
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনগণকে জিম্মি করে কতিপয় রাজনৈতিক দল পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেন, একাত্তরে স্বাধীনতার অর্জন আর চব্বিশে কথা বলার অধিকার এই দেশের জনগণ রক্ত দিয়ে আদায় করেছে। সেই ৭১ এবং ২৪ এর যে অধিকার সে অধিকার থেকে আজ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষকে জিম্মি করে কতিপয় রাজনৈতিক দল আজ ফয়দা লোটার চেষ্টা করছে, পানি ঘোলা করে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। এদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গোপীবাগে এক কর্মী সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এই আহ্বান জানান। তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে সংবর্ধনার প্রস্তুতি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এই কর্মী সভার আয়োজন করে।
মির্জা আব্বাস বলেন, অস্থিতিশীল করার মতো ঘটনা আমরা ঢাকা শহরে হতে দেবো না। যারা করতে আসবে তাদের ইনশাআল্লাহ আমরা প্রতিহত করবো। আমাদের নেতা তারেক রহমান যখন বাংলাদেশে আসবেন…, ঘোষণার পরে একটা হত্যাকাণ্ড হলো, পরপর কয়েকটা ধারাবাহিক ঘটনা ঘটলো; এটার মানে হলো এটা একটা সাজানো ছক।
তিনি বলেন, তাদের কার্যক্রমের মধ্যদিয়ে তারা এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে চায়। যেটা আমরা একাত্তর সালে অর্জন করেছি, সেই গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে দেওয়া যাবে না। আমরা আমাদের ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবোই। নির্বাচন বানচালের যে কোনো ষড়যন্ত্র আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে জবাব দেবো ইনশাআল্লাহ। এই দেশে নির্বাচন হবে, নির্বাচন হতে হবে।
এই বিএনপি নেতা বলেন, আমাদের নেতা দেশে আসছেন। মানে হলো গণতন্ত্র দেশে ফেরত আসছে, এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে। উনি গণতন্ত্র নিয়ে আসছেন, উনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন। বহু লোক বহু কথা বলছে, কোনো কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।
তিনি বলেন, যারা দেশের ভালো চায় না, দেশকে ভালোবাসে না, তারা দেখতে মানুষের মতো, কিন্তু মানুষরূপী শয়তান। এরা ৪৭ সালে পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছে, ৭১ সালে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, তারা দেশের শান্তি চায় না। তারা কিছুদিন চুপ থাকলেও আবার তাদের নখ ও বিষদাঁত বিকশিত হচ্ছে। তাদের কার্যক্রম খুবই ধারাবাহিক। গণতন্ত্রের সামনে অগণতান্ত্রিক শক্তি টিকে থাকতে পারবে না। যারা ষড়যন্ত্র করছেন, সাবধান হয়ে যান, দেশের মানুষ আপনাদের সম্পর্কে জানে। কতগুলো পত্রিকা অফিস জ্বালিয়ে দিলো, কতগুলো প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দিলো, এরা কারা? ওরা কি দেশকে ভালোবাসে? এরা জাতির শত্রু, এরা দেশের শত্রু, এদের থামাতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আমি সরকারকে বলতে চাই, আপনাদের দুর্বলতাটা কোথায়? আমরা যখন এই সরকার প্রধানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছি, বারবার বলেছি, আপনার জন্য আমরা সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছি। কিন্তু আপনারা সেই সহযোগিতার হাত গ্রহণ করেননি। আপনারা দেশবিরোধী চক্রের সঙ্গে, তাদের সঙ্গে থেকে দেশকে ধ্বংস করার জন্য আছেন বলে আমি মনে করছি। এত ঘটনা ঘটছে, কোথায় গ্রেফতার? কোথায় এই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা? কাউকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী নবী উল্লাহ নবী, ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ আসনের প্রার্থী হামিদুর রহমান হামিদ, ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আনম সাইফুল ইসলাম, হারুনুর রশিদ, আব্দুস সাত্তার, লিটন মাহমুদ, সাইদুর রহমান মিন্টু, মনির চেয়ারম্যান, মোশাররফ হোসেন খোকন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

