ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা
-9566b4-480x270.webp)
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে আসা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুরু হয়েছে ভোট গণনা।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ দিন সকাল আটটায় আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। কোথাও সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি।
সকালে ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল তিনটা পর্যন্ত ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছিল। তবে ভোট গ্রহণ শেষে মোট ভোট পড়ার হার এখনো জানা যায়নি।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন। তারা হলেন— বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় গত ২২ আগস্ট আসনটি শূন্য হয়। এরপর সেখানে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়।
নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্র রয়েছে।
এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬৮ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। এ ছাড়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ২৮৭ জন। তাদের মধ্যে ২৪৯ জন পুরুষ ও ৩৮ জন নারী।











-fdc1d9-256x144.webp)




