সোমবার (২২ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ জানান, পুলিশ থেকে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশের অনুমতি পাওয়া যায়নি। তাই সমাবেশটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে নতুন তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ফের একই দিনে রাজধানী ঢাকায় সমাবেশ ডেকেছে বিএনপি ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে গত শনিবার সমাবেশ ডাক দেয় বিএনপি।
রোববার (২১ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কাদের বলেন, ব্যর্থ রাজনীতির ধারায় হাঁটায় হোঁচট আর ঝাঁকুনির প্রকোপে পর্যদুস্ত বিএনপি। হতাশার গভীরে নিমজ্জিত হয়ে বিএনপির নেতাদের বোধশক্তি লোপ পেয়েছে। দিন দিন তারা দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণকে শত্রুতে পরিণত করে চলেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের কাছে বিএনপির সন্ত্রাসের রাজনীতির ব্যাপারে ঘৃণার আগুন ছড়িয়ে দিতে পারি এবং তাদের জনগণের কাছে আরও বিচ্ছিন্ন, আরও অপ্রাসঙ্গিক করে তোলার প্রয়াস আমরা চালাতে পারি। কারণ বিএনপি এখন রাজনৈতিক দলের পরিচয় দেওয়ার মতো গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, এবারে নির্বাচন কোনো সেমি ডেমোক্রেটিক নির্বাচন না, এটা ডেমোক্রেটিক নির্বাচন। তারা অংশগ্রহণ করেনি তারপরও ৪২ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এটা অনেক উন্নতে দেশেও হয় না।
তিনি বলেন, ওদের বিরুদ্ধে কোন মামলাইতো পলিটিক্যাল মামলা না, প্রত্যেকটা মামলা হচ্ছে অগ্নিসন্ত্রাসের মামলা। তারা মানুষ হত্যা করেছে আগুন দিয়ে। নির্বাচন ঠেকাতে যেয়ে তারা রেলে আগুন দিয়ে মা-শিশুকে পুড়িয়ে মেরেছে, যারা এগুলো করলো তাদের বিরুদ্ধে কি মামলা হবে না? যারা এগুলো করলো তাদের বিরুদ্ধে কি মামলা হবে না?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিরোধী দলবিহীন জাতীয় নির্বাচনে নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী দিয়ে যে সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছিল, তা সামাল দিতেই তৎপর আওয়ামী লীগ। আভ্যন্তরীণ কোন্দল ঠেকাতে উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক প্রত্যাহারের পর এবার এমপি ও মন্ত্রীদের পরিবারের সদস্যদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বরাবরের ন্যায় নির্বাচন ও দেশের গণতন্ত্রবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। সে কারণে জনগণও তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের অধীনে অন্য সেক্টর কমান্ডারদের মতোই ৪০০ টাকা মাসিক বেতনের কর্মচারী ছিলেন জিয়াউর রহমান। অথচ পরিতাপের বিষয়, সেই বিএনপি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ দিবস ১৭ এপ্রিল পালন করে না।’
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের মানুষকে ডালভাত খাওয়াতে চেয়েও ব্যর্থ হয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকা-৬ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় স্থানীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করেন সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, এই আসন থেকে নির্বাচিত হতে পেরে এবং মহান জাতীয় সংসদে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। এই আসন থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেওয়া এই আসনে উপ-ন
সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এই আহ্বান জান
তিনি বলেন, আমরা একটি চমৎকার সময় পার করছি। পবিত্র রমজান মাসের পর ঈদুল ফিতরের উৎসব এরপর সার্বজনীন পহেলা বৈশাখ উৎসব এবং আজকে আবার বসন্তী পূজার উৎসব আমরা পালন করছি। আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশে আমরা সকলে মিলেমিশে যার ধর্ম কর্ম পালন করি ও উৎসবের আয়োজন করি। পরস্পরের প্রতি আমাদের যে ভালোবাসা এটি হলো আমাদের
উপজেলা নির্বাচনের একজন প্রার্থীকে অপহরণ করা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এত বড় একটা নির্বাচন, তাতে টুকটাক কিছু ঘটনা যে ঘটবে না, ঘটেনি তা নয়। তবে তা নিয়ন্ত্রণে আমরা কাজ করছি। প্রশাসনিকভাবে আমরা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছি।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ দিবস। সেই দিনটিকে তারা অস্বীকার করে। ১০ এপ্রিল প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার গঠন হয় সেটা অস্বীকার করে। স্বাধিকার আন্দোলনের মাইলফলক ৭ জুন অস্বীকার করে।