চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার এবং রিমান্ডে ‘নির্যাতন’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
কোটা আন্দোলন ঘিরে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে আজ মঙ্গলবার দেশব্যাপী শোক পালন করা হবে। এ দিন কালো ব্যাজ ধারণ এবং মসজিদে দোয়া মাহফিলের এবং মন্দির-গির্জা-প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। সরকারি-বেসরকারি সব নাগরিক এই কর্মসূচি পালন করতে পারবে।
শেষের দিকে ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুকে সভার সমাপনী টানার কথা বলেন শেখ হাসিনা। কিন্তু তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ এবং তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারই করা উচিত।
আগামীকাল (৩০ জুলাই) মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
ফোকাস বাংলা থেকে পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নির্যাতনের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় মুষড়ে পড়েছেন একজন নেত্রী। এ সময় তাকে সান্ত্বনা দিতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে।
সোমবার (২৯ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে মন্ত্রিসভার সদস্যদের পাশাপাশি সব মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন। এসময় সচিবদের এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ সোমবার দুপুরে দুষ্কৃতকারীদের আগুনে পুড়ে যাওয়া মহাখালীর দুর্যোগ ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। এর আগে আমির হোসেন আমুর নেতৃত্বে ১৪ দলের একটি প্রতিনিধি দল সেতু ভবন পরিদর্শন করে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী বুধবার প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। এদিন বেলা ১১টায় রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় গণভবনে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে সূচনা বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় বন্ধ থাকা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার মতো পরিস্থিতি এই মুহূর্তে নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে চারটায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেনশন ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব
ডিবি প্রধান বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন বন্ধে জোর করে ছয় সমন্বয়কদের দিয়ে বিবৃতি দেওয়ার অভিযোগটি গুজব। যারা এই গুজবটি ছড়িয়েছেন তাদের প্রতি অনুরোধ— গুজব ছড়াবেন না। ডিবি একটি আস্থার জায়গা। সেখানে কাউকে আটকে রাখা হয় না। জোর করে বিবৃতি নেওয়া হয় না। তারা বরং অনুভব করেছেন যে, সরকার তো সব দাবি মেনেই নিয়েছে।
চরমোনাই পীর বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তা পরিষ্কার। ছাত্রদের দাবির সঙ্গে আমরা একমত ছিলাম এবং আছি। যতক্ষণ পর্যন্ত এই অন্যায় জুলুমের বিচার না হবে, ততদিন আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বারবার জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে ক্ষমতা দখলের জন্য ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্য সৃষ্টি তাদের (বিএনপি) এখন একমাত্র কৌশল। যেকোনও আন্দোলন দেখলেই তারা সেখানে অনুপ্রবেশ করে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দিতে উন্মত্ত হয়ে ওঠে।’
বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, নিরাপত্তা হেফাজতের নামে আটক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে মুক্তি দিতে হবে। সোমবার (২৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৬ জন সমন্বয়কের মুক্তি এবং ছাত্রদের উপর গুলি চালানোর উপর নিধেষাঞ্জা চেয়ে করা এক রিটের শুনানিতে আজ সোমবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মন্তব্য করেন।
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী বলেন, ছাত্রদের কোটা আন্দোলনে সরকারের সবারই এদিকে দৃষ্টি ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে জামায়াত-বিএনপি এটাকে অন্যরূপে নিয়ে এই নাশকতা করেছে এবং বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্য ছিল গণভবন দখল করা। তবে গোয়েন্দা নজরদারির কারণে প্রধানমন্ত্রীকে, গণভবনকে আমাদের সংসদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