
রাজশাহী ব্যুরো

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহীতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলার আসামি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৩ কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছেন ‘জুলাই বিপ্লব চেতনা বাস্তবায়ন কমিটি’র একদল নেতা-কর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের সেকশন অফিসার পঙ্কজ কুমার, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের সহ-পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এবং উপ-পরিচালক আমিনুল হককে নিজ নিজ কার্যালয় থেকে আটক করে প্রক্টর দপ্তরে নেয়া হয়। পরে দুপুর আড়াইটায় মতিহার থানা পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নেয়।
‘জুলাই বিপ্লব চেতনা বাস্তবায়ন কমিটি’র আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ৫ আগস্টের হামলার ঘটনায় ৪০ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেওয়া হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে ৩ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ খবর পেয়ে বাকীরা পালিয়েছে। পুলিশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাকিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমাদের এখানে আর দেখবেন না। তবে সেটা না হলে আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, “মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ভবিষ্যতে বাইরের কেউ এসে কর্মকর্তাদের এভাবে আটক করতে পারবে না।”
মতিহার থানার ওসি মো. আব্দুল মালেক জানান, “তাদের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় মামলা রয়েছে। সে অনুযায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহীতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলার আসামি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৩ কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছেন ‘জুলাই বিপ্লব চেতনা বাস্তবায়ন কমিটি’র একদল নেতা-কর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের সেকশন অফিসার পঙ্কজ কুমার, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের সহ-পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এবং উপ-পরিচালক আমিনুল হককে নিজ নিজ কার্যালয় থেকে আটক করে প্রক্টর দপ্তরে নেয়া হয়। পরে দুপুর আড়াইটায় মতিহার থানা পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নেয়।
‘জুলাই বিপ্লব চেতনা বাস্তবায়ন কমিটি’র আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ৫ আগস্টের হামলার ঘটনায় ৪০ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেওয়া হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে ৩ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ খবর পেয়ে বাকীরা পালিয়েছে। পুলিশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাকিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমাদের এখানে আর দেখবেন না। তবে সেটা না হলে আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, “মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ভবিষ্যতে বাইরের কেউ এসে কর্মকর্তাদের এভাবে আটক করতে পারবে না।”
মতিহার থানার ওসি মো. আব্দুল মালেক জানান, “তাদের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় মামলা রয়েছে। সে অনুযায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।”

যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
১ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে
হারুন অর রশিদ বলেন, গত শুক্রবার সাবেক এমপি মাহমুদ হাসান সুমনের ‘স্পার্ক ভিশন’ নামে একটি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনার পর থেকে বিএনপিকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
২ দিন আগে