ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত জোনায়েদ সাকি তার দল গণসংহতি আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি আর ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও সে নির্বাচনে জিততে পারেননি তিনি।
ছাত্রজীবনে ছাত্রদলে যোগ দিয়ে রাজনীতি শুরু করা আমানউল্লাহ আমান আশির দশকের শেষ ভাগে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯০-৯১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন।
শেষ রক্ষা অবশ্য পাটওয়ারীর হয়নি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মধ্যরাত পেরিয়ে পাওয়া গেছে এ আসনের ফলাফল। তাতে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ মির্জা আব্বাসই। পাঁচ হাজার ৬৯৬ ভোটের ব্যবধানে শেষ পর্যন্ত হেরে গেছেন পাটওয়ারী।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য বলছে, ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমান ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৮৪০ ভোট। সে হিসাবে খালিদুজ্জামানের চেয়ে সাত হাজার ৯৮৫ ভোট বেশি পেয়েছেন তারেক রহমান।
এ সময় তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পথে বহু বাধা পেরিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট প্রয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আসছে। গণতন্ত্রের নিয়ম অনুসারে দেশের সকল মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিফলনের বাস্তব চিত্র হচ্ছে ভোটারের এই দীর্ঘদিন লাইন। দেশের মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়ে গণতন্ত্রপূর্ণ উদ্ধার ক
এবারের নির্বাচনে সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ভোটাররা উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের রায় প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার (আজ) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট শুরু হয়ে বড় কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ ছাড়াই একটানা ভোট চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোট হয়েছে। বেলা ২টা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৩ হাজারের মধ্যে ৩৬ হাজার কেন্দ্রে ৪৮ শতাংশের মতো ভোট পড়ার তথ্য দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন. নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৪ জন ভোটার রয়েছে। এছাড়া এখানে মোট কেন্দ্র ছিল ১২৭ জন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট
২০০৮ সালে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ২৯ জন; এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৪ জন। নারী প্রার্থী রয়েছেন ৮০ জন। এবার ১১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে তিনটি আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ‘ভোটগ্রহণে বিশৃঙ্খলার’ অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। তারা সেখানকার ভোট স্থগিত করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আশাবাদী জয়ের ব্যাপারে। এতুটুকু আসন প্রত্যাশা করছি, যেটা দিয়ে সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করতে সক্ষম হব।’
তিনি বলেন, পরাজয়ের শঙ্কায় প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল গতকাল রাত থেকে অনেক জায়গায় অনাকাঙ্ক্ষিত ও সহিংস বেশ কিছু ঘটনার জন্ম দিয়েছে। সংগঠিত এসব ঘটনা নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমি নীরব ও সুন্দর পরিবেশে ভোট দিলাম। ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানাব, আপনারা ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করুন। গণভোটে হ্যাঁ দিয়ে সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাস্তবায়ন করুন। ১১ দলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যান।
বিএনপির চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করে বলেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে তারেক রহমান তার স্ত্রী ও মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। একই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তারা। জাইমা রহমান এবারই প্রথম ভোটার হয়েছেন।
তারেক রহমান বলেন, আজ আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে আসুন, ভোট দিন এবং নির্বাচিত প্রার্থীদের দায়িত্ব অর্পণ করুন। কাল থেকে আপনাদের সংসদ সদস্যরাই আপনাদের দায়িত্ব নেবেন এবং আপনাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন, ইনশাআল্লাহ।
ডা. শফিকুর রহমান তার ফেসবুক পোস্টে লেখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। একটি ঐতিহাসিক দিনের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে আমরা। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও ত্যাগের পর আজ সেই দিন যখন মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে আমরা জাতির এক নতুন অধ্যায় গড়ার মিছিলে শামিল হয়েছি। সব ভয় ও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কাটিয়ে ভোটকেন্দ্রে