
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কিছুদিন আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, "ভারতের কঠোর অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশে ৭ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে কার্যত গা ঢাকা দিতে হয়েছিল।" এ ধরণের একটি মিথ্যা প্রচারণা তিনি চালিয়েছেন অবৈধ সরকারের পক্ষে। তিনি বাংলাদেশের মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন শেখ হাসিনা আর তাকে রক্ষা করছেন প্রতিবেশী প্রভূরা।
রিজভী বলেন, জাতির পক্ষে দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যারা থাকেন তারাই হলো প্রকৃত দেশপ্রেমিক। আজকে সিরাজউদ্দৌলার নীতির পক্ষে আছে জনগণ , আর জনগণের পক্ষে আছেন বেগম খালেদা জিয়া। আর মীরজাফরের পক্ষে আছেন শেখ হাসিনা, ওবায়ুল কাদের, হাছান মাহমুদ সাহেবরা। আর লর্ড ক্লাইভের ভুমিকা পালন করছেন পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীরা।
আজ বুধবার (১০ এপ্রিল) শেওড়াপড়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপি নেতা আরও বলেন, আর একদিন পর ঈদ বাংলাদেশের ঘরে ঘরে কোনো ঈদের আনন্দ নেই। সরকারের সীমাহীন লুটপাট আর দুঃশাসনে পড়ে মানুষের অবস্থা খুবই নাজুক। এ রমজানে দেখেছেন নিত্যপণ্যের দাম কিভাবে লাগামহীন ছিল। মানুষ এখন আলু কিনতে পারে না। লেবু কিনতে পারে না চিনি কিনতে পারে না। সেমাই কিনতে পারে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারে না।আর ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা আছে মহা ধুমধামে। কারণ তাদের হাতে আছে লুটের অবৈধ টাকা।
তিনি বলেন, আওয়ামী প্রধান শেখ হাসিনা গোটা দেশটাকে পরনির্ভরশীল করতে প্রতিদিন কত চিৎকার চেঁচামেচি করছেন। ওবায়দুল কাদের সাহেবরা প্রতিদিন শেখ হাসিনা গুন গান গাইছেন। দেশের মানুষ মরল না বাঁচল তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। তাদের চাই শুধু ক্ষমতা।
তিনি বলেন, দেশে এখন কোনো গণতন্ত্র নেই। দেশের ৯৭ ভাগ জনগণ ভোট কেন্দ্রে যায়নি। একটি দেশ ছাড়া বিশ্ববাসীও এ অবৈধ সরকারের ভোটকে সমর্থন দেয়নি। সুতরাং সেদিন বেশি দুরে নয় আমরা যারা গণতন্ত্রের পক্ষে আছি আমরাই বিজয়ী হব, দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ বিজয়ী হবে।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিুল হক,তারিকুল আলম তেনজিং, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কিছুদিন আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, "ভারতের কঠোর অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশে ৭ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে কার্যত গা ঢাকা দিতে হয়েছিল।" এ ধরণের একটি মিথ্যা প্রচারণা তিনি চালিয়েছেন অবৈধ সরকারের পক্ষে। তিনি বাংলাদেশের মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন শেখ হাসিনা আর তাকে রক্ষা করছেন প্রতিবেশী প্রভূরা।
রিজভী বলেন, জাতির পক্ষে দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যারা থাকেন তারাই হলো প্রকৃত দেশপ্রেমিক। আজকে সিরাজউদ্দৌলার নীতির পক্ষে আছে জনগণ , আর জনগণের পক্ষে আছেন বেগম খালেদা জিয়া। আর মীরজাফরের পক্ষে আছেন শেখ হাসিনা, ওবায়ুল কাদের, হাছান মাহমুদ সাহেবরা। আর লর্ড ক্লাইভের ভুমিকা পালন করছেন পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীরা।
আজ বুধবার (১০ এপ্রিল) শেওড়াপড়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপি নেতা আরও বলেন, আর একদিন পর ঈদ বাংলাদেশের ঘরে ঘরে কোনো ঈদের আনন্দ নেই। সরকারের সীমাহীন লুটপাট আর দুঃশাসনে পড়ে মানুষের অবস্থা খুবই নাজুক। এ রমজানে দেখেছেন নিত্যপণ্যের দাম কিভাবে লাগামহীন ছিল। মানুষ এখন আলু কিনতে পারে না। লেবু কিনতে পারে না চিনি কিনতে পারে না। সেমাই কিনতে পারে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারে না।আর ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা আছে মহা ধুমধামে। কারণ তাদের হাতে আছে লুটের অবৈধ টাকা।
তিনি বলেন, আওয়ামী প্রধান শেখ হাসিনা গোটা দেশটাকে পরনির্ভরশীল করতে প্রতিদিন কত চিৎকার চেঁচামেচি করছেন। ওবায়দুল কাদের সাহেবরা প্রতিদিন শেখ হাসিনা গুন গান গাইছেন। দেশের মানুষ মরল না বাঁচল তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। তাদের চাই শুধু ক্ষমতা।
তিনি বলেন, দেশে এখন কোনো গণতন্ত্র নেই। দেশের ৯৭ ভাগ জনগণ ভোট কেন্দ্রে যায়নি। একটি দেশ ছাড়া বিশ্ববাসীও এ অবৈধ সরকারের ভোটকে সমর্থন দেয়নি। সুতরাং সেদিন বেশি দুরে নয় আমরা যারা গণতন্ত্রের পক্ষে আছি আমরাই বিজয়ী হব, দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ বিজয়ী হবে।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিুল হক,তারিকুল আলম তেনজিং, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে