স্বস্তিতে সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে, বললেন— ‘এটা কেবল শুরু’

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৬, ১২: ৫৯
দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিচ্ছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। ফাইল ছবি: গেটি ইমেজেস
দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিচ্ছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। ফাইল ছবি: গেটি ইমেজেস

ভারত সরকারের কাছ থেকে আন্দোলনের সব দাবি আদায় করার পর এবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং অন্যান্য দাবি মেনে নেওয়ার পর টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনের ইতি টেনেছে দলটি।

রোববার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশ করা এক ভিডিও বার্তায় ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের পর অবশেষে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পেরেছেন তিনি।

“এরপর কী করব বা সন্ধ্যা পর্যন্ত কী ঘটবে, তা নিয়ে কোনো চিন্তা না করেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেছি—কোনো আতঙ্ক নেই,” বলেন তিনি।

তিনি জানান, টানা ৩৬ দিনের আন্দোলন ছিল “অনেক, অনেক কঠিন”। তবে এটিকে শেষ নয়, বরং নতুন পথচলার শুরু হিসেবে দেখছেন তিনি।

অনুসারীদের উদ্দেশে অভিজিৎ বলেন, “এটি সবে শুরু। ককরোচ জনতা পার্টিকে অনেক দূর যেতে হবে।”

চলতি বছরের মে মাসে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে ব্যঙ্গ করে সিজেপির যাত্রা শুরু হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই এটি একটি বড় ছাত্র-তরুণ আন্দোলনে রূপ নেয়। মাত্র ৭০ দিনের মধ্যে দলটি দেশজুড়ে বিপুল সংখ্যক তরুণকে একত্রিত করতে সক্ষম হয়।

দিল্লির যন্তর মন্তরে হাজার হাজার সমর্থক জড়ো হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যান। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং এ ঘটনার জেরে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার জন্য তাঁকেই দায়ী করেন আন্দোলনকারীরা।

সরকার দাবি মানতে দেরি করায় আন্দোলনের পরিধি আরও বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। একই সঙ্গে সরকার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দিলে সিজেপি আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।

ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ জানান, অসুস্থতার মধ্যেও আন্দোলন চালিয়ে গেছেন তিনি। টাইফয়েড ও জ্বরে আক্রান্ত থাকায় শনিবার যন্তর মন্তরে উপস্থিত সমর্থকদের ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানাতে না পারায় দুঃখও প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “৩৭ দিন ধরে যন্তর মন্তরে অপেক্ষা করা প্রত্যেক মানুষকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। আপনারা দেশের জন্য যা করেছেন, আমি সত্যিই তার প্রশংসা করি।”

সমর্থকদের পাশাপাশি সমালোচকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান অভিজিৎ। তাঁর ভাষায়, “যারা যৌক্তিক সমালোচনা করেছেন, তাদের প্রশ্নই আমাকে আরও এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। আমার মনে হয়, এ কারণেই আমরা সফল হতে পেরেছি।”

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement