আরাঘচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, পরস্পরবিরোধী অবস্থান এবং সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে কূটনীতিকে দুর্বল করেছে। তারপরও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গুরুত্বের সঙ্গে এই আলোচনায় অংশ নিয়েছে তেহরান।’
এমন এক কঠিন পরিস্থিতির মাঝেই ইরান সরকার তাদের পুরনো ও প্রতিষ্ঠিত প্রচারণামূলক কৌশল অর্থাৎ ‘জাতীয় প্রতিরোধ’ এবং ‘পশ্চিমা খলনায়ক’ তত্ত্ব ব্যবহার করে চলেছে। তবে এবার তারা পুরনো কিছু বিপ্লবী প্রতীক বাদ দিচ্ছে বা এড়িয়ে যাচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, প্রায় এক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলার পর ইরান তাদের অস্ত্র তৈরির উপযোগী সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুত মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছে। সেই মজুত উদ্ধারের প্রত্যয় ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনীর ওই ইউরেনিয়ামের কোনো প্রয়োজন বা লোভ নেই, তবে তারা এটি ইরানের হ
বিরোল স্পষ্ট ভাষায় বলেন, চলমান পরিস্থিতির কোনো উন্নতি যদি আমরা না করতে পারি, তাহলে সম্ভবত আমরা আগামী জুলাই বা আগস্টেই রেড জোনে ঢুকে পড়তে পারি।
মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের যে সামরিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তা 'ধারণার চেয়েও অনেক দ্রুতগতিতে' পুনর্গঠন করছে তেহরান। গত এপ্রিলের শুরুতে ঘোষিত ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলাকালেই ইরান তার ড্রোন উৎপাদন নতুন করে শুরু করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব
আজ বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই অনড় অবস্থানের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টা বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে। একই সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের আলোচনা আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, ইরান যদি শেষ পর্যন্ত একটি বাস্তবসম্মত সমঝোতায় আসতে রাজি হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ সময়, শক্তি এবং সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হবে। এই চুক্তিটি অত্যন্ত দ্রুত, এমনকি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেও সম্পন্ন হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে নৌ রুটে পরিবাহিত হতো, সেই হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের এই কঠোর নিয়ন্ত্রণ বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বড় সংকটে ফেলেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান কীভাবে এই কৌশলগত চোকপয়েন্টের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করছে, তা উন্মোচন করতে রয়টার্স ২০ জন সংশ্
দক্ষিণ লেবাননের টাইর জেলার দেইর কানুন আল-নাহর শহরে একটি বড় ধরনের বিমান হামলা চালানো হয়। এতে নারী ও শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থানীয় উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়া কফারসির শহরের আল-মাহফারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং সেখানে চারজন নিহত
লেবাননসহ সমস্ত ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি, ইরানের নিকটবর্তী অঞ্চলগুলো থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণের শর্তে ওয়াশিংটনের কাছে নতুন একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তিনি ইরানের ওপর নতুন করে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে উপসাগরীয় আরব মিত্রদের ‘অনুরোধে’ তিনি এই হামলা স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত একটি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদী হয়ে তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছেন।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের হামলায় অন্তত ২২৮টি স্থাপনা বা সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হ্যাঙ্গার, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমান, রাডার, যোগাযোগব্যবস্থা ও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম।
আন্তর্জাতিক জলসীমায় গাজা থেকে প্রায় ২৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থানকালে ইসরায়েলি যুদ্ধজাহাজ বহরটিকে ঘিরে ফেলে। পরে সামরিক কমান্ডোরা একে একে কয়েকটি জাহাজে উঠে নিয়ন্ত্রণ নেয়। আটক হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে অন্তত ৪৪ জন তুর্কি নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে আয়োজকরা।
ইরান যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে প্রায় ৮ হাজার সেনা, এক স্কোয়াড্রন ফাইটার জেট এবং একটি অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। একটি দ্বিপাক্ষিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় রিয়াদের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা নাটকীয়ভাবে বাড়িয়েছে ইসলামাবাদ।
ইরানের চীনবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার ও মুখপাত্র মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফকে মনোনীত করেছে তেহরান। দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অনুমোদনের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ট্রাম্প পরিবারের ক্রিপ্টো স্টার্টআপ ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়ালে’র পেছনে মূল অর্থ জোগানদাতা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করা দুই ধনকুবেরের ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেই ইরান বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের লেনদেন সম্পন্ন করেছে।