হাঁসের মাংস প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। এটি শরীরের পেশি গঠন, টিস্যু মেরামত ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে থাকা প্রোটিন সহজে হজম হয় এবং শরীর দ্রুত তা কাজে লাগাতে পারে।
ফ্যাটি লিভারের অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব। আধুনিক জীবনে মানুষ বেশি সময় বসে কাটায়, অফিসের কাজ, টেলিভিশন দেখা, মোবাইল ব্যবহার—এসবের কারণে শরীরের ক্যালরি খরচ হয় না, অথচ খাদ্যে থাকে প্রচুর তেল, চিনি ও পরিশোধিত ময়দা। এর ফলে শরীরে এবং যকৃতে চর্বি জমতে থাকে।
বিগ-ব্যাং-এর ঠিক পরের মুহূর্তগুলো ছিল পরমাণুর জন্মের মঞ্চ। প্রচণ্ড উত্তাপ আর ঘনীভূত পদার্থে ভরা সেই পরিবেশে কোয়ার্ক থেকে প্রোটন, নিউট্রন গড়ে ওঠে। কয়েক মিনিটের মধ্যে এই অংশিকণাগুলো মিলেমিশে হেলিয়াম, লিথিয়াম, ডিউটেরিয়াম—যেমন কিছু প্রাথমিক মৌলিক উপাদান তৈরি হয়; এই প্রক্রিয়াটি বিজ্ঞানীরা ‘বিগ-ব্যাং নিউক
কাঁচা আমলকি হলো প্রাকৃতিক ভিটামিন সি-এর অন্যতম সেরা উৎস। একটি মাঝারি আকারের কাঁচা আমলকিতে কমলালেবুর তুলনায় প্রায় ২০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন সি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধে এবং ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
চাঁদের এক পূর্ণচক্র ২৮ দিন হলেও একটি দিন ও রাত প্রায় দুই সপ্তাহ দীর্ঘ—মাঝে অন্তত ১৪ দিনের অন্ধকার থাকে। সূর্যালোকের ওপর নির্ভরযোগ্য শক্তি উৎস হিসেবে সৌর প্যানেল কার্যকর হলেও দীর্ঘ সময় আলো না থাকলে তা কার্যকর থাকে না।
ধূমপান ছাড়ার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শরীরে আশ্চর্যজনক পরিবর্তন শুরু হয়। রক্তে কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রা কমতে থাকে, অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে। নিকোটিন ধীরে ধীরে রক্ত থেকে কমে যেতে থাকে, ফলে মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসরণের স্বাভাবিক চক্রে বিঘ্ন ঘটে। ডোপামিন এমন এক রাসায়নিক যা আনন্দ, স্বস্তি ও মনোযোগে গুরু
এই অ্যাপ মূলত একটি ‘লাইভ ফ্লাইট ট্র্যাকিং’ প্ল্যাটফর্ম। পৃথিবীর হাজার হাজার বিমান যখন আকাশে উড়ছে, তখন এই অ্যাপ সেই সব বিমানের রিয়েল-টাইম অবস্থান, গন্তব্য, উচ্চতা, গতি এবং এমনকি কোন ধরনের বিমান সেটি—সব তথ্য সরাসরি দেখায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর প্রায় ৫০ শতাংশ প্রজননক্ষম নারী কোনো না কোনো মাত্রায় পিরিয়ডের ব্যথায় ভোগেন। তবে এই ব্যথা কমানোর কিছু উপায় রয়েছে, যা চিকিৎসা, জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্ভব।
যুগ যুগ ধরে এই ছোট কালো দানাগুলোকে নানা রোগের উপশমে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই ভেষজ চিকিৎসায় কালোজিরার বিশেষ স্থান রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া থেকে শুরু করে আফ্রিকা পর্যন্ত কালোজিরা মানুষের খাদ্য ও চিকিৎসার অংশ হয়ে আছে।
মাতৃদুগ্ধ তৈরি হয় মায়ের শরীরের পুষ্টি ও পর্যাপ্ত তরল গ্রহণের ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকরা বলেন, একদিকে মা পর্যাপ্ত পানি, দুধ, শাকসবজি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাবেন, অন্যদিকে কিছু নির্দিষ্ট ফল খাওয়াও উপকার দিতে পারে। ভারতীয় আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় যেমন বলা হয়, কিছু ফল ও ভেষজ শরীরে দুধ উৎপাদন বাড়াতে ‘গ্যালাক্
চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কফ জমে থাকার পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো পোস্ট নেজাল ড্রিপ—যেখানে নাকের ভেতরে তৈরি হওয়া অতিরিক্ত মিউকাস গলার পেছন দিয়ে নেমে আসে। সর্দি-কাশি, সাইনাসের প্রদাহ, ধুলো বা পরাগে অ্যালার্জি, ধোঁয়ার সংস্পর্শ কিংবা ঋতু পরিবর্তনের সময় এই সমস্যা বেশি দেখা যায়
কান্নার অনুভূতির জন্ম মস্তিষ্কে। চোখের কাছাকাছি অঞ্চলে মস্তিষ্কের যে অংশটি, তার নাম ল্যাক্রিমাল গ্ল্যান্ড। সেখান থেকেই প্রোটিন, মিউকাস বা তেলতেলে নোনা জল তৈরি হয়। এগুলো চোখ দিয়ে অশ্রুর আকারে বেরিয়ে আসে। এটিকেই আসলে কান্না বলে।
গ্যাস্ট্রিকের মূল সমস্যা হলো পাকস্থলীর মধ্যে অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপন্ন হওয়া। এই অ্যাসিড যদি পাকস্থলীর দেয়ালের সংস্পর্শে বেশি সময় থাকে, তবে তা ঘা বা আলসার পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। আবার অনেক সময় খাবারের মাধ্যমে পাকস্থলীতে অ্যাসিড তৈরি বেড়ে যায় বা বিদ্যমান অ্যাসিডকে আরও সক্রিয় করে তোলে।
এমন ভ্যাপসা গরমে আর আর্দ্র আবহাওয়ায় কক্সবাজারে বেড়াতে যাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত কি না? সমুদ্রের নোনা হাওয়া, বালুর ছোঁয়া, আর ঢেউয়ের আহ্বান অনেকটা স্বর্গীয় মনে হলেও, এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে শরীরের জন্য কিছু অদৃশ্য ঝুঁকি। বিশেষ করে যখন আপনি বর্ষার ঠিক মধ্যভাগে, গরমের চরমতম মুহূর্তে সেখানে যাচ্ছেন। এই ফিচ
পাকড়া পাপিয়ার চেহারায় রাজকীয় একটা ছাপ আছে। মাথায় শিংয়ের মতো ঝুঁটি। পিঠ, পাখা ও লেজ কালো। দুই পাখায় একটা করে ছোট সাদা পট্টি। লেজের আগার দিকের কিনার সাদা। গলা, বুক ও পেট সাদা। মাথা, ঘাড়, লেজ, ঝুঁটি ও ঠোঁট কালো, পা কালো। তবে সাদা লোমে ঢাকা।
কিডনি সুস্থ রাখতে কী ধরনের খাবার খাওয়া উচিত, এ নিয়ে বিশ্বের নানা প্রান্তের গবেষকেরা বিভিন্ন সময়ে গবেষণা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের পুষ্টিবিদ ড. রাচেল জনসন বলেন, "কিডনির স্বাস্থ্যের ওপর খাদ্য যে কতটা প্রভাব ফেলে, তা আমরা অনেক সময় উপলব্ধিই করি না।