
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকায় আগামীকাল শনিবার (১৯ জুলাই) অনুষ্ঠেয় সমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ৩ জোড়া ট্রেন ভাড়া করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এসব ট্রেন রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ-ঢাকা-সিরাজগঞ্জ এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটে একবার করে চলাচল করবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ভিন্ন ভিন্ন তিনটি চিঠিতে এসব তথ্য জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর অফিস সেক্রেটারির চিঠির আলোকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ১৮ জুলাই (শুক্রবার) রাতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন হতে ছেড়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানো এবং ১৯ জুলাই (শনিবার) রাতে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন হতে ছেড়ে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ফেরত আসার জন্য একটি স্পেশাল ট্রেন বরাদ্দ দেওয়া জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
জামায়াতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী স্টেশন হতে ঢাকা স্টেশন পর্যন্ত রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচলকারী মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের রেক দ্বারা স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করতে সিএমই (পশ্চিম) রাজশাহীর মত রয়েছে বলে চিঠিতে জানানো হয়৷
প্রস্তাবিত স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচি সম্পর্কে বলা হয়, ট্রেনটি শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় রাজশাহী ছেড়ে ঢাকা পৌঁছাবে ভোর ৬টায়। শনিবার রাত ৮টায় ঢাকা ছেড়ে রাজশাহী পৌঁছাবে রাত ১টা ১৫ মিনিটে। উভয়পথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, হরিয়ান ও সরদহরোড স্টেশনে যাত্রাবিরতি থাকবে। এই অবস্থায় এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন প্রচলিত নিয়ম অনুসারে অগ্রিম ভাড়া সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ সাপেক্ষে পরিচালনা করা যেতে পারে।
আরেক চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা-সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী ৭৭৫/৭৭৬ ট্রেনটি শনিবার সকাল ৬টায় সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সকাল সাড়ে ৯টায়। সমাবেশ শেষে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে সিরাজগঞ্জ বাজার পৌঁছাবে ভোররাত ৩টা ৩০ মিনিটে।
এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক (টিটি) মো. খায়রুল কবির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা-ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটে এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন পরিচালনার প্রস্তাবনাটি অনুমোদিত হয়েছে।
এদিকে শনিবারের ওই সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জামায়াত। সমাবেশে কয়েক লাখ লোকের সমাগম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজধানী ঢাকায় আগামীকাল শনিবার (১৯ জুলাই) অনুষ্ঠেয় সমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ৩ জোড়া ট্রেন ভাড়া করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এসব ট্রেন রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ-ঢাকা-সিরাজগঞ্জ এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটে একবার করে চলাচল করবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ভিন্ন ভিন্ন তিনটি চিঠিতে এসব তথ্য জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর অফিস সেক্রেটারির চিঠির আলোকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ১৮ জুলাই (শুক্রবার) রাতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন হতে ছেড়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানো এবং ১৯ জুলাই (শনিবার) রাতে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন হতে ছেড়ে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ফেরত আসার জন্য একটি স্পেশাল ট্রেন বরাদ্দ দেওয়া জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
জামায়াতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী স্টেশন হতে ঢাকা স্টেশন পর্যন্ত রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচলকারী মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের রেক দ্বারা স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করতে সিএমই (পশ্চিম) রাজশাহীর মত রয়েছে বলে চিঠিতে জানানো হয়৷
প্রস্তাবিত স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচি সম্পর্কে বলা হয়, ট্রেনটি শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় রাজশাহী ছেড়ে ঢাকা পৌঁছাবে ভোর ৬টায়। শনিবার রাত ৮টায় ঢাকা ছেড়ে রাজশাহী পৌঁছাবে রাত ১টা ১৫ মিনিটে। উভয়পথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, হরিয়ান ও সরদহরোড স্টেশনে যাত্রাবিরতি থাকবে। এই অবস্থায় এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন প্রচলিত নিয়ম অনুসারে অগ্রিম ভাড়া সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ সাপেক্ষে পরিচালনা করা যেতে পারে।
আরেক চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা-সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী ৭৭৫/৭৭৬ ট্রেনটি শনিবার সকাল ৬টায় সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সকাল সাড়ে ৯টায়। সমাবেশ শেষে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে সিরাজগঞ্জ বাজার পৌঁছাবে ভোররাত ৩টা ৩০ মিনিটে।
এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক (টিটি) মো. খায়রুল কবির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা-ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটে এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন পরিচালনার প্রস্তাবনাটি অনুমোদিত হয়েছে।
এদিকে শনিবারের ওই সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জামায়াত। সমাবেশে কয়েক লাখ লোকের সমাগম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে