আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহিদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
স্লোগানের মধ্যে ছিল— ‘গো ব্যাক গো ব্যাক, গো ব্যাক চুপ্পু’, ‘শেখ হাসিনার খুনিরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘শহিদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে তারা স্লোগান দেন— ‘এক দুই তিন চার, চুপ্পু তুই গদি ছাড়’।
২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহর তথা রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধান উপদেষ্টা। তারা দুজনেই ভাষা শহিদ ও ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামী বীরদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য গতি ফিরে পেয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্য অনেকটাই আগের অবস্থায় পৌঁছেছে। তবে ভিসা নিয়ে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ রকম যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো সমাধান করা দরকার।
বাংলাদেশ ও চীন ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারি গড়ে তুলতে আগের চেয়ে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। এর লক্ষ্য, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকীতে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আদান-প্রদান দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শত শত ছাত্র-জনতা, তরুণ ও কিশোরের রক্তের বিনিময়ে চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘটেছে। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে দেশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। দেশের জন্য আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি না দিলে স্বেচ্ছায় কারাবন্দি হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
ড. ইউনূস বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্ম নতুন পৃথিবী সৃষ্টিতে নেতৃত্ব দিতে চায়। সে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারা প্রস্তুত। ছেলেরাও প্রস্তুত, মেয়েরাও প্রস্তুত। তারা ঘুণে ধরা, আত্মবিনাশী সভ্যতার বন্ধনমুক্ত হয়ে তাদের স্বপ্নের নতুন সভ্যতা গড়তে চায়। যে সভ্যতার মূল লক্ষ্য থাকবে পৃথিবীর সকল সম্পদের উপর প্রতিটি মা
জাতীয় পার্টি চেয়াম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, ‘শোক, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার আখরে অক্ষয় হয়ে আছে আমাদের মহান জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশ আমাদের সাহসী হতে অনুপ্রাণিত করে। সকল অন্যায়-অবিচার আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহস যোগায় অমর একুশে।’
আওয়ামী লীগের সংগঠিত হওয়ার চেষ্টায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন দলটির নেতাদের অনেকেই। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা ও নির্বিচারে গুলির একাধিক বড় অভিযান হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ ও তদারকিতে।
বিবৃতিতে নানক বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় হরতাল আহ্বান করেছিল। হরতাল পালনের প্রস্তুতি হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এক গুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল লিফলেট বিতরণ, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল এবং মশাল মিছিল।
জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আলাল আরো বলেন, ‘জনগণের দুঃসময়ে বিএনপি সবসময় তাদের পাশে থেকেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কখনো শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, কখনো বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, আবার কখনো দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। গণ
দুলু বলেন, আগামীতে মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করবে বিএনপি। দলীয় সব সংগঠনের নেতা নির্বাচনে ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করা হবে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে পার্লামেন্ট নির্বাচন থেকে শুরু করে দেশে কোনো নির্বাচনই সঠিক হয়নি। তারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে, নিজেরাও ধ্বংস হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা খুব পরিষ্কার করেই বলছি, অবশ্যই নতুন রাজনৈতিক দল গঠন হলে তাকে আমরা স্বাগত জানাব। এরই মধ্যে ছাত্র সংগঠন করেছেন, আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। যখন দল তৈরি করবেন, আমরা স্বাগত জানাব। তার মানে এই নয় যে আপনারা সরকারে বসে, সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দল গঠন করবেন। সেটা কখনোই মেনে নেওয়া হব
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনের বিষয়ে সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে মানুষের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। এছাড়া সরকারে থেকে দল গঠন করলে বিএনপি তা মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর লড়াই সংগ্রামের শেষ ইনিংস ছিল একমাসের চূড়ান্ত আন্দোলন। সেই আন্দোলন হাসিনাকে পালাতে বাধ্য করেছে। আওয়ামী লীগ চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়ে পালিয়ে গেছে। এই পালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাই গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচনটা এখন