বিদ্রোহের ছাইচাপা আগুন ধিকি ধিকি জ্বলতে জ্বলতে হঠাৎ একদিন বিস্ফোরিত হয়। তাহিতি দ্বীপ থেকে পর্যাপ্ত রুটি ফলের চারা সংগ্রহ করে দেশের উদ্দেশে জাহাজ ভিড়িয়েছেন মাত্র কয়েকে দিন আগে।
মাটির নিচে হওয়া এক ধরনের বড় আলুর সঙ্গে শুঁটকি এবং সোডা দিয়ে রান্না করা খাবারও গারো সমাজে বেশ জনপ্রিয়। আবার কলাপাতায় মুড়িয়ে রান্না করা ছোট মাছকে বলা হয় 'হিথোপ্পা'।
রান্নাঘরের এককোণে মাটির চুলা, পাশেই কিছু জ্বালানি। হাঁড়িকুড়ি ঝুলিয়ে রাখার জন্য একাধিক শিকে। কারও কারও ঘরে আলমারিও থাকত।
তেমনি পেটে গ্যাস হলে, কিংবা তরলে ভর্তি থাকলে শব্দের মাত্রা যাবে বদলে। তখন ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ডের শব্দ কিছুটা বদলে যাবে। এই ব্যাপারগুলো খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করেছিলেন লিওপোল্ড।
ভদ্রলোক তখন দাঁতমুখ খিঁচিয়ে বললেন, ভেবেছেনটা কী! আপনার ওই আজেবাজে লেখা পড়ার সময় আছে আমার!
বাংলাদেশে রিকশাচিত্র জনপ্রিয় হতে শুরু করে ষাটের দশকে। রিকশার হুডে বিভিন্ন ল্যান্ডস্কেপ এবং পোট্রেট এঁকে দেয়া হতো নানা রূপ।
ছোট্ট ছেলেটা কবিতা লেখে। কার্তিকদা সেই কবিতা পড়ে সবাইকে শোনায়, রাতে ঘুমানোর আগে। ছেলেটার পত্রিকা যদি খুব কম বিক্রি হয়, কার্তিকদাও সেগুলোর ব্যবস্থা হয়তো করতে পারেন না, সেদিন কার্তিদাই ছেলেটার খাওয়াদাওয়ার ভার নেন।
ডাক পরিবহনের পদ্ধতি বদলে গেছে। ডাক হরকরা আগে পায়ে হেঁটে ডাক বইত। পরে আসে সাইকেল।
বরেণ্য সংস্কৃতিজন, কিংবদন্তি রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, সঙ্গীত গুরু এবং বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাবেক সভাপতি কলিম শরাফীর শততম জন্মবার্ষিকী আগামীকাল বুধবার। এই গুণীজনের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে আগামীকাল বিকেল সাড়ে ৫টায় শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে উদীচী আয়োজন করেছে আনন্দ অনুষ্ঠান।
শুরুতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ভুলে এগুলোকে পানির এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন।
তরুণ লেখকদের প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের উদ্যোগে ২০২৩-২৪ সেশনে ‘অনলাইন জাতীয় কবিতা উৎসব’ এর আয়োজন করা হয়েছে। ‘লস প্রজেক্ট’ ও ‘রিভান এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্ম’ এর যৌথ সহযোগিতায় এ উৎসবটি পরিচালনা করে সংগঠনটি।
একটা উঁচু পোতা, যেটিকে দালান ঘরে বারান্দা বলে, তার ওপরের চার দেয়ালের ওপর পাঁচ চালের ঘর।
সাধারণ মানুষকে করে একত্রিত তিনি গড়ে তোলেন লাঠিয়াল বাহিনী। নীলকুঠি, অত্যাচারী জমিদার এবং সামন্তদের বাড়িঘর লুট করে তারা।
ভারত ও বাংলাদেশের শতাধিক কবি-সাহিত্যিকের অংশগ্রহণে রাজশাহী কলেজ মিলনায়তনে ‘হাসান আজিজুল হক সাহিত্য উৎসব- ২০২৪’ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করেন একুশে পদক জয়ী বিশিষ্ট লেখক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইবিএস শাখার বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক সনৎ কুমার সাহা। এরপর 'লেখক' প
সেকালের দার্শিনেকরা পরস্পরের বন্ধু যেমন ছিলেন, একে-অন্যে কাদা ছোড়াছুড়িও তাঁরা কম করেননি।
বিভূতিভূষণের সাহিত্যপ্রতিভা তখনো প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু ভেতরে তো জাত সাহিত্যিকের বাস, এমন একজন সমঝদার মানুষ পেয়ে মফস্বলের একজন মানুষ বর্তে যাবেন, সেটা খুবই স্বাভাবিক।