আব্দুস সালামের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, ২৮ অক্টোবরকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের ধারাবাহিক মামলার অংশ হিসেবে আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে পল্টন, রমনা , মতিঝিল এবং মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন থানায় নাশকতার মামলা করা হয়। এসব মামলার আগাম জামিন চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
রিজভী বলেন, তিনি সম্পূর্ণ ভুলে গেছেন-২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং এর ভূমিকার কথা। যা ছিল একটি দেশের অভ্যন্তরে সরাসরি হস্তক্ষেপের সামিল। কারণ তাদেরকে প্রভু মানে বলেই ওবায়দুল কাদের এই হস্তক্ষেপের সুযোগ দিয়েছিলেন এবং এখনও দিচ্ছেন। এই ঘটনায় প্রমাণিত হয়, আওয়া
তিনি বলেন, বেইলি রোডস্থ একটি বহুতল ভবনে লাগা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু এবং এখনো হাসপাতালের বিছানায় আগুনে দগ্ধ মানুষের আহাজারি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
রিজভী বলেন, ডামি সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংসদে বলেছেন— ‘মিথ্যা তথ্য ও মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধে সংসদে আইন আনা হবে’। অলরেডি একটি আইন আছে যেটা হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট, আরও কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে’।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচনের পর দখলদার আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো ক্ষুণ্ন করে জনগণসহ বিরোধী দলগুলোর ওপর আরও তীব্র মাত্রায় দমনপীড়ন চালাচ্ছে, নির্মম নিষ্ঠুরতা দেখাচ্ছে। আজকে আরও একটি নির্মম বর্হিপ্রকাশ ঘটল গণতন্ত্র মঞ্চের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছি
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার কারাগার ছিল বিষাক্ত গ্যাস চেম্বারের মতো। সেখানে একটা মানুষের বেঁচে থাকার ন্যূনতম যে অধিকার, সেটা শেখ হাসিনা দেয় নাই। এই তীব্র শীতের মধ্যেও তাদের একটা করে কম্বল দেওয়া হয়নি। বালু মেশানো ভাত খেতে দিয়েছে। জেলের মধ্যে নিয়েও বিএনপি নেতাকর্মীদের এভাবে নিপীড়ন নির্যাতন করা হয়েছে
রিজভী বলেন, ‘বিতর্ক সৃষ্টি করে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে বিএনপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে। আওয়ামী লুটেরা চক্রের কারণে ডামি সরকার সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আওয়ামী বাজার সিন্ডিকেটের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছেন ডামি মন্ত্রীরা।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সভ্য গণতান্ত্রিক বিশ্বে মত প্রকাশের স্বাধীনতার যে স্বীকৃতি তা আজ বাংলাদেশে ভূলুণ্ঠিত। সভা—সমাবেশ সংবিধান স্বীকৃত, অথচ এ দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সেই সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। ডামি নির্বাচনের পর সরকার আরও বেশি ক্রুদ্ধ ও বেপরোয়া হয়ে
রিজভী বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি খোদ রাজধানীতে বিডিআর পিলখানায় ঘটে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ঠাণ্ডামাথায় সুপরিকল্পতভাবে বিডিআর বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন চৌকষ সেনা কর্মকর্তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। মাত্র একদিনে এতো সংখ্যক
মঈন খান বলেন, ইংরেজী ভাষায় একটি কথা আছে যে, যদি বিচার বিলম্বে হয়, তাহলে সেই বিচারের কোনো মূল্য থাকে না। কাজেই আজকে আমরা শুনেছি যে, সেই বিচার প্রক্রিয়া এখনো ঝুলে আছে… কেন ঝুলে আছে, কেন সেই অভিযোগে যাদের কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে… তারা আজকে পর্যন্ত বিনা বিচারে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কারাগারে ছিলেন, আপনিও কারাগারে ছিলেন এ বিষয়ে কিছু কথা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে আমীর খসরু বলেন, ‘আপনারা যত প্রশ্ন করবেন… আমার উত্তর হচ্ছে কিছু বলার নেই।’ যুক্তরাষ্ট্রের উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কেউ গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি। সকালে যুক্তরাষ্ট্রের
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊধর্বগতিতে সাধারণ মানুষের প্রাণ বাঁচানো দায়। ডামি সরকার লোক দেখানো হাঁক-ডাঁক দিলেও বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। বাজারের নিয়ন্ত্রকরাই এখন সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রতিটি পণ্যের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে …এই অবস্থায় নিম্নে আয়ের শুধু নয় মধ্যবিত্তরাও চরমভাবে অসহায়
শুক্রবার রাজধানীর গোপীবাগে কারাবন্দি অবস্থায় নিহত ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুলের পরিবারের সাথে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের কাছে এই মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা পরিবর্তন চাই এবং বিশ্বাস করি এই পরিবর্তন অবিসম্ভাবী,
তিনি বলেন, আত্মনির্ভরশীলতার স্থলে পরনির্ভরশীলতাকে করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় নীতি। এখন ভারত থেকে কচুরমুখিও আমদানি করতে হয়। প্রকাশনা শিল্পকে ধ্বংস করে বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত এখন ছেপে আসে ভারত থেকে। পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত অনেক প্রবন্ধ কবিতায় বানান ভুলে ভর্তি। বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের
কারাগারের জেলার শাহাদাত হোসেন জানান, হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর আলাল কারামুক্ত হয়েছেন। মুক্তির পর কারাগারের সামনে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিতে দেখা গেছে দলের নেতাকর্মীদের। গত ৩১ অক্টোবর রাজধানীর কাঁঠালবাগান থেকে আলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশ কনস্টেব
এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হক, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার, আমিনুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সাইদুর রহমান মিন্টু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্না, এজমল হোসেন পাইলট
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কত সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করেছিলেন। কোনো বিরোধী দলের নেতাকর্মীদেরকে বন্দি করে কারাগারে পাঠান নাই। ইনশাআল্লাহ আবারও তার নেতৃত্বে বিএনপি সফল হবে। তার যোগ্য পুত্র তারেক রহমান দলের হাল ধরেছেন। আজকে তিনি দেশে আসতে পারছেন না। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি ফিরবেন। বিএনপি