তারা বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করেছে তা প্রহসনমূলক ও অগ্রহণযোগ্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বর্তমানে ক্যাঙারু কোর্টের রূপ পরিগ্রহ করেছে। এখন এই আদালত স্বৈরাচারী, পক্ষপাতদুষ্ট এবং ন্যায়
এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস এইচ তামিম শুনানি করেন। এছাড়া শুনানিতে প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ, শাইখ মাহদি, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্য প্রসিকিউটরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুন
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল জুলাই হত্যাকাণ্ডের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এ ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ ও ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার সামিল।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ‘‘আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে এটি ভারতের জন্য অবশ্য পালনীয় দায়িত্বও বটে।’’
জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাইয়ে শহিদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা। তারা এই আসামির ন্যূনতম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড রায় দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ড একটি ঐতিহাসিক রায়। এই রায়ের গভীর তাৎপর্য উপলব্ধি করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সর্বস্তরের জনগণকে শান্ত, সংযত ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, আমরা যতদিন আছি, বিচারকাজ পূর্ণোদ্যমে চলবে। আশা করি আগামীতে যে সরকার নির্বাচিত হয়ে আসবে, বিচারের গুরুদায়িত্ব থেকে তারাও যেন কোনো অবস্থাতেই পিছুপা না হয়।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বাংলাদেশ জটিল অপরাধের বিচার করতে সক্ষম এবং বাংলাদেশ সাফল্যের সঙ্গে সেটা করেছে। আমরা এটাও একই সঙ্গে বলতে চাই—যে ধরনের সাক্ষ্যপ্রমাণ এ আদালতে উপস্থাপিত হয়েছে, বিশ্বের যেকোনো আদালতের স্ট্যান্ডার্ডে এগুলো উৎরে যাবে। পৃথিবীর যেকোনো আদালতে এ সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হলে আজ যেসব আসা
জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড সাজায় শহিদরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। পাশাপাশি রায়ের সাজা কার্যকর করতে আইনিভাবে যা যা করা সম্ভব, রাষ্ট্র সেগুলো ক
বিচাপতি বলেন, কিন্তু যেহেতু তিনি ‘রাজসাক্ষী’ হয়েছেন এবং আদালতকে এ মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ দিয়েছেন, সে কারণে তার সাজা কিছুটা কম হবে। তাকে আমরা পাঁচ বছরের কারাদণ্ড সাজা দিয়েছি।
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন বলেছেন, বিচার স্বচ্ছ হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের রায়ে শেখ হাসিনা খালাস পেলে আমি সবচেয়ে খুশি হতাম। এটাই স্বাভাবিক কথা, আমার তো প্রত্যাশা থাকতেই হবে। এটা হৃদয় থেকেই বলছি। আমি একজনের জন্য এত এত মাস ধরে মামলা করেছি, তা স
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা সবার জানা। তবে যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত আছে কমিশন। এরপরও ইসির যতই চেষ্টা থাকুক না কেন, যদি রাজনৈতিক কোনো দল অসহযোগিতার চেষ্টা করে তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের শঙ্কা থেকেই যাবে।’
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার এ কথা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ করে ইটপাটকেল ছুড়ছে বিক্ষোভকারীরা। এতে পুলিশের এক সদস্যের মাথায় আঘাত লাগতে দেখা গেছে।
আগামী নির্বাচনকে শুধু পাঁচ বছরের সরকার গঠনের একটি নির্বাচন নয়; বরং গণভোট যুক্ত হওয়ায় এটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এটা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি নির্বাচন। জাতি বহু প্রহসনের নির্বাচন দেখেছে, সেই স্মৃতি ছাপিয়ে যেতে আমাদের ভূমিকা রাখতে হবে।”
ঢাকার সিটি কলেজের সামনের সড়ক দিয়ে দুটি বুলডোজার ধানমন্ডি ৩২ এর দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এক দল তরুণ এগুলোর সঙ্গে যাচ্ছেন।
মীর মুগ্ধর ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেন, হাজারের মতো শহিদ এবং ১০ হাজারের বেশি আহতদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এই নতুন বাংলাদেশ। এই নতুন বাংলাদেশে শেখ হাসিনার যে বিচারটি আছে, আমাদের মনমতো হবে না, তার কোনো প্রশ্নই উঠে না।