আন্দোলন শেষ হয়নি, আরও দাবি রয়েছে: অভিজিৎ দিপকে

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১৭: ৪৫
‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি থেকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপককে আটক করে দিল্লি পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি থেকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপককে আটক করে দিল্লি পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’(সিজেপি) তাদের আন্দোলনের অবশিষ্ট দাবিগুলো স্পষ্ট করেছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের পর এই পদত্যাগ ঘটলেও সংগঠনটি বলেছে, আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, সিজেপির সভাপতি অভিজিৎ দিপকে পদত্যাগের পর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, “শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন ঠিকই, কিন্তু আমাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে।” তিনি প্রথমেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারগুলোর কথা তুলে ধরেন। প্রতিটি পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এরপর তিনি ২০ জুলাই সংসদ অভিমুখে মিছিলের সময় পুলিশি নির্যাতন ও লাঠিচার্জের ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। ওই ঘটনায় জড়িত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি করেন অভিজিৎ দিপকে।

কিছুক্ষণ পরেই সিজেপির অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে একটি আপডেট করা দাবি তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) ও দিল্লি পুলিশকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও যোগ করা হয়।

এই আন্দোলনের শুরু হয়েছিল প্রায় এক মাস আগে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি নিয়ে। পরে তা বেকারত্ব, সরকারি জবাবদিহিতা এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতার মতো বৃহত্তর ইস্যুতে রূপ নেয়। ককরোচ জনতা পার্টি মূলত যুবসমাজের একটি ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন হিসেবে শুরু হলেও পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিবাদে পরিণত হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিজিৎ দিপকে আরও বলেন, “যারা এতদিন বলে আসছিল যে সরকারের কাছ থেকে সহজে পদত্যাগ আদায় করা যায় না, আজকের ঘটনা তাদের উত্তর দিয়েছে। দেশের যুবসমাজ ঐক্যবদ্ধ হলে যে কাউকে মাথা নত করতে বাধ্য করা সম্ভব।”

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement