সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে চলে জ্বালাও-পোড়াও ও সংঘর্ষ। এতে পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ফের একই দিনে রাজধানী ঢাকায় সমাবেশ ডেকেছে বিএনপি ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে গত শনিবার সমাবেশ ডাক দেয় বিএনপি।
ফখরুল বলেন, কিছু নেই এখন অবশিষ্ট নেই। ঐক্যের কথা আমরা বলি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা আমরা বলি সেই চেতনার লেশমাত্র অবশিষ্ট নেই এখন। যার জন্যে জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাহেবরা লড়াই করছিলেন। সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যদি আবার আমাদের ফিরিয়ে আনতে হয়, বাংলাদেশকে যদি সত্যিকার অর্থে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আমরা প
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ওরা প্রকাশ্যে কোনো কাজ করতে পারে না। তলে তলে কাজ করে। দেখবেন মুখে যেটা বলে তলে তলে করে আরেকটা। ইসরায়েলের বিমান কি করে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে এলো? মানুষ বলে ‘শেখ হাসিনার জন্য এক বস্তা ভর্তি শুভেচ্ছা বাণী পাঠানো হয়েছে’।
কয়েক হাজার নেতাকর্মী এখনো কারাগারে বন্দী রয়েছে। এর জবাব কি শেখ হাসিনা দিতে পারবেন? এর জবাব যদি শেখ হাসিনা দিতে পারতেন তাহলে তিনি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন দিতেন। শেখ হাসিনা যেভাবেই হোক ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। তিনি (শেখ হাসিনা) আজকে বলেছেন, ‘রাজবন্দী কেউ নেই ; রাজনৈতিক কারণে কেউ বন্দী নেই। যারা বন্দী রয়ে
রিজভী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে বা আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আঘাতে আমাদের ২০ জন নেতাকর্মী মারা গেছেন গত আড়াই মাসে। ২৮ অক্টোবর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। পঙ্গু হয়েছেন অনেকেই, কারও পা চলে গেছে, কারও হাত চলে গেছে আর কারও পৃথিবীর আলো চলে গেছে—দুই চোখ অন্ধ হয়ে গেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
রিজভী বলেন,গতকাল সোমবার রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল— বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভাচুর্য়াল সভা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ৮ মে থেকে শুরু হওয়া আসন্ন চার ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভ
রিজভী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে জনগণের পকেট কাটার কারণে এখন দেশে হাহাকার পড়েছে। অনাহার—অর্ধাহারে ক্ষুধার্ত মানুষ এবারের ঈদে চরম দুর্দশার মাঝে দিন কাটিয়েছে। বাজারে আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতির কারণে ভাত—তরকারী যোগাড় করা যেখানে কষ্টকর সেখানে ঈদের পোশাক কিনবে কিভাবে?
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি শুধু বিএনপির জন্য নয়। গোটা দেশ ও জাতি আজ বিপদের সম্মুখীন। ১৯৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য। যেন আমরা ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারি। অথচ আজ ৫৩ বছর পরে দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় সেই রাষ্ট্র ব্যবস্থা আমরা কায়েম করতে পারিনি।
ফখরুল বলেন, শুধু আকরামের ঘটনা নতুন নয়। আমাদের আন্দোলন চলাকালে ৩০ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে প্রায় ৬০ লাখ মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। ৭০০ থেকে ৮০০ জন নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে৷ গত কয়েকদিনের মধ্যে তারা ২৭ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে৷ তারা সারা দেশকে নির্যাতনের কারখানায় পরিণত ক
রিজভী বলেন, জাতির পক্ষে দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যারা থাকেন তারাই হলো প্রকৃত দেশপ্রেমিক। আজকে সিরাজউদ্দৌলার নীতির পক্ষে আছে জনগণ , আর জনগণের পক্ষে আছেন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান। আর মীরজাফরের পক্ষে আছেন শেখ হাসিনা, ওবায়ুল কাদের, হাছান মাহমুদ সাহেবরা। আর লর্ড ক্লাইভের ভুমিকা পালন করছেন পিনাক রঞ্জ
ইফতার পার্টি না করার যুক্তি হিসেবে সরকারি দল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, “করোনার প্রভাব ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সবার উপার্জন সমান নয়। তাই এ ধরনের পার্টি না করে এবং অপচয় কমিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ইফতার পার্টি না
৬ বছরের বেশি সময় ধরে অসুস্থ অবস্থায় বিনা অপরাধে মৌলিক মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে বন্দি রাখা হয়েছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে বলেও দাবি করেন রিজভী। তিনি বলেন, তিনি দেশের পাঁচটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সব কটিতেই জনগণের ভোটে জয়ী
‘আকরাম হোসেনকে হত্যার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো, আওয়ামী লীগ ঐতিহ্যগতভাবেই হত্যায় উৎসাহী একটি রাজনৈতিক দল। এরা শুধু গণতন্ত্রকেই হত্যা করেনি, গণতন্ত্রকামী মানুষকে এখন বেছে বেছে হত্যা করছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণকে অরক্ষিত রেখে এরা বিএনপিসহ বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার কর্মসূচি বাস্তব
মির্জা ফখরুল বলেন, এরা সরকার সব দিক দিয়ে ব্যর্থ। এরা রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছে, এরা জনগনকে পথ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চরমভাবে ভেঙে পড়েছে, শিক্ষা ব্যবস্থাকে তারা পরিকল্পিতভাবে ধবংস করে দিয়েছে।