শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত হত্যাকারীদের এখনো চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘গণতন্ত্র হত্যা ও গণহত্যা করে আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই কারণে তারা আজ (শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে) উপস্থিত হতে পারে নাই।’ শনিবার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলে
রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১৬ মিনিটে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে এ শ্রদ্ধা জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা জানানো শেষে স
সুতরাং আমরা আমাদের সকল শক্তি দিয়ে দূর্নীতি, দখলবাজ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে কারওয়ানবাজারে চলমান চাঁদাবাজি অবিলম্বে বন্ধের জন্য তিনি স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা তাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছি যাতে সুষ্ঠু একটি নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করে দিবে। বিশেষ করে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে প্রথম দিক থেকেই সমর্থন দিয়েছি, এখনো সমর্থন দিচ্ছি এমনকি এই মুহূর্তেও আমরা সমর্থন দিচ্ছি।
তিনি বলেন, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪। এই তিন সালে আমরা কোনোু ভোট দিতে পারিনি। ভোটাররা এদিক দিয়ে ভোট কেন্দ্রে রওনা হয়েছেন। মাঝ পথে ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং পুলিশ লীগ বাধা দিয়ে বলেছে ভোট হয়েছে এবার বাড়ি চলে যান। এইতো তিন বারের ভোট।
বাণীতে তারেক রহমান বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে শাহাদতবরণকারী দেশের প্রথম শ্রেণির শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অম্লান স্মৃতির প্রতি আমি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘মানুষ এখন ঘুমে নয়, সজাগ। আর এই জাতি এখন বিশেষভাবে সজাগ। তারা (আওয়ামী লীগ) এই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করে দিতে অনেক কাণ্ড করেছে। তারা জুডিশিয়াল ক্যু করতে চেয়েছিল, আল্লাহ ব্যর্থ করে দিয়েছেন।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তর কলকাতায় আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।
‘বাংলাদেশে ইজতেমা একটাই হবে, দ্বিতীয় কোনো আয়োজন মানবেন না বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী। এসময় একসঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করতে সাদপন্থিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
দেশের তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য ঢাকায় পা রাখবেন নাসার প্রধান মহাকাশচারী জোসেফ এম. আকাবা। আকাবার এই সফর এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ এটি নাসার প্রধান নভোচারীর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফর।
অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জানুয়ারির মধ্যে সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন দেয়ার কথা আছে। রিপোর্ট পেলে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে তখন নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে।
চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া, আগামী জানুয়ারিতে সচেতনামূলক ক্যাম্পেইন চালিয়ে ১০টি এলাকাকে নীরব ঘোষণা করা হবে।
ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার চলছে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছেন দেশের ৫৩ বিশিষ্ট নাগরিক। পাশাপাশি তারা ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে উত্তরবঙ্গের সাথে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবিচার করা হয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নাম পুনরায় বাংলাদেশ রাইফেলস্ (বিডিআর) করাসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছেন কারানির্যাতিত বিডিআর পরিবারের সদস্যরা। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি করেন।
রাজধানীতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ। আজ শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল করে দলটি। মিছিলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেছে।