
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীতীরবর্তী অন্তত ১০টি গ্রাম ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়েছে।
প্রতি বছর বর্ষা এলেই ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে গ্রামবাসীর, তবে এ বছর শীত মৌসুমেই শুরু হয়েছে ভাঙন। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই ভাঙনে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফতেপুর ইউনিয়নের শাহাপুর, বেড়কুরি, মোল্লাবাড়ি, জাহিদপুর, আব্দুল্লাহপুর, চরকারপার ও কাশিমপুরসহ প্রায় ১০টি গ্রাম বর্তমানে নদীভাঙনের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

এসব গ্রামের শতাধিক পরিবার ইতোমধ্যে ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক পরিবার অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে ঘর তুলে কোনোরকমে দিন কাটাচ্ছে।
নদীভাঙনে ভুক্তভোগী মিরাশ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তার কার্যকর উপস্থিতি চোখে পড়েনি।
এ বিষয়ে ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এমদাদুল হক টিটু বলেন, ‘নদীভাঙনের বিষয়টি সাবেক উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম। বর্তমান উপজেলা প্রশাসনকেও অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন অলিদ জানান, ফতেপুর ও মনমুখ ইউনিয়ন মিলিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমি পরিস্থিতি পরিদর্শন করে একটি কাজের ড্রাফট তৈরি করে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। তবে এখনো বরাদ্দ না পাওয়ায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।’
এদিকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তারা অবিলম্বে নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীতীরবর্তী অন্তত ১০টি গ্রাম ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়েছে।
প্রতি বছর বর্ষা এলেই ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে গ্রামবাসীর, তবে এ বছর শীত মৌসুমেই শুরু হয়েছে ভাঙন। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই ভাঙনে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফতেপুর ইউনিয়নের শাহাপুর, বেড়কুরি, মোল্লাবাড়ি, জাহিদপুর, আব্দুল্লাহপুর, চরকারপার ও কাশিমপুরসহ প্রায় ১০টি গ্রাম বর্তমানে নদীভাঙনের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

এসব গ্রামের শতাধিক পরিবার ইতোমধ্যে ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক পরিবার অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে ঘর তুলে কোনোরকমে দিন কাটাচ্ছে।
নদীভাঙনে ভুক্তভোগী মিরাশ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তার কার্যকর উপস্থিতি চোখে পড়েনি।
এ বিষয়ে ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এমদাদুল হক টিটু বলেন, ‘নদীভাঙনের বিষয়টি সাবেক উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম। বর্তমান উপজেলা প্রশাসনকেও অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন অলিদ জানান, ফতেপুর ও মনমুখ ইউনিয়ন মিলিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমি পরিস্থিতি পরিদর্শন করে একটি কাজের ড্রাফট তৈরি করে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। তবে এখনো বরাদ্দ না পাওয়ায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।’
এদিকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তারা অবিলম্বে নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

এতে বলা হয়েছে, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠান এবং নির্বাচন পূর্ব অনিয়ম রোধকল্পে সূত্রোক্ত পরিপত্রের মাধ্যমে (পরিপত্র-৯) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে উল্লিখিত সেলের কার্যপরিধি অনুযায়ী সেল কর্তৃক গৃহীত কার্যক
১৬ ঘণ্টা আগে
ফয়েজ আহম্মদ বলেন, নিহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় সনাতন হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা প্রচারণা ছড়ানো হয়েছে, যেখানে এটিকে সাম্প্রদায়িক হামলা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
১৭ ঘণ্টা আগে
শফিকুল আলম বলেন, ইভারস আইজাবস বৈঠকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঐতিহাসিক হিসেবে দেখছে। এ কারণেই তারা বড় আকারের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনেক দেশেই নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায় না; কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের বড় বাণিজ্যিক অং
১৮ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনপূর্ব সময়ে আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা রয়েছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সেমিনার, সংবর্ধনা, যুবসমাবেশ ইত্যাদির নামে ভোটারদের জমায়েত করে নির্বাচনী প
১৯ ঘণ্টা আগে