প্রতি বছর বর্ষা এলেই ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে গ্রামবাসীর, তবে এ বছর শীত মৌসুমেই শুরু হয়েছে ভাঙন। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই ভাঙনে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।
ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে হিমালয় পাদদেশের পঞ্চগড় জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা।
দেশের ৪৪ জেলায় বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। এমনটা থাকতে পারে আরও ১০ দিন। প্রচণ্ড শীতের কারণে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশাও বিরাজ করতে পারে।
আগের ঘূর্ণিঝড়গুলোর মতো নতুন এ ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘ডিটওয়াহ’ও আগেই নির্ধারণ করে রাখা ছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এ নামটি ইয়েমেনের প্রস্তাবনা। দেশটির সোকোত্রা দ্বীপে একই নামে রয়েছে একটি বিখ্যাত লেগুন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই লঘুচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
চলতি নভেম্বর মাসে দেশে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া চলতি মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে এসব এলাকাকে পানি সংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকার জন্য পালনীয় ১১টি নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুব উত্তাল রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
সন্ধ্যার মধ্যে দেশের তিনটি জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাবে ঝড়। এমন আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশে বিচ্ছিন্নভাবে এক থেকে দুটি মৃদু তাপপ্রবাহ (৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বয়ে যেতে পারে। এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা সামান্য বেশি থাকতে পারে।
ভাবুন তো, ঘরের কোণে রাখা টবে একগুচ্ছ গাছ, আর রাত নামতেই হালকা নীল, সবুজ, লাল কিংবা বেগুনি আলো ছড়িয়ে পুরো ঘরটাকে আলোকিত করে তুলল। বিদ্যুতের বাল্ব নয়, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক গাছের ভেতর থেকেই বের হচ্ছে সেই আলো। এমন স্বপ্নময় কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চীনের একদল বিজ্ঞানী। তাঁরা তৈরি করেছেন পৃথিবীর প্রথম ব
আদায় থাকে জিঞ্জারল নামের একটি রাসায়নিক উপাদান। এটি আদার ঝাঁজ এবং গন্ধের জন্য দায়ী। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বলেন, এই জিঞ্জারল পরিমাণে নিয়ন্ত্রিত থাকলে শরীরের জন্য উপকারী, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত হলে তা শরীরে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
শিমের বিঁচিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের মধ্যে শিমের বীজ অন্যতম সেরা উৎস। যারা মাংস বা মাছ কম খান কিংবা নিরামিষভোজী, তাদের জন্য শিমের বিঁচি একটি অসাধারণ বিকল্প হতে পারে। প্রোটিন আমাদের শরীরের পেশী গঠন, রক্ত তৈরিসহ নানা কাজে লাগে।
সোনা আসলে এক ধরনের ‘নোবেল মেটাল’। নোবেল মেটাল বলতে বোঝায় এমন ধাতু, যা সাধারণ পরিবেশে খুব সহজে অক্সিজেন, পানি বা অ্যাসিডের সঙ্গে প্রতিক্রিয়ায় যায় না। সোনার বৈশিষ্ট্য হলো, এটি অত্যন্ত স্থিতিশীল। সোনার পরমাণুগুলো এমনভাবে সাজানো যে, বাইরের অক্সিজেন বা আর্দ্রতা সহজে এর সঙ্গে রাসায়নিক বন্ধনে যুক্ত হতে পার
জিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, লৌহ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার। এগুলো একসঙ্গে শরীরের হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং পেটের গ্যাস, ফাঁপা ভাব বা বদহজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানিতে জিরা ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি পান করলে অনেকেই আরা