পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মাওনা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চারজন যাত্রী নিয়ে কালিয়াকৈরের উদ্দেশ্যে রওনা হন চালক। মাওনা-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়কের কালিয়াকৈরের বড়চালা পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আব্দুলপুর রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া এ দিন নেত্রকোনা ও চট্টগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে আরও দুজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতেও হবিগঞ্জে এখন প্রাণ হারিয়েছেন ট্রেনে কাটা পড়ে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গোপালগঞ্জে আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। কিন্তু আরও ১০ জায়গায় হামলা হলেও আমাদের দমন করা যাবে না।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচিকে ঘিরে সহিংতা ও হতাহতের ঘটনা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
রাজধানী ঢাকায় আগামীকাল শনিবার (১৯ জুলাই) অনুষ্ঠেয় সমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ৩ জোড়া ট্রেন ভাড়া করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলায় আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামীকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হলো। তবে আগামীকাল (শুক্রবার) দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে।
‘জুলাই বিপ্লব চেতনা বাস্তবায়ন কমিটি’র আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ৫ আগস্টের হামলার ঘটনায় ৪০ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেওয়া হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে ৩ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ খবর পেয়ে বাকীরা পালিয়েছে। পুলিশ এবং বিশ্ববি
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গোপালগঞ্জের সাধারণ মানুষের পাশে আমরা আছি। সরকারের কাছে আহ্বান জানাতে চাই, গোপালগঞ্জের একজন সাধারণ মানুষকেও যেন হেনস্তা করা না হয়। কিন্তু ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করতে হবে।’
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান পুনর্জাগরণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক সাহসী ছাত্রের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)। আন্দোলনে অংশ নিয়ে আহত হওয়া শিক্ষার্থী কৌশিক ইসলাম অপূর্বকে শিক্ষা সহায়তা হিসেবে এক লাখ টাকার চেক প্রদান করেছে রুয়েট পরিবার।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন স্থানে নাশকতা, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মীকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। এ নিয়ে গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত
ফরিদপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রাকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সমাবেশস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ফরিদপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পথসভা উপলক্ষে প্রস্তুতকৃত মঞ্চ এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের একটি সংঘবদ্ধ চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুরনো ও ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কহীন একাধিক ছবি পোস্ট করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে বলে এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
নাহিদ বলেন, ‘আমরা কোন দিন কোন জেলায় যাব, এটা আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা, নিষিদ্ধঘোষিত সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা গোপালগঞ্জে আমাদের ওপর হামলা করেছে। গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারীদের হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গি কায়দায় হামলা করে তারা।’
জুলাই আন্দোলনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার ছিল ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’। এ কর্মসূচি ঘিরে সকালে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয় ও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) গাড়িতে হামলা করেন কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ।
এ সময় পুলিশ-সেনাবাহিনী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশ সাংবাদিকসহ আরও ১২ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।