শুধু তাই নয়, দীর্ঘ সময় ধরে গোটা ভবন আগুনে পুড়তে থাকায় এখন ভবনে ধস দেখা দিতে শুরু করেছে। ভবনটি ওপর থেকে ভেঙে একের পর এক ছাদ-দেওয়ালসহ বিভিন্ন অংশ ধসে পড়ছে। এরই মধ্যে অষ্টম ও সপ্তম তলা ছাদ ভেঙে পড়েছে। ভবনটি থেকে মাঝে মধ্যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে।
ঘটনাস্থলে কর্মরত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানিয়েছেন, ওই কারখানায় বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণে দাহ্য পদার্থ রয়েছে। এ কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছে নৌ বাহিনী, বিমান বাহিনী এবং সিইপিজেডের সেনাবাহিনীর টিম।
চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) আল হামিদ টেক্সটাইল নামে একটি কারখানায় আগুন লেগেছে। কারখানাটিতে হাসপাতালে ব্যবহার করার যন্ত্রপাতি তৈরি হতো। নয়তলা ভবনটিতে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
শাহজালাল রানা বলেন, প্রশাসনের আশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা হরতাল কর্মসূচি স্থগিত করেছি। তবে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে দাবি পূরণ করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় বাড়ির পুরুষ সদস্যরা বাজারে ছিলেন। সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে ঢুকে মা ও মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করে। এরপর তারা প্রায় ৩০ ভরি সোনার অলংকারসহ অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।
নিহত আবদুল হাকিম উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের পাচখাইন গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই এলাকায় তার প্রতিষ্ঠিত হামিম অ্যাগ্রো নামে একটি গরুর খামারের স্বত্বাধিকারী। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আবদুল হাকিম গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হলেও তার দলীয় পদ-পদবির বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৪০০ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৪-৫ হাজার কর্মকর্তাকে ওএসডি করে কর্মস্থলে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে খাগড়াছড়িতে স্থগিত ঘোষণা করা অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার করেছে জুম্ম ছাত্র জনতা। গত মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা থেকে আগামীকাল রোববার (৫ অক্টোবর) পর্যন্ত এই অবরোধ স্থগিত করা হয়েছিল।
তিনি জানান, সবকিছু স্বাভাবিক হলে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর মতামতের ভিত্তিতে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়ার বিষয়ে ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সাম্প্রতিক ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজও চলমান রয়েছে। পরে বিশেষ বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
খাগড়াছড়ির গুইমারায় সহিংসতার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার।
মো. আব্দুল মোত্তাকিম বলেন, ‘দ্রুত পদক্ষেপের কারণে কেউ বড় ধরনের নাশকতার সুযোগ পায়নি। সেনাবাহিনী, অন্যান্য বাহিনীর সদস্য ও প্রশাসনের চেষ্টায় পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
এদিকে ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবাদে জুম্ম ছাত্র-জনতার অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চলছে। তবে বেলা ১২টা থেকে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি-ঢাকা সড়কে অবরোধ শিথিল করেছে সংগঠনটি। ফলে দূরপাল্লার গাড়ি ছেড়ে গেছে।
নিরাপত্তার কারণে যানবাহন ও মানুষের চলাচল সীমিত রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে, বেশিরভাগ দোকানপাটও বন্ধ। শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার রয়েছে।
স্কুলছাত্রী ধর্ষণ-পরবর্তী বিচার দাবিতে বিক্ষোভ থেকে সৃষ্ট সংঘর্ষের জেরে খাগড়াছড়িতে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা এখনো বলবৎ রয়েছে। এর মধ্যেই ‘জুম্ম ছাত্র-জনতার’ ব্যানারে গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া সড়ক অবরোধ আজ সোমবার থেকে তিন পার্বত্য জেলায় বিস্তৃত হয়েছে। ফলস্বরূপ, খাগড়াছড়ির প্রধান সড়কসহ জনগুরুত্বপূ
মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জুম্ম ছাত্র-জনতার ব্যানারে খাগড়াছড়িতে তৃতীয় দিনের অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষে কমপক্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর ১১ সদস্য, তিন পুলিশ সদস্য ও এক সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৫ জন।