গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ রমনার বটমূলেও

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
রমনার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। ছবি: রাজনীতি ডটকম
রমনার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। ছবি: রাজনীতি ডটকম

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদ ও ফিলিস্তিনের পক্ষে সহমত জানাতে রমনার বটমূলে ছায়ানটের পহেলা বৈশাখ তথা বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেছেন।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল পৌনে ৯টার দিকে অনুষ্ঠান শেষের আগে সমবেতভাবে এ নীরবতা পালন করা হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করে ছায়ানট।

এর আগে সকাল সোয়া ৬টায় দিনের আলো ফোটার পরপরই ভৈরবী রাগের আলাপ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ছায়ানটের পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান শুরু হয়। ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’ বার্তায় নতুন আলো, প্রকৃতি ও মানুষকে ভালোবাসার গান, দেশপ্রেম-মানবপ্রেম আর আত্মবোধন-জাগরণের সুরবাণীতে পূর্ণ ছিল বর্ষবরণের এ আয়োজন।

৭২ ফুট লম্বা ও ৩০ ফুট চওড়া মঞ্চে ছায়ানটের পরিবেশনায় এবারে মোট পাঁচ ধাপে অংশগ্রহণ করেন দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী। একের পর এক ২৪টি একক ও সম্মিলিত পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হয় নান্দনিক এ আয়োজন।

ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজনের সাক্ষী হতে এ বছরও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ জড়ো হয়েছে রমনার বটমূলে। এসেছেন ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোর অনেক বাসিন্দা। দূর-দূরান্তের অনেকে ছায়ানটের অনুষ্ঠান দেখতে দুয়েকদিন আগেই চলে এসেছেন ঢাকায়। তাদের সবার উপস্থিতিতে রমনার বটমূলসহ গোটা রমনা উদ্যানই পহেলা বৈশাখের সকালে হয়ে ওঠে রঙে রঙিন।

চিরায়ত রূপ হিসেবেই এ দিন ছেলেদের বেশির ভাগের পরনেই ছিল সাদা বা লাল পাঞ্জাবি। মেয়েররাও হাজির হয়েছে লাল-সাদা শাড়িতে। তাদের খোপায় ফুল। তবে লাল-সাদার বাইও বাহারি রঙেও কমতি ছিল না। তাতে রমনায় যেন বসেছিল বৈচিত্র্যের মেলা। ছায়ানটের শিল্পীদের সুর আর বাণীতে সে বৈচিত্র্য বছর জুড়ে সম্প্রীতির বন্ধনের ডাকই যেন ছড়িয়েছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement