১৫৮ সদস্য বিশিষ্ট সমন্বয়ক টিম গঠন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। চলমান বিভিন্ন কর্মসূচি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিষয়ে তারা সমন্বয় করবেন। আজ (৩ আগস্ট) একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রিফাত রশিদ।
অভিভাবকরা বলেন, কেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে দুর্বৃত্ত বানিয়ে দেওয়া হবে? দুধের সন্তানকে তিলে তিলে বড় করা হলো, সেই সন্তানকে টেনে-হিঁচড়ে মারার অধিকার রাষ্ট্রকে কে দিয়েছে? আমাদের ট্যাক্সের টাকায় গুলি কেনা হয়েছে, সেই গুলিতে কেন আমার সন্তান মরছে—প্রশ্ন রাখেন অভিভাবকরা।
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, হত্যা, নির্যাতনে জোরদার হয়েছে আন্দোলন। ফলে বর্ধিত ১৫৮ সদস্য বিশিষ্ট নতুন সমন্বয়ক টিম ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনের সাধারণ ছাত্রদের প্রতি যত্মবান ও সহনশীল থাকার নিদের্শনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে কোটাবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সমন্বয় করার জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের টিম গঠন করে দেয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গতকাল শুক্রবার রাতে (২ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আন্দোলনের নামে জামায়াত-শিবিরের পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও সহিংসতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
কোটা আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। গতকাল শুক্রবার প্রার্থনা ও ছাত্র-জনতার ‘গণমিছিল’ কর্মসূচি শেষে তারা এ ঘোষণা দেন। নতুন কর্মসূচি অংশ হিসেবে আজ শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল ও রোববার থেকে ‘সর্বাত্মক’ অসহযোগ আন্দোলন করবে তারা।
বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, বলেছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেছেন, এ সরকারের কাছে আমাদের চাওয়া-পাওয়ার কিছু নাই। কিন্তু তাদের বিচার করতে হবে। ছাত্রদের মুক্তি দিতে হবে। কারফিউ তুলে নিতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এ সরকারের পদত্যাগ করতে হবে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতার ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন থানা পুলিশ ৪১ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। আজ তাদের জামিনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী রোববার (৪ আগস্ট) এর মধ্যে গণগ্রেপ্তার বন্ধ, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, আটক শিক্ষার্থী-জনতার মুক্তি, কারফিউ প্রত্যাহার, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া ও অসংখ্য শিক্ষার্থী জনতাকে হত্যার দায়ে বর্তমান সরকারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থী-জনতা ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। দাবি মানা না হলে রো
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে পালিত হলো ‘দ্রোহযাত্রা’ সমাবেশ। এসময় তারা গান-কবিতা-পথ নাটক পরিবেশন করেন, দিতে থাকেন সরকারবিরোধী স্লোগান।
গণগ্রেপ্তার বন্ধ, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, আটক শিক্ষার্থী-জনতার মুক্তি, কারফিউ প্রত্যাহার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া ও অসংখ্য শিক্ষার্থী জনতাকে হত্যার দায়ে বর্তমান সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত দ্রোহযাত্রা জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এসে পৌঁছেছে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, শিক্ষার্থীদের অযথা হয়রানি ও আটক না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
মিছিলটি কিছুক্ষণ সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান করে। সেখানে সরকারের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে মাল্টিপ্ল্যান মার্কেটের সামনে গিয়ে কয়েক মিনিট স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি যেহেতু পূরণ হয়েছে, সেহেতু আমরা বিশ্বাস করি শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষে, পরীক্ষার হলে ফিরে যাবে। তারা কারও অশুভ রাজনীতির ঢাল হিসেবে ব্যবহার হোক, এটা জাতি চায় না।
ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাইমুল ইসলাম খান কূটনীতিকদের ব্রিফ করেন। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব সাংবাদিকদের জানান, ১৪টি দেশের রাষ্ট্রদূত তাদের উদ্বেগ জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন এবং তাদের লিখিত উত্তরও দেওয়া হয়েছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ৯ দফায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার (২ আগস্ট) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সরাসরি জবাব দেননি ওবায়দুল কাদ
শিক্ষার্থীদের অযথা হয়রানি অথবা আটক না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে সেজন্য পুনঃসময়সূচী করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি যেহেতু পূরণ হয়েছে, সেহেতু বিশ্বাস করি শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে, পরীক্ষার হলে ফিরে যাবে।