ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ারশেল-জলকামান

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০১ জুন ২০২৬, ১৫: ০৭
ইসলামী ব্যাংকের কার্যালয়ের সামনে সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী ব্যাংকের কার্যালয়ের সামনে সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবসে নিয়োগ পাওয়া ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের বিরোধিতায় ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অবস্থান নেওয়া ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামে’র মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। এ অবস্থানের আগে বিক্ষুব্ধদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ছোড়ার পাশাপাশি জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করা হয়।

আজ সোমবার (১ জুন) ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবস। এ দিন সকাল ৯টার দিকে গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে একদল ব্যক্তি। জামায়াতপন্থি হিসেবে পরিচিত গ্রাহক ফোরামের সদস্যদের সকাল ১০টার আগ দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে সতর্ক অবস্থান নেয় পুলিশ।

গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের এক প্রতিনিধি। ছবি: সংগৃহীত
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের এক প্রতিনিধি। ছবি: সংগৃহীত

এর কিছুক্ষণ পরে গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা ফের ইসলামী ব্যাংক টওয়ারের সামনে অবস্থান নেয়। বর্তমানে পুলিশ ও গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা মুখোমুখি অবস্থানে আছে। পুলিশের ধাওয়ায় আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঈদের আগের শেষ কর্মদিবস ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ করা স্বতন্ত্র পরিচালক ছিলেন। একই দিন রাত ৯টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়।

ব্যাংকটির কর্মকর্তারা জানান, এর প্রতিবাদে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে কিছু নাগরিক ঈদের ছুটির মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালন করেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ সকালে অফিস শুরুর আগেই কর্মসূচি শুরু করা হয়।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, ‘বিতর্কিত ব্যক্তি’ হিসেবে ব্যাংকে খুরশীদ আলমের প্রবেশ ঠেকাতে তারা অবস্থান নিয়েছেন। তারা ব্যাংকের সদ্য পদত্যাগকারী চেয়ারম্যান জোবায়দুর রহমান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানের পুনর্বহাল দাবি করেছেন।

তবে অনুমতি না থাকায় পুলিশ কর্মসূচি পালন না করার আহ্বান জানায়। এরপরও ব্যানার প্রদর্শন শুরু হলে পুলিশ জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় পুরো ব্যাংকপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মতিঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুস সালাম বলেন, ‘ব্যাংকটির কিছু গ্রাহক সড়ক অবরোধ করেছিল। আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছি।’

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement