
অরুণ কুমার

মায়ের কথা না শুনলে অমনটা তো হবেই। নিজের আয়ে নিজে চলতে হবে। আর আয় করতে গেলে সব সময় ভালো কাজ মিলবে না, সে তো জানা কথা। সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন মায়ের অবাধ্য হয়েছিলেন। তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল হাত খরচ। এজন্য নিউটনকে করতে হয়েছিল ক্লিনারের কাজ।মায়ের কথা না শুনলে অমনটা তো হবেই। নিজের আয়ে নিজে চলতে হবে। আর আয় করতে গেলে সব সময় ভালো কাজ মিলবে না, সে তো জানা কথা। সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন মায়ের অবাধ্য হয়েছিলেন। তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল হাত খরচ। এজন্য নিউটনকে করতে হয়েছিল ক্লিনারের কাজ।
তরুণ নিউটনের বাড়ি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের লিঙ্কনশায়ারের উলসথ্রোপ গ্রামে। কিন্তু পড়াশোনা পড়াশোনা করেন বিখ্যাত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে। মাঝে মাঝে বিশ্ববিদ্যলয় ছুটি হয়। কিন্তু বাড়ি যেতে তাঁর বড্ড অনীহা তার। ধনী কৃষক পরিবারের সন্তান তিনি। অঢেল সম্পত্তি, বাবা অনেক আগেই মারা গিয়েছেন, চাষবাস দেখাশোনা করার লোকের বড্ড অভাব। মা হানা নিউটন তা-ই চেয়েছিলেন, লেখাপড়া না করে চাষবাসে মন দিক ছেলে। কিন্তু নিউটন আর দশটা ধনী চাষার ছেলের মতো বড় হতে চাননি, লেখাপড়াকে চাকরির হাতিয়ার হিসেবে না দেখে জ্ঞানতৃষ্ণা মেটানোর, মেধার প্রতি সুবিচার করার শ্রেষ্ঠ উপায় ভেবেছিলেন।
কিন্তু বাঁধ সাধেন মা ও মামা। তাঁদের কথা যেহেতু শুনবেন না নিউটন, তাই লেখাপড়ার খরচ জোগাতেও নারাজ তাঁরা। নিউটনকে মাসে সামান্য কিছু টাকা পাঠানো হত। সেই টাকায় তাঁর চলত না, চলার কথাও নয়। কেমব্রিজের মতো শহরে সামান্য টাকায়, লেখাপড়া আর নিজের থাকা-খাওয়ার খরচ চালিয়ে টিকে থাকা মুশকিল। এখনকার বাংলাদেশের মতো সেকালে কেমব্রিজে টিউশনি করে পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল না। একটা কিছু তো করতে হবে! তাই নিউটনকে নিতে হয়েছিল সাবসাইজারের চাকরি। চাকরি বলাও ভুল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলোদের বাড়িতে চাকরের মতো খাটতে হত, এমনকী তাঁদের জুতো, মল-মূত্র পরিষ্কারের মতো কাজও করতে হত সাবসাইজারকে। অথচ সেকালে নিউটনের মায়ের জমি ও চাষাবাদ থেকে আয় ছিল বছরে সাত শ পাউন্ডেরও বেশি। একালের মিলিয়নারদের সঙ্গে হানার আয়ের তুলনা করা যেতে পারে। অথচ ছেলের লেখাপড়ার খরচ হিসেবে পাঠাতেন বছরে মাত্র ১০ পাউন্ড!
সূত্র: The Life of Isaac Newton/ Richard S. Westfall

মায়ের কথা না শুনলে অমনটা তো হবেই। নিজের আয়ে নিজে চলতে হবে। আর আয় করতে গেলে সব সময় ভালো কাজ মিলবে না, সে তো জানা কথা। সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন মায়ের অবাধ্য হয়েছিলেন। তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল হাত খরচ। এজন্য নিউটনকে করতে হয়েছিল ক্লিনারের কাজ।মায়ের কথা না শুনলে অমনটা তো হবেই। নিজের আয়ে নিজে চলতে হবে। আর আয় করতে গেলে সব সময় ভালো কাজ মিলবে না, সে তো জানা কথা। সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন মায়ের অবাধ্য হয়েছিলেন। তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল হাত খরচ। এজন্য নিউটনকে করতে হয়েছিল ক্লিনারের কাজ।
তরুণ নিউটনের বাড়ি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের লিঙ্কনশায়ারের উলসথ্রোপ গ্রামে। কিন্তু পড়াশোনা পড়াশোনা করেন বিখ্যাত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে। মাঝে মাঝে বিশ্ববিদ্যলয় ছুটি হয়। কিন্তু বাড়ি যেতে তাঁর বড্ড অনীহা তার। ধনী কৃষক পরিবারের সন্তান তিনি। অঢেল সম্পত্তি, বাবা অনেক আগেই মারা গিয়েছেন, চাষবাস দেখাশোনা করার লোকের বড্ড অভাব। মা হানা নিউটন তা-ই চেয়েছিলেন, লেখাপড়া না করে চাষবাসে মন দিক ছেলে। কিন্তু নিউটন আর দশটা ধনী চাষার ছেলের মতো বড় হতে চাননি, লেখাপড়াকে চাকরির হাতিয়ার হিসেবে না দেখে জ্ঞানতৃষ্ণা মেটানোর, মেধার প্রতি সুবিচার করার শ্রেষ্ঠ উপায় ভেবেছিলেন।
কিন্তু বাঁধ সাধেন মা ও মামা। তাঁদের কথা যেহেতু শুনবেন না নিউটন, তাই লেখাপড়ার খরচ জোগাতেও নারাজ তাঁরা। নিউটনকে মাসে সামান্য কিছু টাকা পাঠানো হত। সেই টাকায় তাঁর চলত না, চলার কথাও নয়। কেমব্রিজের মতো শহরে সামান্য টাকায়, লেখাপড়া আর নিজের থাকা-খাওয়ার খরচ চালিয়ে টিকে থাকা মুশকিল। এখনকার বাংলাদেশের মতো সেকালে কেমব্রিজে টিউশনি করে পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল না। একটা কিছু তো করতে হবে! তাই নিউটনকে নিতে হয়েছিল সাবসাইজারের চাকরি। চাকরি বলাও ভুল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলোদের বাড়িতে চাকরের মতো খাটতে হত, এমনকী তাঁদের জুতো, মল-মূত্র পরিষ্কারের মতো কাজও করতে হত সাবসাইজারকে। অথচ সেকালে নিউটনের মায়ের জমি ও চাষাবাদ থেকে আয় ছিল বছরে সাত শ পাউন্ডেরও বেশি। একালের মিলিয়নারদের সঙ্গে হানার আয়ের তুলনা করা যেতে পারে। অথচ ছেলের লেখাপড়ার খরচ হিসেবে পাঠাতেন বছরে মাত্র ১০ পাউন্ড!
সূত্র: The Life of Isaac Newton/ Richard S. Westfall

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ জনকে ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত হয়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপ
২০ ঘণ্টা আগে
সভায় বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই চুক্তির আওতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পছন্দ করে না কিংবা তাদের স্বার্থের সঙ্গে অসঙ্গতি হয় এরকম কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ কোনো ধরনের চুক্তি করতে পারবে না।’
২০ ঘণ্টা আগে
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।
২১ ঘণ্টা আগে