
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আজ শুক্রবার দেশের ২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এ মৌসুমে দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে হিমালয় পাদদেশের পঞ্চগড় জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা।
শুক্রবার ভোর থেকেই গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়, চালকদের ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে দেখা গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, সেদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
টানা শীত ও কুয়াশার প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম সংকটে পড়েছেন। কনকনে শীতের কারণে অনেকেই ভোরে কাজে বের হতে পারছেন না। শীত নিবারণের জন্য ভোর থেকেই গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। তাপমাত্রার এই ওঠানামা আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও তিনি জানান।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দেশের ২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের সব জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। পাশাপাশি নরসিংদী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাতেও শৈত্যপ্রবাহ চলছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আরও অন্তত দুই দিন এভাবে শৈত্যপ্রবাহ চলতে পারে। এ ছাড়া জানুয়ারির অন্তত মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ চলতে থাকবে বলে জানানো হয়েছে পূর্বাভাসে। এ সময় এর বিস্তৃতি কমবেশি হতে পারে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের ২৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল। সেদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। এর আগের দিন নওগাঁর বদলগাছীতে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়, যা এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন।

আজ শুক্রবার দেশের ২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এ মৌসুমে দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে হিমালয় পাদদেশের পঞ্চগড় জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা।
শুক্রবার ভোর থেকেই গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়, চালকদের ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে দেখা গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, সেদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
টানা শীত ও কুয়াশার প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম সংকটে পড়েছেন। কনকনে শীতের কারণে অনেকেই ভোরে কাজে বের হতে পারছেন না। শীত নিবারণের জন্য ভোর থেকেই গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। তাপমাত্রার এই ওঠানামা আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও তিনি জানান।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দেশের ২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের সব জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। পাশাপাশি নরসিংদী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাতেও শৈত্যপ্রবাহ চলছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আরও অন্তত দুই দিন এভাবে শৈত্যপ্রবাহ চলতে পারে। এ ছাড়া জানুয়ারির অন্তত মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ চলতে থাকবে বলে জানানো হয়েছে পূর্বাভাসে। এ সময় এর বিস্তৃতি কমবেশি হতে পারে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের ২৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল। সেদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। এর আগের দিন নওগাঁর বদলগাছীতে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়, যা এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন।

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আলোচনাকে ‘গুঞ্জন’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত বা অন্য কোনো কারণে পদত্যাগ করতে চাইলে সংবিধানে সে সুযোগ রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির প্রতিটি সিদ্ধান্তে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতিফলন থাকতে হবে। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, পরীক্ষার্থীরা এখন থেকে পূর্বঘোষিত নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী বাকি পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেবেন। তবে যেসব পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেগুলো পরে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে আবার নেওয়া হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রেপ্তার আফতাব মজুমদার জয় চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তিনি খুলশী থানার ওয়ারল্যাস মুরগী ফার্ম এলাকার বাসিন্দা।
৭ ঘণ্টা আগে