
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশ, দেশের জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বন্দি আছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
আজ শনিবার বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। বেলা ২টা ৪২ মিনিটে কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। প্রধান অতিথি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের মধ্যদিয়ে এই সমাবেশের সমাপ্তি টানা হয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সমাবেশ পরিচালনা করেন।
সমাবেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, যে মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার সাজাই হয় না, সেই মামলায় তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে। জামিনযোগ্য হলেও তাকে জামিন না দিয়ে এখনো বন্দি রাখা হয়েছে। আমরা আমাদের বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে আসছি বহু দিন ধরে। কিন্তু তিনি এখনো কারাগারে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি জামিন পান না। জামিন পান খুন ও মৃত্যুদণ্ডের আসামিরা। কোনো কারণ ছাড়াই আওয়ামী লীগকে খুশি করার জন্য খালেদা জিয়ার জামিন দেয়া হচ্ছে না।
নেতাকর্মীদের বিশাল উপস্থিতি দেখে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আপনারা সকল ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সকাল থেকে কষ্ট করে আজ যেভাবে এই সমাবেশে যোগ দিয়েছেন -এ জন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। আপনারা দেশনেত্রীর প্রতি যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার তার প্রমাণ করেছেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বক্তৃতা-বিবৃতিতে মুক্তি মেলে না, নেত্রীকে মুক্ত করতে হলে আন্দোলন লাগবে। বক্তৃতায় দেশ স্বাধীন হয়নি, যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে হয়েছে।
খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পারলে দেশের অস্তিত্ব রক্ষা করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন গয়েশ্বরবলেন, বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক, জাতীয়তাবাদী ঐক্যের প্রতীক। তাকে তাড়াতাড়ি মুক্ত করতে না পারলে মানচিত্র থেকে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র মুছে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গিয়ে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে সই করেছেন, সবই দেশবিরোধী, আমরা এতে উদ্বিগ্ন। আমরা ভারত বিরোধী নই; আমরা সবার সাথে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই, গণতন্ত্র চাই। এ কথা বলাই তো খালেদা জিয়ার দোষ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, কী অভিযোগে বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হলো? খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ তিনি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা, তিনি দেশের জনগণের পক্ষে কথা বলেন। চিকিৎসা একটি মানবিক অধিকার। একজন নেত্রী মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। তার সুস্থতা শুধুমাত্র তার জন্য নয়; দেশ ও দেশের মানুষের জন্য প্রয়োজন।
স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যেখানে অন্যায় আইনে পরিণত হয়, যেখানে আইনের শাসন নেই, মানবাধিকার নেই, জীবনের নিরাপত্তা নেই সেখানে প্রতিরোধ কর্তব্য হয়ে যায়, অনিবার্য হয়ে যায়। পুলিশের হেফাজত ও বিনা চিকিৎসায় যে দেশে মৃত্যুবরণ করতে হয়, সে দেশে প্রতিবাদ করে বের হওয়া যাবে না। এজন্য নেতাকর্মীদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন ভাইস চেয়ারম্যান, মো. শাহজাহান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, আহমেদ আযম খান, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ড. ফরহাদ হালিম ডোনার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাংগঠনিক সম্পাদক ছায়েদুল আলম বাবুল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ^াস ,জেলা ও মহানগর নেতাদের মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তরের আমিনুল হক,দক্ষিণের রফিকুল আলম মজনু,গাজীপুর মহানগরের সাখাওয়াত হোসেন, নারায়নগঞ্জ জেলার গিয়াস উদ্দিন, ঢাকা জেলার খন্দকার আবু আশফাক,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আফরোজা আব্বাস,এসএম জিলানী, শহিদুল ইসলাম বাবুল,আনোয়ার হোসেইন, সাদেক আহমেদ খান, জাকির হোসেন রোকন, আবুল কালাম আজাদ,আবদুর রহিম,রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।

দেশ, দেশের জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বন্দি আছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
