আর একটিমাত্র উইকেট পেলেই সাকিবকে ছাড়িয়ে দেশের পক্ষে টি-টুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক বনে যাবেন মোস্তাফিজ। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর তালিকাতেও সাকিবের পাশে যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন তিনি।
গ্রুপ পর্বে হংকংয়ের সঙ্গে ৫৯ রান করলেও বাকি দুই ম্যাচে লিটনের ব্যাট খুব একটা হাসেনি। তবে ওই দুই ম্যাচে ৩৭ রান নিয়ে সাকিবের আরও কাছে পৌঁছে যান। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সুপার ফোরে শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ২৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলার সময় শেষ পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছেন সাকিবকে।
সহজ হয়ে আসা ম্যাচকে স্নায়ুর লড়াইয়ে পরিণত করলেন টাইগার ব্যাটাররা। ৫ বলে ১ রানের সমীকরণে ভারতের সঙ্গে ৩ বলে ২ রান নিতে না পেরে হারের স্মৃতিও ফিরে আসছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ১ বল হাতে রেখেই এলো জয়সূচক রান। এশিয়া কাপের সুপার ফোরে শ্রীলংকাকে হারিয়ে শুভ সুচনা করল বাংলাদেশ।
পাকিস্তান সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরে এসেছিল ২০২৪ সালের জুলাইয়ে, যখন দুটি দল মুখোমুখি হয়েছিল একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে। এবার দীর্ঘ ফরম্যাটে সিরিজ আয়োজনকে বড় চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে পাকিস্তানের মতো প্রতিপক্ষকে পেয়ে নিজেদের শক্তি যাচাই করার সুযোগ পাবে লাল-সবুজের দল।
এ তো গেল ‘বি’ গ্রুপের হিসাব। ওদিকে ‘এ’ গ্রুপ থেকে এরই মধ্যে সুপার ফোরে উঠে গেছে ভারত ও পাকিস্তান। ফলে ৮ দল নিয়ে শুরু হওয়া এশিয়া কাপের সুপার ফোর যেন সেই পুরনো এশিয়া কাপ, যেখানে মুখোমুখি হতো চারটিই দল— বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা।
পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকে সুপার ফোরে উঠেছে শ্রীলংকা। ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার ফোরে তাদের সঙ্গী হয়েছে বাংলাদেশ।
‘বি’ গ্রুপে সুপার ফোরের হিসাব এখনো উন্মুক্ত। বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, আফগানিস্তান— তিন দলের সামনেই রয়েছে সুপার ফোরের হাতছানি, যা শেষ পর্যন্ত গড়াতে পারে রানরেটের হিসাবে।
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। ২০ ওভারের শেষ বলে আফগানদের অলআউট করে দেয় ১৪৬ রানে। তাতে জয় মিলেছে ৮ রানে।
টি-টুয়েন্টি এশিয়া কাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশের সংগ্রহ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রান। ম্যাচ জিতে সুপার ফোরের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে এখন যত বেশি রানের ব্যবধানে হারাতে হবে আফগানিস্তানকে।
এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে দুটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। হংকংয়ের সঙ্গে জয় ও শ্রীলংকার সঙ্গে হারে টাইগারদের সংগ্রহ ২ পয়েন্ট। এদিকে আফগানিস্তান একটিই ম্যাচ খেলেছে হংকংয়ের সঙ্গে। সে ম্যাচে জিতে তাদের পয়েন্টও ২। আর গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে শ্রীলংকা, দুই ম্যাচের দুটিতেই জয় পাওয়ায় তাদের পয়েন্ট ৪।
বাংলাদেশের সঙ্গে ম্যাচে আফগানিস্তান জিতলে বাংলাদেশ ছিটকে পড়বে সুপার ফোর থেকে, আফগানিস্তান ও শ্রীলংকার সুপার ফোর নিশ্চিত হবে। তবে বাংলাদেশ জিতলে শ্রীলংকা-আফগান ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে সুপার ফোরের সমীকরণ মেলানোর জন্য।
প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে হারলেও এ জয়ে সুপার ফোরের আশা বাঁচিয়ে রাখল মরুর দলটি। তাদের এ জয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে ভারতের সুপার ফোরও নিশ্চিত হলো। এখন শেষ ম্যাচে পাকিস্তান-আরব আমিরাতের ম্যাচে বিজয়ী দল সুপার ফোরে ভারতের সঙ্গী হবে। অর্থাৎ ক্রিকেটের আজীবন ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ দল পাকিস্তানের সঙ্গে জিতলেই সুপার ফোরে উঠ
ভারতের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হারের পর ‘গেম অন হ্যাঁয়’ নামে এক অনুষ্ঠানে শোয়েব আখতার কড়া সমালোচনা করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের। রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেসের কথা শুনে মিসবাহ উল হক রীতিমতো বিস্মিত। মিসবাহর প্রশ্ন যে শোয়েব আখতার কি আসলে মজা করছেন নাকি সত্যিই এমন রাগ ঝাড়ছেন? শোয়েব জানালেন তিনি বাস্তব কথাই বলছেন।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল সালমান আগার দল পাকিস্তান। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৭ রানে থামে তাদের ইনিংস। জবাবে ৪ ওভার ১ বল বাকি থাকতেই হাতে ৭ উইকেট নিয়ে জয় তুলে নিয়েছে ভারত। টুর্নামেন্টে এটি ভারতের টানা দ্বিতীয় জয়। পাকিস্তান প্রথম ম্যাচে
বোলিংয়ে নেমেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি টাইগার বোলাররা। টি-টুয়ান্টি বিবেচনায় স্বল্প সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে ১৩ রানে প্রথম উইকেট পড়ে শ্রীলঙ্কার। তবে দ্বিতীয় উইকেটেই ৯৫ রানেএ জুটি ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় বাংলাদেশকে। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটের পরাজয় সঙ্গী হয়েছে বাংলাদেশের।
১৬০ রান টি-টুয়েন্টিতে খুব বড় সংগ্রহ নয়। তবে পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ওমানের কাছে সেটিই পরিণত হলো পাহাড় সমান সংগ্রহে। মাত্র ৬৭ রানেই গুটিয়ে গেছে তাদের ইনিংস। পাকিস্তান পেয়েছে ৯৩ রানের বিশাল জয়।
এর আগে গত ৮ জুলাই ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটিতে জায়গা পান মোহাম্মদ আশরাফুল। সেই কমিটি সভাও করেছিল। দুই মাস যেতে না যেতেই আশরাফুলকে বাদ পড়তে হলো সেই কমিটি থেকে। সেখানে যুক্ত হলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।