বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য নতুন ভ্রমণ সতর্কতার বিষয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক তার দেশের বৈদেশিক, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন অফিসের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাজ্য ব্রিটিশ নাগরিকদের আগমন বা বসবাস সংক্রান্ত সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোর ওপর হালনাগাদ তথ্য ও পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে
অভ্যুত্থান যাদের পছন্দ হয়নি, তারা এটিকে মুছে দিয়ে আগের ব্যবস্থায় ফেরার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এখন জাতির অস্তিত্বের প্রশ্নে সবাইকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রির সঙ্গে ৯ থেকে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈঠকের কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানান তিনি।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে অংশ নিতে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ (বীর বিক্রম) যোগ দিলেও তালিকায় নাম না থাকায় তিনি প্রবেশ করতে পারেননি। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে চারটার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংলাপে অংশ নিতে আসেন অলি আহমদ।
বিসিএস পরীক্ষার আবেদন ফি ৭০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২০০ টাকা নির্ধারণ করছে সরকার। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির সভা শেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ কথা জানান।
সব রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে চলমান বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিনিময় করতে বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বাংলাদেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া অব্যাহত পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র এ কথা জানান।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, 'এ বছরের আগস্টে ছাত্রনেতৃত্বাধীন সরকারি চাকরিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে কয়েক শ' শিক্ষার্থী নিহত হন। এরপরই শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন হাসিনার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। শেষ পর্যন্ত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। তিনি হেলিকপ্টারে চড়ে ভার
দেশে এ মুহূর্তে ৬৯টি কারাগারের মধ্যে ধারণক্ষমতা ৪২ হাজার। গত ৫ আগস্টের পর ৫০ হাজারের কিছু বেশি বন্দি ছিল। তারপর কারাবন্দির সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে কারাবন্দি রয়েছে ৬৫ হাজার।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে ভারতের শাসক গোষ্ঠী ‘সংখ্যালঘুর বিষয়টিকে’ সামনে এনে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। ভারতের শাসক গোষ্ঠী বিভেদের রাজনীতি ও বাংলাদেশবিরোধী মিথ্যাচারে লিপ্ত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সব দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের মর্যাদা দেয় বাংলাদেশ। ভারত সম্প্রসারণবাদের বিস্তার করে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো কবজা করার চিন্তা করলে বোকার স্বর্গে বাস করছে। হিন্দু-মুসলমান সবাই মিলে দিল্লির দাসত্ব খান খান করে দেব।
বর্তমানে বাংলাদেশ কঠিন সময় পার করছে উল্লেখ করে অতীতের যেকোনও সময়ের তুলনায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রামে যোগ দিয়ে তিনি এমন আহ্বান জানান।
‘অহেতুক মিথ্যা বলে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে ভারত’ এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আমাদের আগরতলা কনস্যুলেটে হামলা করেছে, কলকাতায় হামলা হয়েছে। আমাদেরকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে আগামীর সময় পার করতে হবে।’
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিতে রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আজ বুধবার বৈঠকে বসবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘ভারতের উচিত বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতা উপলব্ধি করা এবং দ্ব্যর্থহীনভাবে বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থান এবং ছাত্র-জনতার গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে স্বীকৃতি দেয়া।’ উপদেষ্টা বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে একথা বলেন।
মামলায় সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের কাজে বাধা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর শাহবাগ থানার পুলিশের উপপরিদর্শক মো. মতিউর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে তদন্ত শেষে গত ২৮ অক্টোবর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। পরে গত ১২ নভেম্বর আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামিদের অব্যাহতি দে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে সুস্থ ধারার রাজনীতির পরিবেশ তৈরি হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুস্থ ধারার কাঙ্ক্ষিত পরিবেশের জন্য দেশে একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। সে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে আমাদের