
ঢাবি প্রতিনিধি

জুলাইয়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির মধ্যে ফাটল তৈরির প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে করে জুলাই ঐক্য নামক একটি প্লাটফর্ম। বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শাহবাগ দিয়ে ঘুরে পুনরায় রাজু ভাস্কর্যে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
তারা এ সময় তিন দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হলো
১. জুলাইয়ের সকল শক্তিকে বিনষ্ট করতে যে সকল ভারতীয় এজেন্ট কাজ করছে তাদের অবিলম্বে খুজে বের করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে;
২. উপদেষ্টা পরিষদে যারা ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ব্যতিব্যস্ত, অবিলম্বে তাদের অপসারণ করে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করতে হবে ও
৩। অবিলম্বে জুলাই ঘোষণা পত্র যথা সময়ে দিতে হবে।
এ সময় ড. শামীম হামিদি তার বক্তব্যে বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আমারা আপামর জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে এই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছি, কিন্তু নয় মাস পরেও আমরা লক্ষ্য করেছি সেই আওয়ামী দোসররা আজকেও এই প্রশাসনের উপদেষ্টা পরিষদের বিভিন্ন জায়গায় বসে আছে। যে ঐক্য নিয়ে আমরা জুলাইয়ে মাঠে ছিলাম সেই ঐক্য বিনষ্ট করার জন্য দেশবিরোধী নানান ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই যে বা যাহারা, যে সংগঠন বা দল এই ঐক্যকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে জনগণ আবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে আপনাদের প্রতিহত করবে।’
এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মুসাদ্দিক আলী বলেন, ‘জুলাই অভ্যুথানের সরকারের কাছে আমদের সবচেয়ে বড় চাওয়া ছিল জুলাই ঘোষণাপত্র কিন্তু তারা আমাদের আশাহত করেছেন। কিছু উপদেষ্টা বিদেশি বিভিন্ন দূতাবাসের প্রেসক্রিপশন অনুসরণ করছেন এবং বিএনপি, জামায়াত, এবি পার্টিতে এমনকি জুলাইয়ের ঐক্যে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করেছেন।’
এ সময় আন্দোলনকারীরা- ‘জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেবো রক্ত’, ‘আবু সাঈদের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘গোলামী না আজাদী, আজাদী আজাদী', ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
জুলাই ঐক্য নামক এই প্লাটফর্মটিতে রয়েছে একাধিক সংগঠনের প্রতিনিধি। সমাবেশে আপ বাংলাদেশের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ বলেন, ‘যারা জুলাইয়ের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় বসেছে তারা জুলাই ঘোষণাপত্র ঘোষণা না করে ক্ষমতা নিয়ে কামড়াকামড়ি শুরু করেছে। দেশ যখন ক্লান্তিলগ্নে ছিল আমরা ইউনূস সরকারের ওপর আস্থা রেখেছিলাম, এখনও রাখছি। তবে আপনার উপদেষ্টার মধ্যে যারা জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি করবে আমরা তাদের প্রতিহত করতে আবারও রাস্তায় নেমে আসবো।’
জুলাই ঐক্যের সংগঠক সাইদুর রহমান সরকার বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রায় দুই হাজার ভাইয়ের জীবনের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন হয়েছি। কিন্তু একটা গোষ্ঠী এই জুলাই ঐক্যের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। বাংলাদেশর সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে আমাদের একসাথ হয়ে কাজ করতে হবে। যখনই দেশ হুমকির মধ্যে পড়বে আমরা আবারও জুলাইয়ের মতো রাস্তায় নেমে আসবো।’

জুলাইয়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির মধ্যে ফাটল তৈরির প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে করে জুলাই ঐক্য নামক একটি প্লাটফর্ম। বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শাহবাগ দিয়ে ঘুরে পুনরায় রাজু ভাস্কর্যে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
তারা এ সময় তিন দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হলো
১. জুলাইয়ের সকল শক্তিকে বিনষ্ট করতে যে সকল ভারতীয় এজেন্ট কাজ করছে তাদের অবিলম্বে খুজে বের করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে;
২. উপদেষ্টা পরিষদে যারা ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ব্যতিব্যস্ত, অবিলম্বে তাদের অপসারণ করে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করতে হবে ও
৩। অবিলম্বে জুলাই ঘোষণা পত্র যথা সময়ে দিতে হবে।
এ সময় ড. শামীম হামিদি তার বক্তব্যে বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আমারা আপামর জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে এই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছি, কিন্তু নয় মাস পরেও আমরা লক্ষ্য করেছি সেই আওয়ামী দোসররা আজকেও এই প্রশাসনের উপদেষ্টা পরিষদের বিভিন্ন জায়গায় বসে আছে। যে ঐক্য নিয়ে আমরা জুলাইয়ে মাঠে ছিলাম সেই ঐক্য বিনষ্ট করার জন্য দেশবিরোধী নানান ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই যে বা যাহারা, যে সংগঠন বা দল এই ঐক্যকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে জনগণ আবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে আপনাদের প্রতিহত করবে।’
এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মুসাদ্দিক আলী বলেন, ‘জুলাই অভ্যুথানের সরকারের কাছে আমদের সবচেয়ে বড় চাওয়া ছিল জুলাই ঘোষণাপত্র কিন্তু তারা আমাদের আশাহত করেছেন। কিছু উপদেষ্টা বিদেশি বিভিন্ন দূতাবাসের প্রেসক্রিপশন অনুসরণ করছেন এবং বিএনপি, জামায়াত, এবি পার্টিতে এমনকি জুলাইয়ের ঐক্যে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করেছেন।’
এ সময় আন্দোলনকারীরা- ‘জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেবো রক্ত’, ‘আবু সাঈদের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘গোলামী না আজাদী, আজাদী আজাদী', ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
জুলাই ঐক্য নামক এই প্লাটফর্মটিতে রয়েছে একাধিক সংগঠনের প্রতিনিধি। সমাবেশে আপ বাংলাদেশের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ বলেন, ‘যারা জুলাইয়ের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় বসেছে তারা জুলাই ঘোষণাপত্র ঘোষণা না করে ক্ষমতা নিয়ে কামড়াকামড়ি শুরু করেছে। দেশ যখন ক্লান্তিলগ্নে ছিল আমরা ইউনূস সরকারের ওপর আস্থা রেখেছিলাম, এখনও রাখছি। তবে আপনার উপদেষ্টার মধ্যে যারা জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি করবে আমরা তাদের প্রতিহত করতে আবারও রাস্তায় নেমে আসবো।’
জুলাই ঐক্যের সংগঠক সাইদুর রহমান সরকার বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রায় দুই হাজার ভাইয়ের জীবনের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন হয়েছি। কিন্তু একটা গোষ্ঠী এই জুলাই ঐক্যের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। বাংলাদেশর সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে আমাদের একসাথ হয়ে কাজ করতে হবে। যখনই দেশ হুমকির মধ্যে পড়বে আমরা আবারও জুলাইয়ের মতো রাস্তায় নেমে আসবো।’

৪১ সদস্যের এই কমিটিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরও দুই সদস্য সেলিমা রহমান ও শামসুজ্জামান দুদুকে রাখা হয়েছে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে। দলীয় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহকে দেওয়া হয়েছে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব।
১ দিন আগে
শেখ হাসিনার পলায়ন ও রওশন এরশাদের অনুপস্থিতির পর খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দেশের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বই পর্দার আড়ালে চলে গেল কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে— রাজনীতির মাঠে এখন যেসব নারীরা রয়েছেন, তাদের মাধ্যমে কি রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নারী নেতৃত্বের শূন্যতা আদৌ পূরণ হবে? নাকি রাজনীতি পরিপ
১ দিন আগে
এ সময় জামায়াত আমিরের উপস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশের ওপর আলোকপাত করা হয়।
১ দিন আগে
দলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে নীতিগত দ্বিমত পোষণ করে তিনি লেখেন, ‘সম্প্রতি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আমি নীতিগতভাবে একমত নই।’
১ দিন আগে