আজ শনিবার বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। বেলা ২টা ৪২ মিনিটে কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। প্রধান অতিথি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের মধ্যদিয়ে এই সমাবেশের সমাপ্তি টানা হয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সমাবেশ পরিচালনা করেন।
সমাবেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, যে মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার সাজাই হয় না, সেই মামলায় তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে। জামিনযোগ্য হলেও তাকে জামিন না দিয়ে এখনো বন্দি রাখা হয়েছে। আমরা আমাদের বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে আসছি বহু দিন ধরে। কিন্তু তিনি এখনো কারাগারে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি জামিন পান না। জামিন পান খুন ও মৃত্যুদণ্ডের আসামিরা। কোনো কারণ ছাড়াই আওয়ামী লীগকে খুশি করার জন্য খালেদা জিয়ার জামিন দেয়া হচ্ছে না।
নেতাকর্মীদের বিশাল উপস্থিতি দেখে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আপনারা সকল ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সকাল থেকে কষ্ট করে আজ যেভাবে এই সমাবেশে যোগ দিয়েছেন -এ জন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। আপনারা দেশনেত্রীর প্রতি যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার তার প্রমাণ করেছেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বক্তৃতা-বিবৃতিতে মুক্তি মেলে না, নেত্রীকে মুক্ত করতে হলে আন্দোলন লাগবে। বক্তৃতায় দেশ স্বাধীন হয়নি, যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে হয়েছে।
খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পারলে দেশের অস্তিত্ব রক্ষা করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন গয়েশ্বরবলেন, বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক, জাতীয়তাবাদী ঐক্যের প্রতীক। তাকে তাড়াতাড়ি মুক্ত করতে না পারলে মানচিত্র থেকে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র মুছে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গিয়ে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে সই করেছেন, সবই দেশবিরোধী, আমরা এতে উদ্বিগ্ন। আমরা ভারত বিরোধী নই; আমরা সবার সাথে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই, গণতন্ত্র চাই। এ কথা বলাই তো খালেদা জিয়ার দোষ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, কী অভিযোগে বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হলো? খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ তিনি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা, তিনি দেশের জনগণের পক্ষে কথা বলেন। চিকিৎসা একটি মানবিক অধিকার। একজন নেত্রী মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। তার সুস্থতা শুধুমাত্র তার জন্য নয়; দেশ ও দেশের মানুষের জন্য প্রয়োজন।
স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যেখানে অন্যায় আইনে পরিণত হয়, যেখানে আইনের শাসন নেই, মানবাধিকার নেই, জীবনের নিরাপত্তা নেই সেখানে প্রতিরোধ কর্তব্য হয়ে যায়, অনিবার্য হয়ে যায়। পুলিশের হেফাজত ও বিনা চিকিৎসায় যে দেশে মৃত্যুবরণ করতে হয়, সে দেশে প্রতিবাদ করে বের হওয়া যাবে না। এজন্য নেতাকর্মীদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন ভাইস চেয়ারম্যান, মো. শাহজাহান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, আহমেদ আযম খান, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ড. ফরহাদ হালিম ডোনার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাংগঠনিক সম্পাদক ছায়েদুল আলম বাবুল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ^াস ,জেলা ও মহানগর নেতাদের মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তরের আমিনুল হক,দক্ষিণের রফিকুল আলম মজনু,গাজীপুর মহানগরের সাখাওয়াত হোসেন, নারায়নগঞ্জ জেলার গিয়াস উদ্দিন, ঢাকা জেলার খন্দকার আবু আশফাক,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আফরোজা আব্বাস,এসএম জিলানী, শহিদুল ইসলাম বাবুল,আনোয়ার হোসেইন, সাদেক আহমেদ খান, জাকির হোসেন রোকন, আবুল কালাম আজাদ,আবদুর রহিম,রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই নির্বাচনে নির্ধারিত হবে দেশ লিবারেল ডেমোক্রেসির (উদার গণতন্ত্র) হাতে থাকবে, নাকি উগ্রপন্থি-রাষ্ট্রবিরোধীদের দখলে যাবে।
৬ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে চলছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পলিসি সামিট-২০২৬।
৭ ঘণ্টা আগে
জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
৭ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদ দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান ও সংস্কারের পক্ষে একমত হলে যেকোনো রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে পথ চলবে জামায়াত।
১০ ঘণ্টা আগে