জনগণকে জিম্মি করে কতিপয় রাজনৈতিক দল পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেন, একাত্তরে স্বাধীনতার অর্জন আর চব্বিশে কথা বলার অধিকার এই দেশের জনগণ রক্ত দিয়ে আদায় করেছে। সেই ৭১ এবং ২৪ এর যে অধিকার সে অধিকার থেকে আজ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষকে জিম্মি করে কতিপয় রাজনৈতিক দল আজ ফয়দা লোটার চেষ্টা করছে, পানি ঘোলা করে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। এদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গোপীবাগে এক কর্মী সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এই আহ্বান জানান। তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে সংবর্ধনার প্রস্তুতি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এই কর্মী সভার আয়োজন করে।
মির্জা আব্বাস বলেন, অস্থিতিশীল করার মতো ঘটনা আমরা ঢাকা শহরে হতে দেবো না। যারা করতে আসবে তাদের ইনশাআল্লাহ আমরা প্রতিহত করবো। আমাদের নেতা তারেক রহমান যখন বাংলাদেশে আসবেন…, ঘোষণার পরে একটা হত্যাকাণ্ড হলো, পরপর কয়েকটা ধারাবাহিক ঘটনা ঘটলো; এটার মানে হলো এটা একটা সাজানো ছক।
তিনি বলেন, তাদের কার্যক্রমের মধ্যদিয়ে তারা এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে চায়। যেটা আমরা একাত্তর সালে অর্জন করেছি, সেই গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে দেওয়া যাবে না। আমরা আমাদের ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবোই। নির্বাচন বানচালের যে কোনো ষড়যন্ত্র আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে জবাব দেবো ইনশাআল্লাহ। এই দেশে নির্বাচন হবে, নির্বাচন হতে হবে।
এই বিএনপি নেতা বলেন, আমাদের নেতা দেশে আসছেন। মানে হলো গণতন্ত্র দেশে ফেরত আসছে, এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে। উনি গণতন্ত্র নিয়ে আসছেন, উনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন। বহু লোক বহু কথা বলছে, কোনো কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।
তিনি বলেন, যারা দেশের ভালো চায় না, দেশকে ভালোবাসে না, তারা দেখতে মানুষের মতো, কিন্তু মানুষরূপী শয়তান। এরা ৪৭ সালে পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছে, ৭১ সালে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, তারা দেশের শান্তি চায় না। তারা কিছুদিন চুপ থাকলেও আবার তাদের নখ ও বিষদাঁত বিকশিত হচ্ছে। তাদের কার্যক্রম খুবই ধারাবাহিক। গণতন্ত্রের সামনে অগণতান্ত্রিক শক্তি টিকে থাকতে পারবে না। যারা ষড়যন্ত্র করছেন, সাবধান হয়ে যান, দেশের মানুষ আপনাদের সম্পর্কে জানে। কতগুলো পত্রিকা অফিস জ্বালিয়ে দিলো, কতগুলো প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দিলো, এরা কারা? ওরা কি দেশকে ভালোবাসে? এরা জাতির শত্রু, এরা দেশের শত্রু, এদের থামাতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আমি সরকারকে বলতে চাই, আপনাদের দুর্বলতাটা কোথায়? আমরা যখন এই সরকার প্রধানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছি, বারবার বলেছি, আপনার জন্য আমরা সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছি। কিন্তু আপনারা সেই সহযোগিতার হাত গ্রহণ করেননি। আপনারা দেশবিরোধী চক্রের সঙ্গে, তাদের সঙ্গে থেকে দেশকে ধ্বংস করার জন্য আছেন বলে আমি মনে করছি। এত ঘটনা ঘটছে, কোথায় গ্রেফতার? কোথায় এই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা? কাউকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী নবী উল্লাহ নবী, ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ আসনের প্রার্থী হামিদুর রহমান হামিদ, ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আনম সাইফুল ইসলাম, হারুনুর রশিদ, আব্দুস সাত্তার, লিটন মাহমুদ, সাইদুর রহমান মিন্টু, মনির চেয়ারম্যান, মোশাররফ হোসেন খোকন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
১১ ঘণ্টা আগে
বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।
১১ ঘণ্টা আগে
সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী কোনো দলের বাংলাদেশের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই।
১ দিন আগে
"সকালে মোহাম্মদপুরের কলেজ গেট এলাকায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একটি ঝটিকা মিছিল বের করার চেষ্টা করা হয়। সেখানে আগে থেকেই পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মিছিলের চেষ্টা করা হলে সেখান থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়।"
২ দিন আগে