আরামবাগে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ৬ শতাধিক অস্বাস্থ্যকর পানির জার ধ্বংস

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
সোমবার বিএসটিআই পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এসব জার ধ্বংস করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
সোমবার বিএসটিআই পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এসব জার ধ্বংস করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা জারে পানি সরবরাহ এবং বিএসটিআইয়ের মান সনদ গ্রহণ ব্যতীত ছাড়া পানি বাজারজাতের অভিযোগে রাজধানীর আরামবাগে দুটি প্রতিষ্ঠানের ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করেছে পণ্যের মান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিএসটিআই পরিচালিত বিশেষ সার্ভিল্যান্স অভিযানে এসব জার ধ্বংস করা হয়। বিএসটিআইয়ের সম্পাদক মঈনুদ্দীন মিয়ার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।

বিএসটিআই বলছে, নিরাপদ ও মানসম্মত পানি ভোক্তার অন্যতম মৌলিক প্রত্যাশা। পানির মতো সরাসরি ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে স্বাস্থ্যবিধি ও নির্ধারিত মান অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানি সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও মান নিয়ন্ত্রণ সনদ ছাড়া পানি বাজারজাত ভোক্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

এ বিষয়ে বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, দেশের বাজারে মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করা এবং ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় বিএসটিআই নিয়মিত বাজার তদারকি ও সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে বিএসটিআই বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও বলেন, ‘বিএসটিআই পণ্যের মান সনদ প্রদানের পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রুখতে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চলমান রেখেছে। যেখানে মানহীন ও ভেজাল পণ্যের সন্ধান পাবো, সেখানেই আমাদের অভিযান চলবে।’

পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক।

একই সঙ্গে কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা অথবা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার নিয়ে অভিযোগ থাকলে তা দ্রুত বিএসটিআইকে জানাতে অনুরোধ করেছেন তিনি। এ জন্য বিএসটিআইয়ের হটলাইন ১৬১১৯ নম্বরে ফোন অথবা [email protected] ই-মেইলে অভিযোগ জানানোর কথা বলা হয়েছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement