ড. কামাল হোসেন অরাজনৈতিক এ আন্দোলনকালে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীসহ অনেক শান্তিপ্রিয় নাগরিক নিহত, হাজার হাজার মানুষ আহত ও গণগ্রেপ্তার, গণনির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হত্যা, নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক জড়িতদের শান্তির দাবি করেছেন তিনি
সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলনে ব্যাপক সহিংসতার মধ্যে আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
রবিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারফিউ
আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তাদের শক্ত হাতে দমনে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার এ তথ্য জানিয়েছেন।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির কাজ হচ্ছে- দেশের নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা ও কার্যক্রমের পুনরীক্ষণ বা রিভিউ; দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতি মূল্যায়ন; দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়াদির ওপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান ও প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিসভার জন্য সুপা
দেশে চলমান আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে বৈঠকে বসছে নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কমিটি। যেখানে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রধানদের জরুরি বৈঠক চলছে। বৈঠক শেষে গৃহীত সিদ্ধান্ত বিষয়ে জানাতে ব্রিফ করা হবে বলে সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রেফতার যারা হয়েছে তাদের মধ্যে যারা ছাত্র ছিল, তাদের সবাইকে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সাথে সাথে আমি এও নির্দেশ দিয়েছি, এর ভেতরে যারা নিরীহ আছে, তাদের সবাইকে এবং ছাত্র যারা অর্থাৎ একেবারেই যারা খুনের সাথে জড়িত না, এ সব ধ্বংসাত্মক কাজের সাথে জড়িত নয়, তাদের মুক্তি দেওয়া শুর
মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন দিয়ে হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের স্মার্ট প্যানেলের মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু। আজ শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর গজ্নবি রোডে মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসতে চান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই। তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না।
শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি বার বার আঘাত আসবে, আমি পরোয়া করি না। আল্লাহ জীবন দিয়েছে, একদিন নিয়েও যাবে। কিন্তু যেখানে মানুষের জন্য কল্যাণের কাজ, সে কল্যাণের কাজ আমরা করেই যাবো।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে প্রাণহানি ও সহিংসতার সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (জুলাই ৩১) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৪’ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ
পরিদর্শনকালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. শফিকুর রহমান আহতদের চিকিৎসায় নেওয়া পদক্ষেপের কথা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, আন্দোলন কারা করেছে, শিক্ষার্থীদের কারা ব্যবহার করেছে, তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। যখন শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন শুরু করে আমাদের সবার ধারণা ছিল এটা অহিংস আন্দোলন। তাদের দাবির প্রতি আমাদের সব সময়ই সহানুভূতি ছিল। ২০১৮ সালেই কোটা বিলুপ্ত করা হয়েছিল।
কোটা সংস্কারের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ। ডিবির হেফাজতে থাকারা হলেন- মো. নাহিদ ইসলাম, মো. সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, মো. আবু বাকের মজুমদার,
কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ‘অভিভাবকদের মৌন অবস্থান’ কর্মসূচি পালন করতে দেয়নি পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক গেটের পাশে অভিভাবকদের এ কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী তারা সেখানে জড়োও হয়েছিলেন।
আগামীকাল বুধবার (৩১ জুলাই) থেকে সরকারি অফিস স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামীকাল বুধবার থেকে সরকারি অফিস-আদালত স্বাভাবিক নিয়মে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে।