
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও সহ-সম্পাদক আবদুল কাদির ভুইয়া জুয়েলসহ কারাবন্দী নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে মিছিল করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) ভরদুপুরে প্রচণ্ড রোদের মধ্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে এ মিছিল করেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এদিন দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি কাকরাইল নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে বিজয় নগর গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, যুবদলের নেতা মেহেবুব মাসুম শান্ত, ছাত্রদলের ডা. আউয়ালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও সহ-সম্পাদক আবদুল কাদির ভুইয়া জুয়েলসহ কারাবন্দী নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে মিছিল করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) ভরদুপুরে প্রচণ্ড রোদের মধ্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে এ মিছিল করেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এদিন দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি কাকরাইল নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে বিজয় নগর গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, যুবদলের নেতা মেহেবুব মাসুম শান্ত, ছাত্রদলের ডা. আউয়ালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে