করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির হোতা সেই রিজেন্টের সাহেদ ফের গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৬, ১৫: ০৫
মোহাম্মদ সাহেদ। ছবি: সংগৃহীত
মোহাম্মদ সাহেদ। ছবি: সংগৃহীত

পল্লবী থানার একটি মামলায় করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির হোতা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইসিবি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পল্লবী থানার পুলিশের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন। প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ সাহেদের বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা চলমান ছিল; যার সব কটিতেই পর্যায়ক্রমে জামিন পাওয়ায় প্রায় চার বছর পর জেল থেকে মুক্তি মেলে তার।

২০২০ সালে করোনা মহামারির সময়ে সাহেদের নাম প্রথমবার আলোচনায় আসে। সে বছর ৭ জুলাই উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাব বাদী হয়ে সাহেদসহ ১৭ জনের নামে করোনার সনদ জালিয়াতির অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে।

মামলার ৯ দিনের মাথায় ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর তার নামে প্রতারণা, অনিয়মের নানা অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। পরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাহেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়।

২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের মামলায় সাহেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। ওই সাজার রায়ের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০২৪ সালের ১১ জানুয়ারি হাইকোর্ট আপিল মঞ্জুর করে তাঁকে খালাস পান সাহেদ। তবে গত ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের এক মামলায় ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট সাহেদকে তিন বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। আর ১৪ বছর আগে ২০১০ সালে চেক জালিয়াতির একটি মামলায় তার ছয় মাসের সাজা হয়েছিল।

সাহেদের বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলার মধ্যে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনেও একটি মামলা রয়েছে। সেই মামলায় সিআইডির প্রতিবেদনে বলা হয়, সাহেদ মানুষ ঠকিয়ে ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেছিলেন। রিজেন্ট হাসপাতালে পরীক্ষা না করেই ভুয়া সনদ দিয়ে তিনি ৩ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার ২২৭ টাকা হাতিয়ে নেন।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement
করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির হোতা সেই রিজেন্টের সাহেদ ফের গ্রেপ্তার