জাইমা রহমান বলেছেন, সেই স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার কাছে পাওয়া নেতৃত্বের শিক্ষা। ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকলেও জানিয়েছেন, শেকড়কে কখনো ভুলে যাননি। নিজের আবেগ-অনুভূতি তুলে ধরে লিখেছেন— দেশে ফিরে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার পাশে থাকতে চান, সর্বাত্মক সহায়তা করতে চান বাবা তারেক রহমানকে, দায়িত্বশীল
বিএনপি মহাসচিবের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের প্রতি যে আস্থা ছিল, বিশ্বাস করি তারা সেটি রাখবে। দেশে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে সরকারকে আরও সচেতন হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
ভোটের মাঠে বিজয়ী হতে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে নির্বাচন না করলে খুব একটা সুবিধা করতে পারবেন না— এটিকেই বাস্তবতা মানছেন সবাই। ফলে জোটের প্রার্থী হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকে ছাড় পেলেও আরপিও সংশোধনীর মারপ্যাচে ধানের শীষ প্রতীক পাওয়ার জন্য দল ছেড়ে সরাসরি যোগ দিতে হচ্ছে বিএনপিতেই।
বিএনপি এ সিদ্ধান্ত জানালে সোমবার গণঅধিকার পরিষদের জাতীয় নির্বাহী কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠকে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জানান, বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাত্র দুটি আসনে সমঝোতায় তারা রাজি নন। অন্তত ১০টি আসন পেলে আসন সমঝোতা করা সম্ভব বলে মত দেন অধিকাংশ নেতা।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত বিএনপি বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সোমবার বিকেলে রাজধানীর ৩০০ ফিটে সংবর্ধনাস্থল পরিদর্শন শেষে একথা বলেন তিনি।
এর আগে শাহাদাত হোসেন সেলিম গত ৮ নভেম্বর নিজের দল ‘বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিএলডিপি)’ বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন। সেলিম ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র ছিলেন।
বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত জানায় দলটি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে আসার পর ২৭ ডিসেম্বর ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ।
রিজভী বলেন, বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে সামনে শান্তিপূর্ণ না দেখানো, বাংলাদেশ আর চলতে পারছে না মুখ থুবড়ে পড়ছে, এসব দেখানো হাসিনা ও তার দোসরদের মূল উদ্দেশ্য। সেভাবেই তারা কাজ করছে। এই ভয়ংকর চক্রান্ত এখানে চলছে। তারা যে সুখে শান্তিতে বাংলাদেশ থেকে লুটপাট করেছে, সে লুটপাট করতে তো আর পারছে না, পারছে ন
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার মাধ্যমে কেবল গণমাধ্যমের ওপর আঘাত করা হয়নি, বরং গণতন্ত্রের ওপর আঘাত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ আঘাত রুখে দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সারাজীবন সংগ্রাম করেছি স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য। আজ যে বাংলাদেশ দেখছি, এই বাংলাদেশের স্বপ্ন আমি কোনো দিন দেখিনি।
বক্তব্যের শুরুতেই শহীদ ওসমান হাদির স্মৃতিচারণা করে তারেক রহমান বলেন, ‘ওসমান হাদি ছিলেন গণতন্ত্রের অকুতোভয় সৈনিক। তিনি ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন বলেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন।’ জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও যোদ্ধাদের পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে দেশ গড়ার কা
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশ একটি ঘন কালো অন্ধকার সময় পার করেছে, যেখানে সাংবাদিক থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কর্মী প্রত্যেকেই কমবেশি আক্রান্ত হয়েছেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বগুড়া-৬ (সদর) আসনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ করা হয়েছে।
গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য বিএনপি সবার সহযোগিতা চায়। তবে এ সহযোগিতা কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য নয় বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
মির্জা আব্বাস বলেন, অস্থিতিশীল করার মতো ঘটনা আমরা ঢাকা শহরে হতে দেবো না। যারা করতে আসবে তাদের ইনশাআল্লাহ আমরা প্রতিহত করবো। আমাদের নেতা তারেক রহমান যখন বাংলাদেশে আসবেন…, ঘোষণার পরে একটা হত্যাকাণ্ড হলো, পরপর কয়েকটা ধারাবাহিক ঘটনা ঘটলো; এটার মানে হলো এটা একটা সাজানো ছক।
আমাদের ওসমান হাদির শোককে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে। আবেগকে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।