
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের তিন জেলা রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর ২৫ উপজেলার ১৫৩টি ইউনিয়নকে বিভিন্ন মাত্রার পানি সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার অধীন মোট ৭২টি মৌজাও পানি সংকটাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই প্রথম দেশে পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিত করা হলো।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে এসব এলাকাকে পানি সংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকার জন্য পালনীয় ১১টি নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
পানি সংকটাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে উত্তর-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ২৫টি উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়নকে চিহ্নিত করা হয়েছে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে। একই অঞ্চলের ৪০টি ইউনিয়নকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন ও ৬৬টি ইউনিয়নকে মধ্যম মাত্রার পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পটিয়া পৌরসভার পাঁচটি মৌজাকে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন ও তিনটি মৌজাকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে মন্ত্রণালয়। একই উপজেলার তিন ইউনিয়নের সাতটি মৌজাকে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন, ৯টি ইউনিয়নের ২৭টি মৌজাকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এবং আটটি ইউনিয়নের ৩০টি মৌজাকে মধ্যম পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ পানি আইন, ২০২৩’-এর ১৭ ধারা অনুযায়ী পানি সংকটাপন্ন এলাকার সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে জলাধার বা পানি ধারক স্তরের সুরক্ষার জন্য যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে ২৮ অক্টোবর সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কিছু এলাকা পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
পানি সংকটাপন্ন এসব এলাকায় পালনীয় হিসেবে মন্ত্রণালয় থেকে ১১টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—
এসব নির্দেশনা প্রতিপালন করা বাধ্যতামূলক হিসেবে উল্লেখ করেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। নির্দেশনা লঙ্ঘন পানি আইনের ধারা-২৯-এর সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের তিন জেলা রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর ২৫ উপজেলার ১৫৩টি ইউনিয়নকে বিভিন্ন মাত্রার পানি সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার অধীন মোট ৭২টি মৌজাও পানি সংকটাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই প্রথম দেশে পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিত করা হলো।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে এসব এলাকাকে পানি সংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকার জন্য পালনীয় ১১টি নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
পানি সংকটাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে উত্তর-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ২৫টি উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়নকে চিহ্নিত করা হয়েছে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে। একই অঞ্চলের ৪০টি ইউনিয়নকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন ও ৬৬টি ইউনিয়নকে মধ্যম মাত্রার পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পটিয়া পৌরসভার পাঁচটি মৌজাকে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন ও তিনটি মৌজাকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে মন্ত্রণালয়। একই উপজেলার তিন ইউনিয়নের সাতটি মৌজাকে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন, ৯টি ইউনিয়নের ২৭টি মৌজাকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এবং আটটি ইউনিয়নের ৩০টি মৌজাকে মধ্যম পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ পানি আইন, ২০২৩’-এর ১৭ ধারা অনুযায়ী পানি সংকটাপন্ন এলাকার সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে জলাধার বা পানি ধারক স্তরের সুরক্ষার জন্য যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে ২৮ অক্টোবর সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কিছু এলাকা পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
পানি সংকটাপন্ন এসব এলাকায় পালনীয় হিসেবে মন্ত্রণালয় থেকে ১১টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—
এসব নির্দেশনা প্রতিপালন করা বাধ্যতামূলক হিসেবে উল্লেখ করেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। নির্দেশনা লঙ্ঘন পানি আইনের ধারা-২৯-এর সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছে। তাতে তাদের সক্ষমতা নিয়ে ইসি নিশ্চিত হতে পারেনি। এ জন্য তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড বরাদ্দের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তাদের ব্যাপারে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রেস সচিব বলেন, পুলিশকে বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। সারা বাংলাদেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্র, তার মধ্যে ২৫ হাজার ৭শ বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হচ্ছে। এই বডি ক্যামেরা কীভাবে কাজ করছে, আজকের মিটিংয়ে প্রথমেই রেন্ডমলি পাঁচটা জায়গায় প্রধান উপদেষ্টা যারা বডি ক্যামেরা ক্যারি করছিলেন তাদের সঙ্গে কথা
১৪ ঘণ্টা আগে
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা। কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও সহকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা প্রার্থনা ও পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে