লুই পাস্তরের সময় এতকিছু জানা সম্ভব ছিল না। কিন্তু পাস্তুর ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন, এমনি এমনি কোনো প্রাণের জন্ম হয় না।
এরা আসলে বাংলা ভাগ মানতে পারেনি। তাই মোক্ষম দিনে প্রতিবাদের সিদ্ধান্ত নেয়। ফুলার সাহেব কলেজে উপস্থিত হওয়া মাত্র তারা মিছিল করে, ‘বঙ্গভঙ্গ মানি না, মানবা না’ বলে। মেঘনাদ সাহাও ছিলেন সেই দলে।
চিঠি পড়ে ভয়ে নেপাল রায়ের মুখ শুকিয়ে গেল। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারলেন না, না জানি রবিঠাকুর তাঁকে কী দণ্ড দেন। পরদিন নেপাল রায় ভয়ে ভয়ে কবিগুরুর বাসায় হাজির। কিন্তু গিয়েই কবির দেখা পেলেন না।
আগে বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, এই ইনার ডিস্কের ক্ষত তৈরি আর সেটা মেরামত হওয়ার কয়েক শ বছরের দীর্ঘ প্রক্রিয়া। কিন্তু এই থ্রি-ডি সিমুলেশণে দেখা যায়, এই চক্র পূরণ হতে মাত্র কয়েক মাস সময় লাগে।
বাংলাদেশের হাতেগোনা কয়েকটি জায়গায় কালেম দেখা যায়। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় মৌলভীবাজারের বাইক্কার বিলে।
আইনস্টাইনের খ্যাতি তখন তুঙ্গে। সাংবাদিক, বিজ্ঞানী, ছাত্র, গবেষকরা ভিড় করতেন তাঁর বাসায়।
দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে (সিমিউই-৫) সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে কুয়াকাটায় স্থাপিত এই সাবমেরিন ক্যাবলে সমস্যার শুরু হয়েছে। তবে শনিবার বিকেলের পর জানা যাবে কবে নাগাদ এই অবস্থা স্বাভাবিক হবে।
যশোরের ওই জলাশয়টা ওদের জন্য বেশ নিরাপদ আশ্রয় ছিল। ওখানে মাংসের লোভে কেউ ওদের ধরে না। তাই জানালায় বসে নির্ভিক ডাহুকের দেখা পেতাম, দিব্যি খাবার খুঁজে বেড়াচ্ছে।
যা অনুমান করেছিলেন, ঠিক তা-ই। তাঁর বন্ধু গবেষণা করছেন একমনে। হয়তো বিয়ের কথা তাঁর মনেই নেই। এমনকী তায়ের পায়ের শব্দও বন্ধুর কানে পৌঁছায়নি।
পৃথিবীতে টিকে থাকার লড়াই করছে সকল প্রাণী। কেউ সহজে মরতে চায় না। বরং আত্মরক্ষার তাগিদ সব প্রাণীরই সহজাত ধর্ম।
নিউটন বদমেজাজী ছিলেন। ছিলেন বেশ স্বার্থপর। বড় বিজ্ঞানী মানেই সবসময় মনের অধিকারী হবেন—এ মিথ তাঁর জন্য প্রযোজ্য ছিল না।
ডাকসাইটে লোকেরা কলকাতা থেকে আসতেন আড্ডা দিতে। দিজেন্দ্রলাল রায় আসতেন। আসতেন বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু।
মাইক্রোওয়েভ ওভেন, যা আবিষ্কার হয়েছিল স্রেফ একটা কাকাতালীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে, তা আজ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটা বড় অনসঙ্গে পরিণত হয়েছে।
সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন মায়ের অবাধ্য হয়েছিলেন। তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল লেখাপড়ার খরচ।
একটা অণুর ডানপাশে অণু আছে, বামপাশে আছে আরেকটা অণু। এর মাঝখানের পরস্পরের বিপরীত দিক থেকে টানছে।