অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের আগ্রহ প্রকাশকে কেন্দ্র করে জাতির মধ্যে যে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, অনিশ্চয়তা ও জটিল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে- তার প্রেক্ষিতে এই জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন আলরাজি কমপ্লেক্সের সামনে সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিতে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগ এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের অপসারনের দাবিতে যুব অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাইয়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির মধ্যে ফাটল তৈরির প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে করে জুলাই ঐক্য নামক একটি প্লাটফর্ম। বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শাহবাগ দিয়ে ঘুরে পুনরায় রাজু ভাস্কর্যে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়
জুলাই বিপ্লবের পর গত রাতটি সবচেয়ে কঠিন রাত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ও জনপ্রিয় স্বাস্থ্যবিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ডা. তাসনিম জারা। শুক্রবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন ডা. তাসনিম জারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, আমাদের দলের আহ্বায়ক প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ সন্ধ্যায় সাক্ষাৎ করেছেন। প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে যেসব আলোচনা চলছে এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারে থাকা ছাত্র প্রতিনিধিদের দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি করা স্বাভাবিক বিষয় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে আরেকটি ওয়ান-ইলেভেনের
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের পদত্যাগ চাওয়া উচিত কী না জানতে চেয়ে জনসাধারণের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
অন্যদিকে এনসিপি নেতাদের ঘনিষ্ঠ স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগও দাবি করেন ইশরাক সমর্থকরা। পরে মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ অভিহিত করে নিজেদের অবস্থানের জানান দেয় এনসিপি।
এতে বলা হয়, গত ১৮ মে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক তার পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার জন্য ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমানকে মোবাইল ফোনে কল করেন। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী তাকে আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই বলে জানান ও বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু নুরুল হক তার কো
জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেছেন, আমরা যতদিন বেঁচে আছি, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে। এই দাবি আদায় না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে এই ইসিকে পুনর্গঠন করেই ছাড়বো। একই সঙ্গে সরকারের ভেতরে থাকা বিএনপিপন্থী ৩ উপদেষ্টাকে (আইন, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা)
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন ভবনে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (২১ মে) সকাল থেকেই আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিরাপত্তা রক্ষায় কড়া অবস্থান নেয় পুলিশ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। বুধবার (২১ মে) এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাতের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই নোটিশ পাঠানো হয়।
তিনি বলেন, আমরা কিন্তু বলি নাই যে, জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে স্থানীয় নির্বাচন দিতে হবে। প্রয়োজনে গণপরিষদ নির্বাচন এবং জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হোক। তারিখ ঘোষণার মাধ্যমে সবাইকে আশ্বস্ত করে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিক। আমাদের সে বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই।
আওয়ামী লীগের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিএনপি চলে–এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহর এ কথার জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তাকে আবাল বলব। কথা বলার আগে একটু চিন্তা-ভাবনা করে বলতে হয়। আবালের মতো কথা বললে তোমাদের সম্বন্ধে মানুষের ধারণা কোথায় যাচ্ছে, একটু চিন্তা করো। হিসাব করে চলা ও বলা এবং গণ
হাসনাতের অভিযোগ, সরাসরি জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দেশ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়ে এবং জুলাই গণহত্যার বিচার কার্যক্রমে মনোযোগী না হয়ে নুসরাত ফারিয়ার মতো ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে বর্তমান সরকার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই আচরণ করছে।
নারীদের অধিকার রক্ষায় যে কোনো যৌক্তিক দাবিতে সর্বাত্মক সমর্থনের কথা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তবে এর আড়ালে জঘন্য ও ধ্বংসাত্মক সংস্কৃতিকে সমাজে প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টার বিরুদ্ধেও বাধা হয়ে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে আর পুনর্বাসিত করতে চায় না। জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং জাতীয় যুবশক্তিসহ দেশের সব ফ্যাসিবাদবিরোধী পক্ষকে আমি বলতে চাই-মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, ফ্যাসিবাদ, জুলুম ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।