
অরুণ কুমার

১৯৪৯ সাল। প্যারিসের এক চার্চে চলছে বিয়ের আয়োজন। কনে, তার আত্মীয়স্বজন, বরপক্ষের লোকজন এমনকী পাদ্রীও প্রস্তুত বিয়ের পড়ানোর জন্য। পাত্তা নেই শুধু বরের। পাদ্রী তাগাদা দিচ্ছেন। কনেপক্ষও চিন্তিুত। কনের বাবা যখন ধৈর্যর বাঁধ ভাঙল, তখন তিনি বরের এক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করলেন—তোমার বন্দুটি কোথায় বলো তো? সে না এলে বিয়ে হবে কীভাবে? দেখবে একটু, পথে কোনো বিপদ-টিপদ হলো না তো?
বন্ধুটি তখন বরের খোঁজে বেরিয়ে পড়লেন। তিনি বুঝছিলেন, বরকে কোথায় পাওয়া যাবে। সোজা তার ল্যাবে গিয়ে হাজির। হ্যাঁ, যা অনুমান করেছিলেন, ঠিক তা-ই। তাঁর বন্ধু গবেষণা করছেন একমনে। হয়তো বিয়ের কথা তাঁর মনেই নেই। এমনকী তায়ের পায়ের শব্দও বন্ধুর কানে পৌঁছায়নি। এতটাই মগ্ন তিনি।
বন্ধুটি তখন নিজেই বন্ধুকে ডেকে বললেন, এত গুরুত্বপূর্ণ কাজ তোমার হাতে, বিয়ের কথাও ভুলে বসে আছ বন্ধু!
বরটি ছিলেন বিখ্যাত বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর। নাওয়া-খাওয়া ভুলে যিনি মানবজাতিকে জীবাণুর হাত থেকে কীভাবে বাাঁচানো যায়—তা নিয়েই গবেষণা করতেন। তাই বলে বিয়ের দিনেও…?
পাস্তুর জবাব দিলেন—না বন্ধু বিয়ের কথা ভুলিনি। কিন্তু হাতে খুব গুরত্বপূর্ণ একটা কাজ রয়েছে। এটা শেষ না করে কীভাবে চার্চে যাই বলো?

১৯৪৯ সাল। প্যারিসের এক চার্চে চলছে বিয়ের আয়োজন। কনে, তার আত্মীয়স্বজন, বরপক্ষের লোকজন এমনকী পাদ্রীও প্রস্তুত বিয়ের পড়ানোর জন্য। পাত্তা নেই শুধু বরের। পাদ্রী তাগাদা দিচ্ছেন। কনেপক্ষও চিন্তিুত। কনের বাবা যখন ধৈর্যর বাঁধ ভাঙল, তখন তিনি বরের এক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করলেন—তোমার বন্দুটি কোথায় বলো তো? সে না এলে বিয়ে হবে কীভাবে? দেখবে একটু, পথে কোনো বিপদ-টিপদ হলো না তো?
বন্ধুটি তখন বরের খোঁজে বেরিয়ে পড়লেন। তিনি বুঝছিলেন, বরকে কোথায় পাওয়া যাবে। সোজা তার ল্যাবে গিয়ে হাজির। হ্যাঁ, যা অনুমান করেছিলেন, ঠিক তা-ই। তাঁর বন্ধু গবেষণা করছেন একমনে। হয়তো বিয়ের কথা তাঁর মনেই নেই। এমনকী তায়ের পায়ের শব্দও বন্ধুর কানে পৌঁছায়নি। এতটাই মগ্ন তিনি।
বন্ধুটি তখন নিজেই বন্ধুকে ডেকে বললেন, এত গুরুত্বপূর্ণ কাজ তোমার হাতে, বিয়ের কথাও ভুলে বসে আছ বন্ধু!
বরটি ছিলেন বিখ্যাত বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর। নাওয়া-খাওয়া ভুলে যিনি মানবজাতিকে জীবাণুর হাত থেকে কীভাবে বাাঁচানো যায়—তা নিয়েই গবেষণা করতেন। তাই বলে বিয়ের দিনেও…?
পাস্তুর জবাব দিলেন—না বন্ধু বিয়ের কথা ভুলিনি। কিন্তু হাতে খুব গুরত্বপূর্ণ একটা কাজ রয়েছে। এটা শেষ না করে কীভাবে চার্চে যাই বলো?

প্রধানমন্ত্রীও এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, শিগগিরই সৌদি ক্রাউন প্রিন্সও বাংলাদেশ সফরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাহিত্যসমালোচক ও সমাজবিশ্লেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। সোমবার সকালে তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বাংলা একাডেমিতে কফিনবন্দি মরদেহ আনা হলে সহকর্মী, শিক্ষার্থী, লেখক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা ফুল দিয়
৪ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "নতুন বছরের প্রথম দিনেই যেন শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতেই আজকের এই পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছাপাখানার নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।"
৫ ঘণ্টা আগে
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, পল্লী উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পল্লী উন্নয়নে নির্বাচিত সরকার কাজ করছে।
৫ ঘণ্টা আগে