জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় মদদ দেওয়ার অভিযোগে ৯ জন শিক্ষককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে ছাত্রলীগের ২৮৯ জন নেতাকর্মীকেও।
জানতে চাইলে ঢাবির প্রক্টর সাহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, ১২৮ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস ইসলামকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। পরে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জড়িতদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের গুজব প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পরীক্ষা চলাকালীন দিনগুলোতে পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ফটোকপি মেশিন বন্ধ রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে। পরীক্ষা শুরু থেকে শেষ দিন পর্যন্ত দেশের সর্বত্র সব কোচিং সেন্টার বন্ধু থাকবে। আগাম বন্যাপ্রবণ এলাকায় পরীক্ষা গ্রহণে
গত ৫ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তির আবেদন শুরু হয়। আবেদনের সময় নির্ধারণ করা ছিল শনিবার (১৫ মার্চ) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা ১৭ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। এরপর ১৮ মার্চ দুপুর পর্যন্ত টাকা জমা দিতে পা
ধর্ষকের বিচার নিশ্চিত করা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও ধর্ষণবিরোধী মিছিলে হামলার পর পুলিশেরই বামপন্থি ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল করেছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলো।
ধর্ষণবিরোধী মঞ্চ আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাড়াও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানও।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) বাদ জুমা ধানমন্ডি ঈদগাহ মাঠে উনার জানাজা হবে। এরপর আজিমপুর কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।
কাজী মাহফুজুল ইসলাম সুপন বলেন, ১৫ জুলাই মল চত্বরে যারা হামলা করেছে তাদের মাথায় সাদা ক্যাপ ছিল। এরপর যারা আহত হয়েছে, তাদের ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে সেখানেও হামলা করেছিল ছাত্রলীগ। ডাক্তারদের বলা হয়েছিল চিকিৎসা না দিতে। এর সবই ছিল পূর্বপরিকল্পিত। এসব ঘটনায় আমাদের প্রশাসনেরও যোগসাজশ থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) রাত সোয়া ১০টায় রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই হাসপাতালেই গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পাঠ্যবই সংশোধন ও পরিমার্জন কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক লেখক ও গবেষক সাজ্জাদুর রহমান; যিনি রাখাল রাহা নামেই পরিচিত। এনসিটিবি থেকে প্রণীত ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই নিয়ে বিতর্ক দিয়ে সমালোচনার শুরু। ফেসবুকে ‘ধর্ম নিয়ে কটূক্তি’র অভিযোগ ওঠার পর তার পরিসর আরও বাড়ে। তবে সম্প্রতি দুটি অনলা
আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিয়ানমার পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা ‘গ্রিন তারা ইনস্টিটিউটে’র সঙ্গে যৌথভাবে একটি বিস্তৃত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তৈরি ও বাস্তবায়ন করছেন।
একের পর এক ধর্ষণ-নিপীড়নের এসব ঘটনা ক্ষোভ ছড়িয়েছে সারা দেশের মানুষের মধ্যে। অনেক ঘটনাতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা কিংবা অপরাধে অভিযুক্তদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাওয়ার ঘটনা সেই ক্ষোভকে আরও উসকে দিয়েছে। সে কারণেই রাজপথে নেমে এসেছেন শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি একটাই— ধর্ষকসহ যৌন নিপীড়ন
মিছিলে শিক্ষার্থীরা স্লোগান তোলেন— ‘তুমি কে আমি কে, আসিয়া আসিয়া’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘হ্যাং দ্য রেপিস্ট’, ‘ধর্ষকের ফাঁসি চাই’।
চবি শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশাল মিছিল করেছেন। সেখান থেকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সরকার ধর্ষক ও নারী নিপীড়কদের সাজা নিশ্চিত করতে না পারলে তারা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করবেন।
নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা বিবেচনায় রেখে নারী শিক্ষক, নারী কর্মকর্তা ও নারী কর্মচারীদের মাধ্যমে ছাত্রীদের শনাক্ত করা হবে। এর জন্য প্রয়োজনে নারী সহকারী প্রক্টরের সহযোগিতাও নেওয়া হবে।
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানালেন, বেসরকারি শিক্ষকরা দীর্ঘ দিন ধরে উৎসব ভাতা, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও বিনোদন ভাতা বাড়ানোর যে দাবি জানিয়ে আসছেন, সেই দাবি পূরণ করতে চলেছে সরকার। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ঈদুল আজহা পর্যন্ত।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলিয়ে প্রায় ৩৯ কোটি বই ছাপানোর কথা ছিল তাদের। অথচ ফেব্রুয়ারি শেষের তথ্য বলছে, তিন কোটি বই এখনো ছাপা বাকি, আরও তিন কোটি অনুমোদনের অপেক্ষায়। অর্থাৎ ১৫ শতাংশ বই এখনো শিক্ষার্থীদের হাতে যায়নি।