
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘বাংলাদেশে ইজতেমা একটাই হবে, দ্বিতীয় কোনো আয়োজন মানবেন না বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী। এসময় একসঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করতে সাদপন্থিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে ইজতেমা একটাই হবে। দ্বিতীয় কোনো ইজতেমা আমরা মেনে নেবো না। আমরা কখনো মানবো না।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) জুমার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশের আয়োজন করে ওলামা মাশায়েখ ও তৌহিদি জনতা বাংলাদেশ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী বলেন, হক বাতিলের প্রশ্নে অন্তর্বর্তী সরকার যদি কোনো প্রশ্রয় দেয়, আমরা তা বরদাশত করবো না। বৈষম্যের (অবসানের) জন্য এ দেশের ছাত্ররা যেভাবে জীবন দিয়েছে, আলেম ওলামারাও এভাবে জীবন দিয়েছেন। তাই বাংলাদেশে ইজতেমা একটাই হবে। আমরা এখনো ভাইদের আহ্বান করবো, আমরা একসঙ্গে থেকেছি, খেয়েছি। আসুন একসঙ্গে ইজতেমা করি।
সমাবেশে অন্য বক্তারা বলেন, আমরা অন্তর্বর্তী সকারের কাছে আহ্বান জানাবো, আপনারা বাতিল পক্ষকে পশ্রয় দিবেন না। হকের পক্ষে যারা থাকেন তারা দুর্বল হয়, আর যারা বাতিল তারা শক্তিশালী হয়। কিন্ত পরিশেষে যারা হকের পক্ষে থাকেন তারাই চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেন। যারা হেফাজতে ইসলামসহ দেশের শীর্ষ আলেমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। এই মামলা প্রত্যাহার না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ার দেন তারা।
দেশের শীর্ষ ওলামাদের বিরুদ্ধে সাদপন্থিদের মামলা, টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার মাঠে ছাত্র ও তাবলীগের সাথীদের ওপর হামলার বিচার এবং সাদপন্থিদের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার মাঠ দখলের চেষ্টার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এতে তাবলীগ জামায়াতের একাংশ (জোবায়েরপন্থি) ও তাবলীগ জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, দাওয়াত ও তাবলীগের সাথীরা উপস্থিত ছিলেন।

‘বাংলাদেশে ইজতেমা একটাই হবে, দ্বিতীয় কোনো আয়োজন মানবেন না বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী। এসময় একসঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করতে সাদপন্থিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে ইজতেমা একটাই হবে। দ্বিতীয় কোনো ইজতেমা আমরা মেনে নেবো না। আমরা কখনো মানবো না।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) জুমার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশের আয়োজন করে ওলামা মাশায়েখ ও তৌহিদি জনতা বাংলাদেশ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী বলেন, হক বাতিলের প্রশ্নে অন্তর্বর্তী সরকার যদি কোনো প্রশ্রয় দেয়, আমরা তা বরদাশত করবো না। বৈষম্যের (অবসানের) জন্য এ দেশের ছাত্ররা যেভাবে জীবন দিয়েছে, আলেম ওলামারাও এভাবে জীবন দিয়েছেন। তাই বাংলাদেশে ইজতেমা একটাই হবে। আমরা এখনো ভাইদের আহ্বান করবো, আমরা একসঙ্গে থেকেছি, খেয়েছি। আসুন একসঙ্গে ইজতেমা করি।
সমাবেশে অন্য বক্তারা বলেন, আমরা অন্তর্বর্তী সকারের কাছে আহ্বান জানাবো, আপনারা বাতিল পক্ষকে পশ্রয় দিবেন না। হকের পক্ষে যারা থাকেন তারা দুর্বল হয়, আর যারা বাতিল তারা শক্তিশালী হয়। কিন্ত পরিশেষে যারা হকের পক্ষে থাকেন তারাই চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেন। যারা হেফাজতে ইসলামসহ দেশের শীর্ষ আলেমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। এই মামলা প্রত্যাহার না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ার দেন তারা।
দেশের শীর্ষ ওলামাদের বিরুদ্ধে সাদপন্থিদের মামলা, টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার মাঠে ছাত্র ও তাবলীগের সাথীদের ওপর হামলার বিচার এবং সাদপন্থিদের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার মাঠ দখলের চেষ্টার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এতে তাবলীগ জামায়াতের একাংশ (জোবায়েরপন্থি) ও তাবলীগ জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, দাওয়াত ও তাবলীগের সাথীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
এর আগে বেলা ১১টায় নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে পূর্ব নির্ধারিত ‘নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি’ পালন করতে এসে বসে পড়েন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে দিনের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের বৈঠক শুরু হওয়া
১৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব বলেন, পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। বিশেষ করে, বিদেশে যারা নিবন্ধিত ভোটার তাদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এবং যেভাবে ব্যালট পেপারটি মুদ্রণ করা হয়েছে, সে ক্ষেত্রে আমরা আমাদের অভিযোগ তাদের (নির্বাচন কমিশন) দিয়েছি।
১৫ ঘণ্টা আগে