
রাজশাহী ব্যুরো

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘হত্যার হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তারের ১১ মাস ৫ দিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সাঈদ চাঁদ। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
এর আগে, শনিবার দুপুরে আবু সাঈদ চাঁদের স্ত্রী শাহানা বেগম (৬০) মারা গেছেন। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার মাড়িয়া গ্রামে রোববার বিকালে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েই স্ত্রীর মরদেহ দেখতে ছুটে যান আবু সাঈদ চাঁদ।
বিএনপি নেতা বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদ কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২৪ মার্চ তার মা আশরাফুন্নেশা মারা যান। ওইদিন আড়াই ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নেন তিনি।
গত বছরের ১৯ মার্চ রাজশাহীর পুঠিয়ায় জেলা বিএনপির সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘হত্যার হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগ উঠে। তিনি বলেন, 'শেখ হাসিনাকে কবরে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।' তার এ বক্তব্যের জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে মামলা হতে শুরু করে। এরপর ২৪ মার্চ রাজশাহী মহানগর পুলিশ নগরীর ভেড়িপাড়া মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
চাঁদের আইনজীবী ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যরিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন জানান, চাঁদের বিরুদ্ধে মোট ২১টি মামলা হয়েছিল। সব মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিতে হয়েছে। সবশেষ ঈদের আগে ফরিদপুরের একটি মামলায় চাঁদের জামিন হয়। এরপর থেকে তিনি মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন।রোববার দুপুরে উচ্চ আদালত থেকে জামিনের আদেশ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে এসে পৌঁছায়। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ তাকে মুক্তি দেয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘হত্যার হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তারের ১১ মাস ৫ দিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সাঈদ চাঁদ। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
এর আগে, শনিবার দুপুরে আবু সাঈদ চাঁদের স্ত্রী শাহানা বেগম (৬০) মারা গেছেন। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার মাড়িয়া গ্রামে রোববার বিকালে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েই স্ত্রীর মরদেহ দেখতে ছুটে যান আবু সাঈদ চাঁদ।
বিএনপি নেতা বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদ কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২৪ মার্চ তার মা আশরাফুন্নেশা মারা যান। ওইদিন আড়াই ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নেন তিনি।
গত বছরের ১৯ মার্চ রাজশাহীর পুঠিয়ায় জেলা বিএনপির সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘হত্যার হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগ উঠে। তিনি বলেন, 'শেখ হাসিনাকে কবরে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।' তার এ বক্তব্যের জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে মামলা হতে শুরু করে। এরপর ২৪ মার্চ রাজশাহী মহানগর পুলিশ নগরীর ভেড়িপাড়া মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
চাঁদের আইনজীবী ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যরিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন জানান, চাঁদের বিরুদ্ধে মোট ২১টি মামলা হয়েছিল। সব মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিতে হয়েছে। সবশেষ ঈদের আগে ফরিদপুরের একটি মামলায় চাঁদের জামিন হয়। এরপর থেকে তিনি মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন।রোববার দুপুরে উচ্চ আদালত থেকে জামিনের আদেশ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে এসে পৌঁছায়। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ তাকে মুক্তি দেয়।

‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে