
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জুম্ম ছাত্র-জনতার ব্যানারে খাগড়াছড়িতে তৃতীয় দিনের অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষে কমপক্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর ১১ সদস্য, তিন পুলিশ সদস্য ও এক সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৫ জন।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে তিনজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করলেও তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন আগেই খাগড়াছড়ি ও গুইমারা উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছিল। স্থানীয় জুম্ম ছাত্র-জনতার অবরোধ আর প্রশাসনের ১৪৪ ধারায় থমথমে পরিস্থিতির মধ্যেই গুইমারা বাজার এলাকায় বেশ কিছু দোকানপাট ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে রোববার। কয়েকটি ঘরবাড়ি ও দোকানে আগুনও দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১৪৪ ধারা অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। সাজেকে আটকে পড়া দুই হাজার ১৪৭ জন পর্যটককে রাতেই সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
খাগড়াছড়ি থেকে রাজনীতি ডটকমের জেলা প্রতিনিধি জানান, রোববার সকাল থেকে খাগড়াছড়ি শহর ও শহরতলীতে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল। ছেড়ে যায়নি কোনো দূরপাল্লার বাস। জনসাধারণও খুব একটা রাস্তায় বের হতে পারেনি।
১৪৪ ধারা চলাকালেই গুইমারা উপজেলায় সকাল ১১টার দিকে উপজেলা খাদ্য গুদামের সামনে অবরোধকারীরা রাস্তায় জড়ো হয়ে টায়ার জ্বালিয়ে দেন। এ সময় অবরোধকারীদের হামলায় সেনাবাহিনীর ১১ জন সদস্য, তিন পুলিশ সদস্য ও এক সাংবাদিকসহ ২৫ জনের মতো আহত হন। এ সময় বেশকিছু দোকানপাট ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গুইমারা উপজেলায় দুষ্কৃতকারীদের হামলায় তিনজন পাহাড়ি নিহত হয়েছেন। একজন মেজরসহ ১৩ জন সেনাসদস্য, গুইমারা থানার ওসিসহ তিনজন পুলিশ সদস্য এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শিগগিরই তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এর আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্য ধারণ করে শান্ত থাকার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, বর্তমানে খাগড়াছড়িতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শহর ও শহরতলীতে কঠোর নিরাপত্তা দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অতিরিক্ত নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের পাশাপাশি তিন প্লাটুন আর্মড পুলিশ ও সাত প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জরুরি সেবায় নিয়োজিত ছাড়া অন্য কাউকে কারণ ছাড়া চলাচল করতে দিচ্ছে না সেনাবাহিনী।
এ পরিস্থিতিতে খাগড়াছড়িতে উদ্ভূত সহিংসতা নিরসনে বিশেষ মতবিনিমিয় সভা করেছে জেলা প্রশাসন। রোববার সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খাদেমুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েলসহ রাজনৈতিক-সামাজিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হযে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়া শেষে ফেরার পথে অষ্টম শ্রেণির এক মারমা কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলা করেন।
ঘটনার পরদিন সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সন্দেহভাজন তরুণ শয়ন শীল নামে (১৯) এক তরুণকে আটক করে পুলিশ। আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন মৃধা জানান, তৃতীয় দিনের মতো অবরোধ চলছে। ১৪৪ ধারাও জারি রয়েছে। বাড়তি পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।

মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জুম্ম ছাত্র-জনতার ব্যানারে খাগড়াছড়িতে তৃতীয় দিনের অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষে কমপক্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর ১১ সদস্য, তিন পুলিশ সদস্য ও এক সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৫ জন।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে তিনজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করলেও তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন আগেই খাগড়াছড়ি ও গুইমারা উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছিল। স্থানীয় জুম্ম ছাত্র-জনতার অবরোধ আর প্রশাসনের ১৪৪ ধারায় থমথমে পরিস্থিতির মধ্যেই গুইমারা বাজার এলাকায় বেশ কিছু দোকানপাট ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে রোববার। কয়েকটি ঘরবাড়ি ও দোকানে আগুনও দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১৪৪ ধারা অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। সাজেকে আটকে পড়া দুই হাজার ১৪৭ জন পর্যটককে রাতেই সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
খাগড়াছড়ি থেকে রাজনীতি ডটকমের জেলা প্রতিনিধি জানান, রোববার সকাল থেকে খাগড়াছড়ি শহর ও শহরতলীতে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল। ছেড়ে যায়নি কোনো দূরপাল্লার বাস। জনসাধারণও খুব একটা রাস্তায় বের হতে পারেনি।
১৪৪ ধারা চলাকালেই গুইমারা উপজেলায় সকাল ১১টার দিকে উপজেলা খাদ্য গুদামের সামনে অবরোধকারীরা রাস্তায় জড়ো হয়ে টায়ার জ্বালিয়ে দেন। এ সময় অবরোধকারীদের হামলায় সেনাবাহিনীর ১১ জন সদস্য, তিন পুলিশ সদস্য ও এক সাংবাদিকসহ ২৫ জনের মতো আহত হন। এ সময় বেশকিছু দোকানপাট ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গুইমারা উপজেলায় দুষ্কৃতকারীদের হামলায় তিনজন পাহাড়ি নিহত হয়েছেন। একজন মেজরসহ ১৩ জন সেনাসদস্য, গুইমারা থানার ওসিসহ তিনজন পুলিশ সদস্য এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শিগগিরই তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এর আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্য ধারণ করে শান্ত থাকার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, বর্তমানে খাগড়াছড়িতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শহর ও শহরতলীতে কঠোর নিরাপত্তা দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অতিরিক্ত নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের পাশাপাশি তিন প্লাটুন আর্মড পুলিশ ও সাত প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জরুরি সেবায় নিয়োজিত ছাড়া অন্য কাউকে কারণ ছাড়া চলাচল করতে দিচ্ছে না সেনাবাহিনী।
এ পরিস্থিতিতে খাগড়াছড়িতে উদ্ভূত সহিংসতা নিরসনে বিশেষ মতবিনিমিয় সভা করেছে জেলা প্রশাসন। রোববার সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খাদেমুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েলসহ রাজনৈতিক-সামাজিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হযে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়া শেষে ফেরার পথে অষ্টম শ্রেণির এক মারমা কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলা করেন।
ঘটনার পরদিন সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সন্দেহভাজন তরুণ শয়ন শীল নামে (১৯) এক তরুণকে আটক করে পুলিশ। আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন মৃধা জানান, তৃতীয় দিনের মতো অবরোধ চলছে। ১৪৪ ধারাও জারি রয়েছে। বাড়তি পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের বলেন, দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩ দিন আগে
কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় লবণ মাঠে জুতা চুরি নিয়ে বিরোধের জেরে এক গ্রাম্য পশুচিকিৎসককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
৩ দিন আগে
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা বলেছেন, শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে গণ অধিকার পরিষদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি।
৩ দিন আগে
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ দিন আগে